আমার দেখা একজন সাদা মনের মানুষ মস্তাক আহমদ পলাশ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

আমার দেখা একজন সাদা মনের মানুষ মস্তাক আহমদ পলাশ

প্রকাশিত: ১২:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০

আমার দেখা একজন সাদা মনের মানুষ মস্তাক আহমদ পলাশ

মো. নুরুল ইসলাম
মানুষকে সহযোগিতা করা, মানুষের দুঃখ কষ্টকে নিজের মত করে ভাবা, পরের বিপদে পাশে দাড়ানো, নিজের কথা চিন্তা না করে অন্যের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা, মানুষকে ভালোবেসে নিজেকে উজাড় করে দেওয়া, আমার দেখা একজন সাদা মনের মানুষ। আমি উনাকে সাদা মনের মানুষ হিসেবেই ভেবে থাকি। আর আমার দেখা সেই সাদা মনের মানুষটার নাম মস্তাক আহমদ পলাশ। জন্মস্থান এবং স্থায়ী বাড়ি সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায়।
তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক ছিলেন, বর্তমানে শ্রীহট্ট মিডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান, সিলেটের দিনকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। মস্তাক আহমদ পলাশ দীর্ঘ দিন থেকে রাজনীতি করে আসছেন। যে কোনো সময় আর্থিক বা অসহায় মানুষের পাশে থাকতে দেখেছি। তিনি নিজের কথা না ভেবে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের উপজেলায়, উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, সমাজিক সংগঠন সহ সবার সাথে যোগাযোগ রেখে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
এসময়ের কিছু কথা না বলেই নয় করোনা প্রার্দূভাব শুর হওয়ার পর থেকে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ মজুমদারের ব্যাক্তিগত তহবিল ও নিজের পক্ষ থেকে ত্রান সামগ্রী দিনব্যাপী অসহায় মানুষের মাঝে পৌছে দিয়েছেন। উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রান সামগ্রী তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিতরণ করেছেন। সার্বক্ষণিক তার পদচারনা অবলোকন করার মত। এই দুর্যোগ মুহুর্তে সরকারী ত্রানের পাশাপাশি এ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার তার ব্যাক্তিগত তহবিল হতে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কানাইঘাট-জকিগঞ্জের ৩ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এর মধ্যে কানাইঘাটে ১৫’শত পরিবারের মাঝে তা বিতরণ করেছেন। এতে প্রতিটি ইউনিয়নে ১৫০টি পরিবারের হাতে এমপি’র ত্রান সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কানাইঘাট মহিলা কলেজে পৌরসভার ১৫০টি পরিবারের মাঝে তা বিতরণ করা হয়। উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নে ত্রান বিতরন করেন। উপজেলার বড়চতুল ইউপি কমপ্লেক্সে এমপি ও তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ত্রান বিতরণ করেন। কানাইঘাট সদরের বীরদল বাজারে ত্রান বিতরণ করেন। এ ভাবে আলহাজ¦ মস্তাক আহমদ পলাশ হাফিজ আহমদ মজুমদার ও তার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ত্রান সামগ্রী প্রত্যেকটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে অসহায় মানুষসহ কর্মীদের হাতে তিনি পৌছে দিয়েছেন। তাছাড়া নিজের তহবিল থেকে উপজেলার সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের নগদ অর্থ ও নিজের হাতে গড়া সংগঠন সুহেদা-মেহেদি পরিষদের পক্ষ থেকে উপজেলার সকল অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিকে সিলেট জেলার আওয়ামী লীগের ক্রিয়েটিভ ডায়নামিক রাজনৈতিক পলিটিক্সমেকার কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত মস্তাক আহমদ পলাশ। সিলেট থেকে শুরু করে কানাইঘাট পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় রয়েছে তার হাজার-হাজার দক্ষ রাজনৈতিক কর্মীবাহিনী। যারা নিজের জীবন দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সিলেট জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।
সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার ৪নং সাতবাক ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে প্রত্যান্ত অঞ্চলকে কর্মদক্ষতায় ইউনিয়নকে নিয়ে গেছেন বিভাগের শ্রেষ্ট ইউনিয়নের তালিকায়। রাজনৈতীক দক্ষ পলিটিক্সমেকার হিসাবে সু-পরিচিত পলাশ যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে সামলে নিয়ে কর্মী সমর্থকদের বুকে টেনে নেওয়ার সকল কৌশলরপ্ত করেন ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত থাকা অবস্থায়। তার ছাত্র রাজনীতি শুরু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন সামান্য কর্মী হিসাবে। ছাত্রজীবন থেকে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক হন।
পদে কি আসে যায়, পলাশের বিচরণ জেলা থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের অফিস কিংবা অন্দর মহলে। নিজের স্বজনদের হারিয়েছেন সড়ক দুর্ঘটনায়। হয়েছিলেন নিজেও গুরুতর আহত। অনেকে মনে করেছিলেন এই বুঝি রাজনীতি থেকে তার বিদায়। কিন্তু সবাইকে তাক লাগিয়ে রাজনীতির মাঠে আজ দাবড়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। রাজনীতির নেশা তাকে ছেড়ে যায়নি কোনো সময়েই। সিলেটের রাজনীতির মাঠে একজন পরীক্ষিত মুজিবসৈনিক ও ডায়নামিক রাজনৈতিক পলিটিক্সমেকার হিসাবে সুপরিচিত হয়ে উঠেন তিনি।
ছাত্র রাজনীতির সুবাদে হয়েছিলেন সিলেট ল’ কলেজের নির্বাচিত জিএস। সেই থেকে তিনি এলাকায় একজন কর্মীবান্ধব নেতা হিসাবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করেন। এই করোনা প্রার্দূভাব শুরু হওয়ার পর থেকে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে এই নেতা। সিলেটের সংবাদকর্মীদের পরিবারের পাশেও দাড়িয়েছেন তিনি। ইদানিং মস্তাক আহমদ পলাশকে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন করে কিছু ষড়যন্ত্র। আর এই নিয়ে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা। আমরা সবসময় অন্যকে নিয়ে আলোচনা করতে পারি কিন্তু নিজের আলোচনা করতে পারি না। সে ভালো বা মন্দ যাই হউক। আমি আলোচনাকারীদের বলব মস্তাক আহমদ পলাশের মত মানবিক গুনাবলীর একজন মানুষ হিসেবে আপনাকে আগে প্রতিষ্ঠিত করুন। পরে অন্যকে নিয়ে আলোচনা করলে ভালো লাগবে। এই মুহুর্তে মস্তাক আহমদ পলাশ অসুস্থ রয়েছেন। আমরা এধরনের একজন মানবিক গুনাবলী পূর্ণ মানুষের আশু সুস্থতা কামনা করছি। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশা রাখছি। আল্লাহ হাফেজ।