ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা আলমগীর – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা আলমগীর

প্রকাশিত: ৮:৫২ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০১৭

ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,নির্বাচন বিষয় নয়, বিএনপি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়।

সোমবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম ও উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম ওই আলোচনার আয়োজন করে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি ধারার প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আইন মানুষের উপকারের জন্য। যে আইন মানুষের উপকারে আসে না সেটি আইন নয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন, নির্বাচন নয়। সরকার একই কায়দায় ছল-চাতুরী করে, প্রতারণা করে গোল করতে চায়। কিন্তু তা এত সহজ নয়। দেশের কোথাও গণতন্ত্র নেই। জনগণকে বোকা বানানোর জন্য সরকার গণতন্ত্রের কথা বলে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।’

আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, বিএনপি এবার নির্বাচনে যেতে বাধ্য। নির্বাচনী আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) আইনের ৯০ এইচ (১) (ই) ধারা বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ হবে। তাদের মত, এই ধারার কারণে বিএনপি নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবে।

কেননা এ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো দল যদি পরপর দুবার নির্বাচনে অংশ না নেওয়া দলটিকে শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেবে। কমিশনের কাছে দলটির বক্তব্য গ্রহণযোগ্য না হলেই কেবল তারা নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শুধুমাত্র একদিন তারেক রহমানের কারাবন্দী দিবস পালন করে লাভ হবে না। তারেক রহমানকে দেশে নিয়ে আসতে হবে, সে জন্য আন্দোলন করতে হবে।’তিনি অভিযোগ করেন, তারেক রহমান সুদূর প্রসারী চক্রান্তের শিকার। এই চক্রান্ত শুরু হয়েছিল জিয়াউর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে।

মির্জা আলমগীর বলেন, জনগণকে বোকা বানাতেই সরকার গণতন্ত্রের কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করেছে।

সম্প্রতি সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) করে পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। চার কমিশনার হলেন- সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, রাজশাহীর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ। অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল