এরশাদের দুর্নীতি মামলার আপিলের রায় ৯ মে – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

এরশাদের দুর্নীতি মামলার আপিলের রায় ৯ মে

প্রকাশিত: ৫:২১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০১৭

এরশাদের দুর্নীতি মামলার আপিলের রায় ৯ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতি থাকাকালে উপঢৌকন সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগের বিরুদ্ধে দেওয়া ৩ বছরের কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে সাবেক রাষ্টপতি এইচএম এরশাদের করা আপিলের রায় আগামী ৯ মে।

আজ মঙ্গলবার এই মামলায় এরশাদ ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানী শেষে বিচারপতি মো. রুহুল ‍কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের এই দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে এরশাদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মজিবুর রহমান।

এরশাদের আপিল ছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে করা আরো দুটি আপিল শুনানি করে আদালত রায়ের এ দিন ধার্য করেন। বিচারাধীন রয়েছে।ওই দুটি আপিলে সরকার এরশাদের সাজা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে।

এর আগে গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে ২৩ মার্চ রায় ঘোষণার দিন ধার্য় করেছিলেন হাইকোর্ট। তবে ওই দিন আদালত বলেছিলেন, এরশাদের আপিল ছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে করা আরো দুটি আপিল বিচারাধীন রয়েছে।ওই দুটি আপিলে সরকার এরশাদের সাজা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছে। এ অবস্থায় নিম্ন আদালতের সাজার রায় বাতিলের জন্য এরশাদ যে আবেদন করেছে সেটির ওপর রায় ঘোষণা করলে তা যুক্তিসংগত হবে না।অতএব ন্যায় বিচারের স্বার্থে ৩ টি আপিলের ওপর একসঙ্গে শুনানি করে রায় দেয়াটা হবে যুক্তিযুক্ত।এরপর ওই ৩ টি আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর দীর্ঘ ২৪ বছর পর দূনীর্তি মামলায় সাজার বিরুদ্ধে এরশাদের আপিল শুনানি শুরু হয়। দীর্ঘ ২৪ বছর পর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সাজার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির শুনানি শুরু করতে উদ্যোগ নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন।

এর আগে ২০১২ সালের ২৬ জুন সাজার রায়ের বিরুদ্ধে এইচ এম এরশাদের আপিলে পক্ষভুক্ত হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আপিলে পক্ষভুক্ত হতে দুদকের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিন বিচারপতি খোন্দকার মুসা খালেদ ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ দুদকের আবেদন মঞ্জুর করেন।

১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিভিন্ন উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এরশাদের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তত্কালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ সেনানিবাস থানায় মামলাটি করেন। মামলায় এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।

ওই মামলায় ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের রায়ে এরশাদের তিন বছরের সাজা হয়। একই সঙ্গে ওই অর্থ ও একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে এরশাদ ১৯৯২ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন। আদালত আপিল গ্রহণ করে রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন ও নিম্ন আদালতের নথি তলব করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল