ওসমানীনগর পৌরসভা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

ওসমানীনগর পৌরসভা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রকাশিত: ৩:০৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৯

ওসমানীনগর পৌরসভা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃঃ আদি সভ্যতার দেশ গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিশ্ব সিলেট উৎসব-২০১৯। উৎসবে যোগদেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন গ্রিসের সভাপতি, ইউরো বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, নক্শী বাংলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাংবাদিক তাইজুল ইসলাম ফয়েজ।

সভাপতি, প্রধান অতিথির হাতে সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলাকে ওসমানীনগর পৌরসভা বাস্তবায়নের জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্মারকলিপি মনোযোগ সহকারে পড়ে তিনি বলেন, ওসমানীনগর একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। বর্তমান সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ওসমানীনগর উপজেলায় পৌরসভা বাস্তবায়নে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জালালাবাদ এসোসিয়েশন গ্রিস শাখার সাধারণ সম্পাদক মুমিন খানের পরিচালনায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকার সভাপতি সাবেক সচিব ডক্টর এ কে আব্দুল মুবিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত জসিম উদ্দিন এনডিসি, গিস আওয়ামী লীগের সভাপতি মান্নান মাতুব্বর, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাওলাদার প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে সাংবাদিক তাইজুল ফয়েজ উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রবাসী সাংবাদিক হিসেবে সংযুক্ত হয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কাছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন এবং সেগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে। এখন জনগণের প্রাণের দাবি ওসমানীনগর উপজেলায় ওসমানীনগর পৌরসভা বাস্তবায়ন করা। দীর্ঘদিন থেকে সরকারদলীয় কোন এমপি, মন্ত্রী না থাকার কারণে সিলেট-২ আসন উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে। সেজন্য সিলেট-২ কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ নজরে রাখার আহ্বান জানান তাইজুল ফয়েজ।

এছাড়া, একান্ত আলাপচারিতায় উঠে আসে সিলেটের শিক্ষা-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্যের নানান দিক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এক

টি গবেষণায় দেখা গিয়েছে অন্য বিভাগের সঙ্গে সিলেট বিভাগের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩৭% পিছিয়ে রয়েছে। আমরা সিলেটের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধিকরণের জন্য কাজ করছি। সরকারের পাশাপাশি সিলেট বিভাগের প্রবাসীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধিকরতে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ইমা/০৪/১১/১৯