উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে ৭নং ওয়ার্ড – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে ৭নং ওয়ার্ড

প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৭, ২০২০

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে ৭নং ওয়ার্ড

আমিনুল ইসলাম কানাইঘাটঃ
সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডের মধ্যে ৭নং ওয়ার্ডও একটি গুরুত্বপুর্ণ ওয়ার্ড। পৌরসভার মহেষপুর, নয়াতালুক ও রায়গড় গ্রামের একটি অংশ নিয়ে মুলত এই ওয়ার্ড গঠিত। উপজেলা পরিষদ সহ প্রশাসনিক প্রায় সকল ভবনই এই ওয়ার্ডে অবস্থিত। সেই অনুযায়ী পৗর মেয়র নিজাম উদ্দিনের বিশেষ নজর রয়েছে জনগুরুত্বপুর্ণ এই ওয়ার্ডের দিকে। যার কারনে বিগত ৫ বছরে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে এই ওর্য়াডের অনেকটাই চেহারা। সেই সঙ্গে বদলে গেছে ওয়ার্ডবাসীর জীবনমান। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করার অঙ্গীকার নিয়ে কানাইঘাটের পৌর পিতা নিজাম উদ্দিন তার নিরলস প্রচেষ্টায় ৭নং ওয়ার্ডও নিজের মত করে সাজিয়ে তুলেছেন। সরেজমিনে দেখা যায় ৭নং ওয়ার্ডে পূর্বের তুলনায় মেয়র নিজাম উদ্দিনের আমলে কয়েকগুন বেশি উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে রায়গড় ও মহেষপুর গ্রামের বিতর দিয়ে তিনি নতুন নতুন রাস্তা-ঘাট নির্মাণ সহ পাকা করণ করে সবাইকে যেন তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তামাবিল সড়ক হতে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের পুর্ব দিকে মহেষপুর গ্রামের বিতর দিয়ে যে রাস্তাটি মেয়র নিজাম উদ্দিন পাকা করণ করেছেন তা সকলের চোখে যেন লক্ষণীয়। কারন দীর্ঘ এ রাস্তাটি মরহুম আহমদ সিদ্দিকী দুদু চেয়ারম্যানের বাড়ি বায়া উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মহেষপুর গ্রামের শরীফ উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত প্রথম দফায় ৮ ইঞ্চি উচ্চতায় পাকা করণ করেছেন। আবার দ্বিতীয় দফায় সেখান থেকে শুরু করে প্রথম স্তরের ঢালাই পুরো গ্রাম বায়া বখই মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন কলেজ রোড নামক সড়কের সাথে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এবং ঐ রাস্তা হতে মহেষপুর গ্রামের শাহাব উদ্দিনের বাড়ি সংলগ্ন হতে আরেকটি ফাড়ি রাস্তা পাকা করণ করে মহেষপুর জামে মসজিদে সংযুক্ত করেছেন মেয়র নিজাম উদ্দিন। এ ছাড়াও তামাবিল সড়ক হতে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের উত্তর-পুর্ব দিকে মহেষপুর গ্রাম হয়ে দুলর্ভপুর ও কলেজের দিকে যে সড়কটি গিয়েছে সেই সড়কটিতে কার্পেটিংয়ের কাজ করা হয়েছে। এদিকে রায়গড় গ্রামেও ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তামাবিল রোড হতে শুরু করে কানাইঘাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বায়া পশ্চিম মূখী একটি রাস্তা রায়গড় গ্রামে প্রবেশ করেছে। সেই রাস্তাটি নাছির আহমদের বাসা পর্যন্ত ৮ইঞ্চি উচ্চতায় সিসি ঢালাই করা হয়েছে। আবার একই গ্রামের গোপাল দা’র বাড়ি হতে শুরু করে উপজলা পরিষদের সিএ বিল্পব কান্তি দাস অপুর বাড়ি বায়া আব্দুর রহিমের বাড়ি পর্যন্ত সিসি ঢালাই করা হয়েছে। এ ভাবে ৭নং ওয়ার্ডে মাটি ভরাট সহ অসংখ্য রাসÍা এ ৫বছরে নিমার্ণ করে মেয়র নিজাম উদ্দিন এখানকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে দিয়েছেন। এসব রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে স্টিট লাইট বসিয়েছেন। শুধু রাস্তা-ঘাট নয় এই ওয়ার্ডের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে শ্রেণী অনুযায়ী অসহায় মানুষকে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্দ্বী ও মাতৃত্বকালীণ শতভাগ ভাতার আওতায় নিয়ে এসেছেন। তাছাড়া দরিদ্র জনগোষ্টির মহিলাদেরকে সাবলম্বী করার জন্য হাঁস মুরগী পালনের জন্য পুজির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। পুরুষদের জন্য শ্রেণী অনুযায়ী গাছের চারা, ছাগল ও মুদির দোকানের ক্ষুদ্র পুজির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মেয়র নিজাম উদ্দিন। এছাড়াও কানাইঘাট পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে পুষ্টির চাহিদা মিটানোর জন্য হতদরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মাঝে বছরে বিভিন্ন প্রজাতির শাক-সবজি’র বীজ বিতরন করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন মসজিদ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে গভীর নলকোপ স্থাপন করেছেন। প্রায় প্রতিটি মসজিদে সৌর বিদ্যুৎ লাগিয়েছেন। বর্তমানে এ ওয়ার্ডে ১টি পাবলিক টয়লেট সহ ৩টি কমিউনিটি টয়লেটের টেন্ডার করেছেন। এসবের মাধমে তিনি পুরো এলাকার চিত্র যেন পাল্টিয়ে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিক বৃন্দ জানিয়েছেন এসব উন্নয়নে মেয়র নিজাম উদ্দিন পৌরবাসীর কাছে নিজেকে আলাদা ভাবে তুলে ধরতে সমর্থ হয়েছেন। দীর্ঘদিনের উন্নয়নের বঞ্চনা ও জনভোগান্তি থেকে পৌরবাসীকে মুক্তি দিতে দিন-রাত তিনি অ-ক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। নিজে দাড়িয়ে থেকে তদারকি করেন সকল উন্নয়ন মূলক কাজের। মানের প্রশ্নে আপোষহীন থেকে পৌরসভার সামগ্রীক উন্নয়নে তিনি যেন বদ্ধপরিকর। যার কারনে তারই হাত ধরে কানাইঘাট পৌরসভা তৃতীয় শ্রেণীর থেকে সত্যিকার অর্থে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়েছে। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নে তিনি মেয়র হিসাবে সত্যিই অগ্রাধিকারের তালিকায় আন্তরিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। এসবের মাধ্যমে তিনি পৌরবাসীর প্রতি তার দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েই চলছেন। জানা যায় মেয়রের এই কর্মস্পৃহা ও আন্তরিকতায় খুশি রয়েছেন এই জনপদের সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন যে স্বপ্ন ও আকাঙ্খা নিয়ে তারা মেয়র নিজাম উদ্দিনকে নির্বাচিত করেছিলেন তা এখন বাস্তবে রুপান্তরিত হয়েছে। (আগামী পর্বে আসছে ৮নং ওয়ার্ডের উন্নয়নের চিত্র)।