আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন ভিকটিম – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন ভিকটিম

প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০

আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন ভিকটিম

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজ (এমসি কলেজ) ছাত্রাবাসে স্বামীর সামনে গণধর্ষণের শিকার নির্যাতিতা তরুণী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের মহানগর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের বিচারক শারমিন খানম নীলার এজলাসে তিনি জবানবন্দি শুরু করেন। সোয়া ২টায় পর্যন্ত জবানবন্দি দেন নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী। জবানবন্দিতে তিনি সেদিনের নির্মমতার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য নির্যাতিতা তরুণীকে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টার থেকে আদালতে নিয়ে যান।

আদালতে জবানবন্দি রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

এর আগে রোববার সকাল ৬টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মনতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও ভোরে ছাতক থানার নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে ছাতক থানা পুলিশ গ্রেফতার করে মামলার প্রধান আসামী সাইফুর রহমানকে।

গ্রেফতার সাইফুরের বালাগঞ্জ উপজেলার চান্দাইপাড়ার তাহিদ মিয়ার ছেলে ও অর্জুন জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে।

জানা যায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলমের নেতৃত্বে জেলা ডিবি পুলিশের একটি টিম রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচ টায় অর্জুন লস্করকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। দুপুর ১২টায় অর্জুনকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এসএমপির ডিবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন এম সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল হাসান ও মাহফুজুর রহমান মাসুম। এদের মধ্যে চারজন ওই কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়া আরও তিন জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল