কিছু শিল্পী নামের রাক্ষুসী মেয়েদের ভয়ঙ্কর প্রতারণার মুখ খুলে দিবো এবার ! – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

কিছু শিল্পী নামের রাক্ষুসী মেয়েদের ভয়ঙ্কর প্রতারণার মুখ খুলে দিবো এবার !

প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৭

কিছু শিল্পী নামের রাক্ষুসী মেয়েদের ভয়ঙ্কর প্রতারণার মুখ খুলে দিবো এবার !
সিলেটের সংঙ্গীতকে এগিয়ে নিতে আমি সিলেটের আনাচে  কানাচে  সবধরনের শিল্পী,জন্তুু শিল্পী, গীতিকার এম কি নাট্যকার নাট্য কর্মিদের নিয়ে আমার ক্ষুদ্র লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্ঠা করেছি বা করে আসছি কয়েক বছর যাবত,বিশেষ করে বাউল শিল্পীদের ক্ষেত্রে একটু বেশি করেছি বা করছি,সিলেটের সংঙ্গীত আমাদের অহংকার আমাদের গর্ব,দেশসহ বিশ্বের বুকে রয়েছে অনেক শুনাম,আর এই সংঙ্গীতকে যারা লালন পালন করছেন পুরাতন এবং নতুন উদীয়মান শিল্পীবৃন্দ  তাদের প্রচারের জন্য ও সংঙ্গীত ভুবনকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে, পাশাপাশি নতুনদের উৎসাহীত করতে মূল লক্ষ্যই আমার,শিল্পীদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাদের অনেকের সাথে আমার বন্দুত্ত হয়,ভিন্ন ভাবে মিশে  যাই তাদের মাঝে, আর এই মিশাতে আমার জীবনের অনেক ক্ষতি হয়েছে,কিন্তু তাতে কোনো দুঃখ নেই,ক্ষতি হলেও এমন কিছু ভয়ঙ্কর তথ্য আমি পেয়েছি যা কিছু কিছু মেয়ে শিল্পীরা ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ছেলেদের  লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, এমনকি দিনের পর দিন  তাদের প্রয়োযনে ছেলেদের কাটাচ্ছে,যখন ওই ছেলেটির কাছ থেকে তাদের স্বার্থ শেষ হয়ে যায়, টিক তখনি অন্য একটা ছেলেকে ফাঁদে পালায়,আর অাগের ছেলেকে পরিকল্পনা করে তাদের কাছ থেকে দূর দূর করে তারিয়ে দেয়া হয়,এমন কি প্রয়োযনে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারানো হয় ছেলেটার সব শেষ করে, টাকা-পয়সা, সময়, ইত্যাদি… সব দিয়েও ছেলেটা বিনিময়ে পেল ঘৃণা আর অপবাদ, মান- সম্মানের ভয়ে মুখ খুলতে পারেনা ছেলেটি,সব হারিয়ে অপবাদ ঘৃণা নিয়ে ধীরে ধীরে হয়ে যায় নেশাগ্রস্ত,একটি তর তাজা যুবকের লাইফটি শেষ করে দিল প্রতারক শিল্পী নামের রাক্ষুসী।এদিকে মেয়েটির পরিবার হাতিয়ে নেয়া টাকায় দিন চলছে ভালই, আনন্দে উল্লাসে।কিছু কিছু মেয়েদের বাবাদের দেখেছি এসব টাকা দিয়ে মন খুলে মদ খেয়ে ফুর্তি করে সময় ভালই কাটাচ্ছেন। এ সব কিছু শিল্পী মেয়েরা প্রোগ্রামে গিয়ে ঠিক মত গান গাওয়া কোনো টার্গেট নেই, কিন্তু ঠিকই টার্গেট আছে  যুবকদের উপরে, ভাল ভাল পরিবারের ছেলেদের টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ওই রাক্ষসী শিল্পীরা,দেখা গেছে প্রথম পরিচয়ে তাদের নাম্বার আদান প্রধান করে, দুই এক দিন ফোনে কথা বলে বাসায় দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসেন দুই একটি গান শুনালেন মিষ্টি  মিষ্টি হাসি মধুর কথা বলে তার কাছ থেকে টাকা নেয়া শুরু করেন।এ ক্ষেএে দেখা গেছে অনেক বাসার মালিকেরা এ বিষয় গুলো জানেন,ছেলেদের নিয়ে বাসায় অনেক সময় জামেলা ঘটে, এমন কি বাসার ভিতরে সাড়া রাত ছেলেদের নিয়ে গান করে আড্ডা দিয়ে থাকেন,, কই তখন তো, বাসার মালিক এতে কোনো প্রতিবাদ করেননি,খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে এসব প্রতারণার বিষয়ে অনেক মালিকরা তাদের সহযোগীতা করে আসছেন।
কোন কোন রাক্ষুসী মেয়ের শিকারের কারণে ৪ থেকে ৫ টা ছেলের জীবন নষ্ট  হয়েছে।এরকম বিশাল তথ্য আমার কাছে অাছে,সব ধরনের তথ্য সহকারে কিছু বাউল রাক্ষুসী মেয়ে শিল্পীদের মুখোশ আমি খুলে দিবো কিছু দিনের ভিতরে। সিলেটের ইত্যাদি পেইজ সহ বিভিন্ন প্রত্রিকা ও অনলাইনে নিউজ আসবে অপেক্ষায় থাকুন।এদের যদি এখনি মুখোশ খুলে না দেয়া হয়,তাহলে এরা আমাদের সংঙ্গীতকে ধংশ করে দিবে,এরা সমাজের শত্রু সংঙ্গীতের শত্রু।আমার ভাই, আপনার ছেলেকে বাচাঁতে আসুন আমরা সবাই মিলে এদের চিনিত্ত করে রাখি,ঘৃণা করুন রাক্ষুসীনি কিছু প্রতারক শিল্পীদের।
লিখেছেন: এ এইচ সাগর