গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে লন্ডনে বিএনপির বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ৭:২৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৬, ২০১৭

গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে লন্ডনে বিএনপির বিক্ষোভ

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে গনতন্ত্র হত্যা দিবস আখ্যায়িত করে গত ৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলা এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা সরকার বিরোধী নানা শ্লোগানে গোটা এলাকা প্রকম্পিত করে তোলে। এসময় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন প্রদর্শন করে অবৈধ সরকারের ভোট চুরির প্রতিবাদ জানায়।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন জোনের নেতৃবৃন্দসহ, যুক্তরাজ্য যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, আইনজীবী ফোরাম, জাসাস ও মহিলা দলের শত শত নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান,বলেন, আমাদের বিক্ষোভ শেখ হাসিনার চরম অমানবিক, অনৈতিক ও স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের জনগণ তার অত্যাচার নির্যাতনের কারণে তাদেরগণতান্ত্রিক অধিকার পালন করতে পারছে না, তাই আমরা প্রতিাবদ জানাচ্ছি। ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় ১৫৪ আসনে নিজেদের বিজয়ী করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বাকশাল কায়েম করেছে। তিনি অবিলম্বে সকল দলের ঐকমতের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী নিরেপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের জোরদাবী জানান।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনা যতোদিন অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে ততোদিন আমরা তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেসব বাহিনী রয়েছে তাদেরকে বিরোধী দল ও মতের নেতাকর্মীদের দমনের জন্য ব্যবহার করছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে শেখ হাসিনা। তাই গণতন্ত্রের পাদপীঠ ব্রিটেনে তার বিরুদ্ধে আমরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছি।

সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ বলেন, ক্ষমতা দখলের পর থেকে এই ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হত্যা, গুম ও নির্যাতন চালাচ্ছেন তা ১৯৭১ সালের পাকবাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানায়। অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারেনি আর শেখ হাসিনাও পারবেনা। অবৈধ সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ তাকে টেনে হিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামাবে।

বক্তারা বলেন, আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চলছে চলবে, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে না আসা পর্যন্ত। বর্তমান অবৈধ সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘ করতে বিরোধী দল, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের উপর গুম খুন নির্যাতন চালাচ্ছে।

বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রধান উপদেস্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, মোহম্মদ অানোয়ার হোসেন, অাব্দুল হামিদ চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, অাব্দুল হাই, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি এম লুৎফর রহমান, শেখ শাসুদ্দিন শামিম, মোঃ গোলাম রাব্বানি, প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন, গোলাম রাব্বানী সোহেল, উপদেষ্টা তইমুছ আলী,সলিসিটর ইকরামুল হক মজুমদার, আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া,  যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মামুন, কামাল উদ্দিন, শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন,নাসিম আহমেদ চৌধুরি, আলহাজ সাদিক মিয়া, মেসবাউজ্জামান সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ, যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাহিদ আলী তালুকদার, কোষাধক্ষ্য আব্দুস সাত্তার, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান জাহিদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান হেভেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তাজবির চৌধুরী শিমুল, প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক শেরে এ সাত্তার, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের শেখ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আখতার মাহমুদ, সহ-দফতর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট লিয়াকত আলী, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক সরফরাজ আহমদে সরফু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান গাজি, যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য কামাল চৌধুরী, আব্দুল বাসিত বাদশা, বাবুল আহমেদ চৌধুরী, এ জে লিমন, হেলাল উদ্দিন, শামিম আহমেদ, আরিফ মাহফুজ, হাবিবুর রহমান,ইমদাদুল হক চৌধুরী এমদাদ, আমিনুর রহমান আকরাম। কেন্দ্রীয় জাসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমাদুর রহমান এমাদ, কেন্দ্রিয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিবলু।

যুক্তরাজ্য বিএনপির বিভিন্ন জোনাল কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লন্ডন মহানগর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, তারু মিয়া, রাজু আহমেদ, আশরাফ গাজি, এস এম লিটন, আব্দুস সামাদ, জুয়েল আহমেদ, শহিদুল্লাহ খান, লিটন চৌধুরী, হারুন মিয়া, সৈয়দ হুমায়ুন আহমেদ, মুস্তাক আহমেদ, সেবুল মিয়া, মিসবাহ উদ্দিন, মোঃ রফিকুল ইসলাম,  নুরুল ইসলাম, পারভেজ কবির, আবদুল হান্নান, রুহুল ইসলাম রুলু, সৈয়দ জমশেদ আলী, আব্দুল খা্লিক, তহর উদ্দিন আজিজ বদরুল আমিন চৌধুরী, আবজার হোসেন, কাদির মিয়া, জয়নাল কোরেশী, হেলাল উদ্দিন, মনসুর রহমান শাহী, আওলাদ হোসেন, মোঃ সেলিম, আবদুল হাই, মঞ্জুর আহমেদ শাহনাজ, ফয়জুল ইসলাম, শাহ মোঃ গুলাম রাব্বানি, জুলফিকার আলী, বিএনপি নেতা ইশতিয়াক আহমেদ দুদু, সালেহ আহমেদ জিলান, তোফাজ্জল হোসেন, পাভেল আহমেদ, মুনিম এমান, লাহিন আহমেদ, শাহাব উদ্দিন, বকুল আহমেদ, নিজাম এফ রহমান, মানবাধিকার সংগঠক ফরিদুল ইসলাম, এস এম মাহবুব, এস কে তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম, সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশূর, লন্ডন মহানগর বিএনপির নেতা সাহেদ ইদ্দিন চৌধুরী, শরিফ ইদ্দিন বাবু, এড নুর ইদ্দিন আহমদ, গৌস খান, আবদুল সালাম আজাদ, আবদুল গাফফার, জাহাগীর মাসুক, নজরুল ইসলাম খান, তোফায়েল হোসেন মৃধা, সোহেল শরিফ মো করিম, আবু তাহের, বাবুল আহমদ, উস্তাক আহমদ, পিনাক রহমান, সামসুল ইসলাম, ইপন আহমেদ চৌধুরী, মো ওমর গনি, লাকি আহমদ, আজিজুর রহমান লিটন, আলম হোসেন, রেজানুর রহমান চৌধুরী রাজু, হাসান জাহেদ, জিয়াউর রহমান, আবু নোমান প্রমুখ।

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল