কাশ্মীরী আচার খেয়ে অসুস্থ ১১ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

কাশ্মীরী আচার খেয়ে অসুস্থ ১১

প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ণ, মে ৩, ২০১৬

কাশ্মীরী আচার খেয়ে অসুস্থ ১১

77000সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ আকবরী মসজিদ মার্কেট নিউ কাশ্মীরী আচার দোকানে আচার খেয়ে চার পরিবারের ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। খরাদিপাড়ার বাসিন্দা শাহারা বানু জানান, আমার তিন সন্তান আমাকে আচার খাওয়ার জন্য বলে আমি অত্যন্ত শকের বসে নিউ কাশ্মীরী আচারের দোকান থেকে আচার ক্রয় করে নিয়ে বাসা গিয়ে তিন সন্তানকে নিয়ে আচার খাই। আচার খাওয়ার কিছু সময় পর সবার পেটে প্রচন্ড ব্যর্থা ও ডাইরিয়া হতে থাকলে আমি দূরুত্ব গতিতে আমার স্বামী হাফিজ মিয়াকে জানিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাই। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বলেন উক্ত আচারের কারণে এধরনে সমস্যা পেটে দেখা দিয়েছে। আচারে প্রচুর পরিমান রং ও সেগারিং মিশিয়ে পুরোন টক জিনিস পত্র দিয়ে অস্বাস্থ্য কর পরিবেশ তৈরী আচার যা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন পরিবারের সকল সদস্য।
শিবগঞ্জ নিবাসী সিজান আহমদ জানান নিউ কাশ্মীরী আচার খেয়ে আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানের একি অবস্থা দেখা দিয়েছে।
শিবগঞ্জ বৈশাখী আ/এ বাসিন্দা সুমন মিয়া জানান নিউ কাশ্মীরী আচার খেয়ে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
সেনপাড়া নিবাসী হানিফা বেগম জানিয়েছেন স্কুল থেকে আমার সন্তাদের বাসায় নিয়ে যাওয়ার সময় নিউ কাশ্মীরী আচারের দোকান থেকে আচার ক্রয় করে বাসায় নিয়ে আমার সন্তান আচার খাওয়ার পার পেটে ব্যর্থা ও ডাইরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
এই বিষয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় দোকানের বিভিন্ন আচারে রং ও পুরোন তেল এবং টক দ্রাবাদি দিয়ে আচার তৈরি করে শফিকুল বিআরটিসি ও সিসিকের অনুমোদ ছাড়া অস্বাস্থ্য কর পরিবেশে আচার বিক্রি করছেন।
বিভিন্ন ক্রেতা যখন অভিযোগ নিয়ে দোকানে উপস্থিত হন দোকানে কর্মচারী ছোট ছেলেকে রেখে চলে জান।
এই বিষয়ে নিউ কাশ্মীরী আচারের মালিক শফিকুল এর সাথে যোগাযোগ করে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ পেয়েছি তবে আমার আচারে কোন সমস্যা নেই। বিআরটিসি ও সিসিকের অনুমোদন সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে তিনি ফোনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে পরবর্তীতে যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল