এখন তামাক নিয়ন্ত্রণ নয় নির্মূল করতে হবে -বিভাগীয় কমিশনার – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

এখন তামাক নিয়ন্ত্রণ নয় নির্মূল করতে হবে -বিভাগীয় কমিশনার

প্রকাশিত: ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৬

এখন তামাক নিয়ন্ত্রণ নয় নির্মূল করতে হবে -বিভাগীয় কমিশনার

openuuyiiসিলেটের বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জনস্বাস্থ্য রায় তামাক নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপুর্ণ কার্যক্রম। তামাক বিরোধী আন্দোলন দীর্ঘদিনের। এ আন্দোলন বর্তমানে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এখন তামাক নিয়ন্ত্রণ নয়. নির্মূল করতে হবে। তামাক হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যান্সারের কারণ। এ সকল রোগগুলোর নিয়ন্ত্রণে তামাক ব্যবহার কমাতে হবে। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণ আন্দোলন স্থানীয় পর্যায়ে জোরদার করতে হবে। আইন ও নীতিমালাকে তামাক কোম্পানীর প্রভাবমুক্ত রাখতে আন্তর্জাতিক তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তি এফসিটিসি-র আর্টিকেল ৫.৩ বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে তামাক বিরোধী কার্যক্রমের জন্য অর্থায়ন জরুরি।
বুধবার সকাল ১১ টায় সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, সীমান্তিক ও দ্যা ইউনিয়ন এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী মুক্তির সভাপতিত্বে শুরুতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা শারমিন আক্তার রিনি। বক্তব্য রাখেন পরিচালক স্বাস্থ্য ডা. গৌর মনি সিন্হা, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো: মতিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট সৈয়দ মো: আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) নুরুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ, দ্যা ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক, সৈয়দ মাহবুবুল আলম, সীমান্তিক তামাক মুক্ত সিলেট প্রকল্প’র সমন্বকারী রেজওয়ানা আরফিন তান্নি, প্রজেক্ট অফিসার শেফালী বেগম।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যুবদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি, তাই এখন যুবকদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। যাতে আগামী দিনে একটি সুস্থ্য সবল জাতি পাওয়া যায়। শিা প্রতিষ্ঠানের আসে পাশে তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয় বন্ধ করতে হবে। আর এ লে প্রথমে সকল তামাক বিক্রয়কারীদের লাইসেসিং-র আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
মুল প্রবন্ধ উপস্থাপক শারমিন আক্তার রিনি বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো নানা ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে আইন ও নীতি বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। আইন ও নীতিকে তামাক কোম্পানির প্রভাবমুক্ত রাখতে এফসিটিসি-র আর্টিকেল ৫.৩ অনুসারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। এফসিটিসি ৫.৩ অনুসারে তামাক কোম্পানির সাথে সকল ধরনের আলোচনা উম্মুক্ত হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রতিবছর ৬৪ ল মানুষ দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য রায় রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগে বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে। অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে তামাক নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সংরণ, ভোক্তা অধিকার, নিরাপদ খাদ্য আইনসমূহের কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে।

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল