কামরুলের অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়েও শেষ হাসি তামিমদের – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

কামরুলের অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়েও শেষ হাসি তামিমদের

প্রকাশিত: ৭:৩২ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২১

কামরুলের অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়েও শেষ হাসি তামিমদের

স্পোর্টস ডেস্ক ::
কামরুল ইসলামের অবিশ্বাস্য ব্যাটিং নৈপুণ্যে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল প্রাইম দোলেশ্বর। কারণ, শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩১ রানের। হাতে ছিল মাত্র এক উইকেট। এমন অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে হারের পথেই ছিল দোলেশ্বর। কিন্তু অসম্ভবকে সম্ভব করারই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কামরুল ইসলাম। রুবেল হোসেনের করা শেষ ওভারে ছক্কার বন্যা বইয়ে দিলেন কামরুল। পাঁচ বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে প্রায় জয়ের কাছেই নিয়ে যান তিনি। কিন্তু শেষ বলে মাত্র ১ রান নেয়ায় ৩ রানে হারতে হয়েছে তাদের। অর্থাৎ, সহজ ম্যাচ কঠিন করে জয় পেয়েছে তামিম ইকবালের প্রাইম ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের ৩২তম ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবকে ৩ রানে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। চলতি আসরে প্রাইম দোলেশ্বরের এটিই প্রথম হার।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ১২ বলে ৩৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলেও প্রাইম দোলেশ্বরকে জেতাতে পারলেন না কামরুল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৮ রান তুলতে পেরেছে প্রাইম দোলেশ্বর।

ম্যাচ জেতাতে অনেক চেষ্টা করেছেন কামরুল। শেষ ওভারে রুবেলের প্রথম বল লং অন দিয়ে ছক্কা মারেন তিনি। পরের বলটিতে ব্যাটের কানায় লেগে পান দুই রান। পরের দুই বলেও লং অফ দিয়ে হাঁকান ছক্কা। এরপর রুবেলের ফুল টসের বল মাথার উপর দিয়ে আরেকটি ছক্কা মারেন কামরুল। ফলে শেষ বলে চার মারলেও ম্যাচটি টাই হতে পারতো। কিন্তু শেষ বলে টাইমিং ঠিক রাখতে পারলেন না। নিতে পারলেন কেবল একটি রান। তাই জয়ের আনন্দে ভাসে প্রাইম ব্যাংক।

এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৫১ রান করে প্রাইম ব্যাংক। যদিও টস জিতে ব্যাটিংয়ের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি প্রাইম ব্যাংকের। শুরুতেই শূন্য রানে বিদায় নেন রনি তালুকদার। শামিম হোসেনের বলে আট রানে এলবির ফাঁদে পড়েন আরেক ওপেনার তামিম।

এরপর এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে হাল ধরেন মিঠুন। ৫০ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাটে ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় প্রাইম ব্যাংক। তাই ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তাঁর হাতে। এ ছাড়া ২৯ রান করেন এনামুল। ১৪ বলে ২৬ রান করেন অলোক কাপালি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

প্রাইম ব্যাংক: ২০ ওভারে ১৫১/৭ (তামিম ৮, রনি ০, এনামুল ২৯, মিঠুন ৫৫, আরাফাত ৫, নাহিদুল ২০, অলক ২৬, নাঈম ১*; এনামুল জুনি. ৪-০-১৭-১, শামীম ৩-০-৩৩-১, তাইবুর ২-০-২১-১, রেজাউর ৪-০-৩৮-১, কামরুল রাব্বি ৪-১-২২-২)।

প্রাইম দোলেশ্বর : ২০ ওভারে ১৪৮/৯ (সাইফ ১৩, মার্শাল ২২, ফজলে মাহমুদ ২৪, শরিফউল্লাহ ১৯, ফরহাদ ১৩, কামরুল রাব্বি ৩৮*, এনামুল জুনিয়র ০*; মুস্তাফিজ ৪-০-২৫-৩, রুবেল ৪-০-৪৬-২, শরিফুল ৪-০-১৫-২, নাঈম ৩-০-১৯-১, অলক ৪-০-৩০-১, নাহিদুর ১-০-৭-০)।

ফল : প্রাইম ব্যাংক ৩ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মোহাম্মদ মিঠুন।