কানাডায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ছাড়াল – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

কানাডায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ছাড়াল

প্রকাশিত: ৯:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৭, ২০২০

কানাডায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ছাড়াল

অনলাইন ডেস্ক

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ১১ হাজার ৭৯৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৮০ হাজার ৯২৩ জন।

কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ- অন্টারিও, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা এবং কুইবেকে নাটকীয়ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে হাসপাতাল, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ব্যাপকহারে চাপ পড়ছে।

কানাডার সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান বড়দিনের এখনও এক মাস বাকি। কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের প্রিমিয়াররা ঝাঁপিয়ে পড়ছেন কীভাবে কানাডিয়ানদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ এবং ছুটির উপভোগ্য সময়গুলোতে ভারসাম্য তৈরি করা যায়।

কানাডার প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. থেরেসা ট্যাম কানাডিয়ানদের মহামারী চলাকালীন ছুটির মৌসুমে সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে কার্যকর উপায় জমায়েত সীমাবদ্ধ করা এবং প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাইরে না যাওয়ার ব্যাপারে আবারও সতর্ক করেছেন। দেশজুড়ে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে জানিয়ে সব কানাডিয়ানকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মঙ্গলবার বলেছেন, কানাডিয়ানরা ২০২১ সালের গোড়ার দিকে প্রথম ডোজ কোভিড-১৯ টিকা পাওয়ার আশা করতে পারে। যেসব দেশ নিজেরাই টিকা উৎপাদনে সক্ষম তাদের তুলনায় দেরি করে তারা তা পাবে।

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে করোনা মহামারীর দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, সরকার কর্তৃক বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেয়া সত্ত্বেও করোনাভাইরাস কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রিত করা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ফাইজারের ভ্যাকসিনকে গ্রহণযোগ্য মনে করছে কানাডা। ক্রিসমাসের আগেই এটি ব্যবহারের অনুমোদন দিতে পারে হেলথ কানাডা।

স্বাস্থ্য খাতের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হেলথ কানাডার প্রধান উপদেষ্টা ড. সুপ্রিয়া শর্মা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, হেলথ কানাডার পর্যালোচনায় ফাইজারের ভ্যাকসিনটি সবচেয়ে অগ্রসর এবং নিরাপদ মনে হয়েছে।

ক্রিসমাসের আগেই এর ব্যবহারের অনুমোদন দিতে হেলথ কানাডা কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও ক্রিসমাসের আগেই ভ্যাকসিন অনুমোদনের পকিল্পনা নিয়েছে।

কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের বাসিন্দারা আশঙ্কার মধ্য দিয়ে দিনযাপন করছেন। একদিকে শীতের প্রকোপ অন্যদিকে করোনাভাইরাসের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। তবুও প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিন আর সুদিনের অপেক্ষায় আছেন কানাডাবাসী।