কানাইঘাটে আব্দুল মতিন গংদের অত্যাচারে নিঃস্ব একটি পরিবার, থানায় মামলা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

কানাইঘাটে আব্দুল মতিন গংদের অত্যাচারে নিঃস্ব একটি পরিবার, থানায় মামলা

প্রকাশিত: ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

কানাইঘাটে আব্দুল মতিন গংদের অত্যাচারে নিঃস্ব একটি পরিবার, থানায় মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের কানাইঘাটের পশ্চিম দর্পনগরের মৃত ইশাক আলীর ছেলে হাজী রফিক উদ্দিনের মৌরসী জমির উপর মার্কেট দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটকার সময় কানাইঘাটের মাছুগ্রাম (সড়কের বাজার) রফিক উদ্দিনে মার্কেটে হামলা ও ভাংচুর চালায় তারা। এই ঘটনায় রফিক উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

মামলায় আসামীরা হলেন, ১/ কানাইঘাটের পূর্ব দর্পনগরের মৃত মুহিবুর রহমানের ছেলে আব্দুল মতিন (৬০), ২/ কানাইঘাটের রাজাপুরের আব্দুন নূর, ৩/ কানাইঘাটের মাঝারগ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে শিমুল আহমদ (২৯), ৪/ কানাইঘাটের পূর্ব দর্পনগরের মটুক আহমদের ছেলে জুনেদ আহমদ (৩৫), ৫/ কানাইঘাটের মাছুগ্রামের মুতি মিয়া (৩২), ৬/  ডালু মিয়ার ছেলে কয়েছ আহমদ (৩০), ৭/ সুহেল আহমদ, ৮/ কানাইঘাটের শাহাপুরের মঈন উদ্দিনের ছেলে রুহুল আমীন (২৮),  কানাইঘাটের মাহমুদ আলীর ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৩৪)।

মামলা সূত্র থেকে জানা যায়, কানাইঘাটের পশ্চিম দর্পনগরের মৃত ইশাক আলীর ছেলে হাজী রফিক উদ্দিনের মোরসী জমি জেএল নং-২০০, ডিপি খতিয়ান নং-৫১, ছাপা খত্যান নং-৫৫ উপর মার্কেটে দখলের চেষ্টা দীর্ঘদিন থেকে চালিয়ে আসছে মামলার ১ নং আসামী আব্দুল মতিন । আব্দুল মতিন অত্যন্ত চালাক চতুর, লাঠিয়াল ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির লোক হওয়ায় নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এইসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে উল্লেখিত আসামী মতিন মিয়া তার ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী সহ দেশীয় অস্ত্র  রড, হুইল, হাতড়ী, শাবল নিয়ে মার্কেট দখলের জন্য  যায়। সেখানে গিয়ে তারা ক্ষমতার জোর দেখিয়ে উক্ত মার্কেটে ভাংচুর ক্রে আনুমানিকে ৬০-৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে মার্কেটের আসবাপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মামলা বাদী হাজী রফিক উদ্দিন বলেন, আমি একজন অসহায় মানুষ। আমি জীবনের সব সঞ্চয় নিয়ে এই মার্কেট তৈরী করছি। কিন্তু আব্দুল মতিন মিয়া আমাকে নানান সময় নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছে যে আমি তাকে এই মার্কেটের অর্ধাংশ দিতে হবে। না দিলে আমার মার্কেটটি জোর করে দখল করে নিবে। সেই প্রেক্ষিতে ২০ তারিখ তারা এ হামলা চালায় । ঘটনার দিন আমার মেয়ে রুবিনা বেগম ও স্ত্রী হাজিরা বেগম বাধা প্রদান করলে তখন বিবাদী শিমুল আমার মেয়েকে চুলের মুটি ধরিয়া টান দিয়া মাটিতে ফেলে মারপিট করে আমার মেয়ের শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখম করে। ঐ সময় বিবাদী মুতি ও কয়েছ আমার মেয়েকে টানা হিচড়া করে একটি ঘরে আটকিয়ে রাখে। আমার স্ত্রী আমার মেয়েকে রক্ষা করতে চাইলে তখন বিবাদী সুহেল, জুনেদ ও রুহুল আমিন আমার সস্ত্রীকে কিল ঘুষি মারিয়া শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখম করে। বর্তমানে তারা চিকিতসাধীন অবস্থায় রয়েছে। আমি প্রসাশনের প্রতি আকুল আবেদন জানায় আমার মার্কেট, স্ত্রী ও মেয়ের উপর এরকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আসামীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল