কানাইঘাটে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

কানাইঘাটে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৪:০৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০২০

কানাইঘাটে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ

কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ
সিলেটের কানাইঘাটে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ন ভবন ও মালামাল নিলামে বিক্রি অর্থাৎ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার বেলা ২ টায় উপজেলার বিভিন্ন ইউপি’র ৬টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ন ভবন ও মামামালগুলো সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে নিলাম করা হয়েছে বলে অনেকে জানিয়েছেন। জানা যায় তাৎক্ষনিক এক দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপজেলার বড়দেশ পশ্চিম, গোরকপুর, কারাবাল্লা, সড়কের বাজার, পর্বতপুর ও দুর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ন ভবন ও মালামালগুলো টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিলামে বিক্রির জন্য দরপত্রের আহবান করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস। বিধি অনুযায়ী ক্রেতারা নিলামে অংশ গ্রহন করলেও একটি সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে কানাইঘাট পৌরসভার মহেষপুর গ্রামের বশির উদ্দিনের পুত্র আব্দুল্লাহ শামীম ও জৈন্তাপুর উপজেলার তুবাং গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র ইমরান আহমদ জানিয়েছেন তারা এ নিলাম প্রক্রিয়ায় বিধি অনুযায়ী অংশ নিয়েছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে তা টেন্ডার হয়েছে উল্লেখ করে আব্দুল্লাহ শামীম ও ইমরান আহমদ বলেন নিলামে সিন্ডিকেট চক্রের সিদ্ধান্তের বাহিরে তারা যথারীতি নিলামে অংশ নেন। এতে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষে ইমরান আহমদ, দুর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যাক্ত ভবনটি সিন্ডিকেট চক্রের হাত থেকে বাচাঁতে নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ৪৫ হাজার টাকার ডাক দেন। কিন্তু রহস্যজনক কারনে মাত্র ২ সেকেন্ড সময়ের অজুহাত দেখিয়ে সেই ভবনটি ৪১ হাজার টাকায় নিলাম দেওয়া হয়। এদিকে আব্দুল্লাহ শামীম একই অভিযোগ দিয়ে বলেন তিনি কাড়াবাল্লা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যাক্ত ভবনটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার ডাক দেন। কিন্তু তাও রহস্যজনক ভাবে মাত্র ১ সেকেন্ট সময়ের অজুহাত দেখিয়ে ৪২ হাজার ৫শত টাকায় নিলাম দেওয়া হয়। তারা সরকারকে এ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলী ও শিক্ষা কর্মকর্তার উপর দায় চাপিয়ে বলেন একটি সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে এ নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। যা সম্পুর্ণ বিধিবহির্ভুত।