এদের সাথে কেন এমন করা হল? – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

এদের সাথে কেন এমন করা হল?

প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৭

এদের সাথে কেন এমন করা হল?

সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ব্যানারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’র ৮১ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে সিলেট নগরীর সোবহানীঘাটে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রীয় নজরুল ইসলাম খান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। আলোচনা সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্বে করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদল সভাপতি এডভোকেট সাঈদ আহমদ।
আলোচনা সভা নিয়ে নিজ ফেইসবুক আইডিতে জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুহেল ইবনে রাজা একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন যেখানে তিনি সিলেটের জনপ্রিয় ছাত্রনেতা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গুমকৃত ইফতেখার আহমদ দিনার ও জেলা ছাত্রদলের ১ম যুগ্ম সম্পাদক মকসুদ আহমদকে নিয়ে লিখেছেন। যা হুবহুব তুলে ধরা হলো:

এদের সাথে কেন এমন করা হল?

সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর উপর আলোচনা সভা হয়ে গেল গতকাল।যেখানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের প্রভাবশালী সদস্য সাবেক মন্ত্রী জনাব নজরুল ইসলাম খান।
বক্তব্যের ধারাবাহিকতার এক পর্যায় তিনি জননেতা এম ইলিয়াস আলী কে ফিরৎ চাইলেন,এবং জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের দায়িত্বশীল তিনজন নেতার উপর দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবী করলেন।ভাল

কিন্ত সবার উপর শ্রদ্ধা রেখেই আমার প্রশ্ন হল এখানে, জননেতা এম ইলিয়াস আলী যে ভাবে সরকারে রুষানলে পড়ে দেশী বিদেশী চক্রান্তের শিকার হয়ে গুম হয়েছেন ঠিক একই ভাবে গুম হয়েছেন ছাত্রনেতা ইফতেখার আহমদ দিনার,জুনেদ আহমদ,আনসার আলী, তাহলে কেন তাদের কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী করলেন না কেন্দ্রীয় নেতা,কেন তাদের নাম কেন্দ্রীয় নেতার কাছে দেওয়া হলনা।সাধারন কর্মিদের মাঝে আজ সেই প্রশ্ন।

খালেদ ভাই লোকমান ভাই মুন্না ভাই যে ভাবে মামলার কারনে ফেরারী হওয়ায় আলোচনা সভায় আসতে পারেননি প্রধান অথিতি তাদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবী করলেন।ভাল
কিন্ত ঠিক একই ভাবে এবং অসংখ্য মামলা নিয়ে ফেরারী জীবন যাপন করছেন জেলা ছাত্রদলের ১ম যুগ্ম সম্পাদক মকসুদ ভাই তিনি ও আলোচনা সভায় অংশ গ্রহণ করতে পারেননি।অথচ দুংখজনক হলেও সত্য যে তিনির কথা প্রধান অথিতি দূরে থাক উপস্থিত কেউ বলেননি যে মকসুদ এর উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হউক।
অথচ প্রধান অথিতি সহ সবাই শুধু বললেন খালেদ ভাই,লোকমান ভাই আর মুন্না ভাইর কথা।
ভাবতে অবাক লাগে এসব চিন্তা করলে বুজতে পারিনা দলের আগামী ভবিষ্যৎ কি।
ত্যাগীদের যদি এভাবে মুল্যায়ন করা হয় ভবিষ্যৎ রিস্ক নেওয়ার মানুষ কি দলে খুজে পাওয়া যাবে?

প্রশ্ন করতে ইচ্ছা জাগে এই নুংরা রাজনীতির শেষ কোথায়।এভাবে আর কত?