খালেদার জামিন আদেশে ১২ দিন অপেক্ষা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

খালেদার জামিন আদেশে ১২ দিন অপেক্ষা

প্রকাশিত: ৭:১৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৮

খালেদার জামিন আদেশে ১২ দিন অপেক্ষা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের প্রেক্ষিতে আদেশ পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরো ১২ দিন। রোববার দুপুরে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনের শুনানি শেষে জানায়, জজ আদালত থেকে এ মামলার নথি এলে তা দেখে আদালত আদেশ দেবে।

আদালতের দেয়া এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের উপর আদেশ পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরো ১২দিন। কেননা গত ২২ ফেব্রুয়ারি একই বেঞ্চ খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে ১৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময় শেষ হতে এখনও ১২ দিন বাকি।

আদালতে খালেদার জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের পক্ষে আছেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর আগে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের এই বেঞ্চে খালেদার জামিন আবেদন করা হলে আদালত জামিন শুনানির জন্য রোববার দুপুর ২টা সময় নির্ধারণ করে দেন। সেই সঙ্গে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার করা আপিল এইদিন শুনানির জন্য গ্রহণ করে এই মামলায় খালেদাকে বিচারিক আদালতের করা জরিমানা স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠাতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। একইদিন বিকেলে সে আপিল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হলে আদালত খালেদার আপিল গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের ১১ দিন পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা সত্যায়িত অনুলিপি পান বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আর তার ছেলে তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সেই সঙ্গে খালেদা তারেক সহ সবাইকে মোট ২ কোটি ১০ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা জরিমানা করা হয়। বিচারিক আদালতের এই রায়ের পর আদালত থেকেই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। এখন তিনি সেখানেই আছেন।