গণধর্ষণের পর চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে হত্যা, আটক ৩ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

গণধর্ষণের পর চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে হত্যা, আটক ৩

প্রকাশিত: ১:৩৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

গণধর্ষণের পর চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে হত্যা, আটক ৩

sylhet-kanigat৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬, শুক্রবার:  সিলেটের কানাইঘাটে অপহরণের পর গণধর্ষণ করে হত্যার পর সুলতানা বেগম (১০) নামে একটি শিশুর মরদেহ মাটিচাপা দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অপহরণকারীর বাড়ির পাশের টিলা থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামে। নিহত সুলতানা ওই গ্রামের তেরা মিয়ার মেয়ে। সে ছোটফৌদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একই গ্রামের আবুল আহমদ (২৫), রাসেল আহমদ (২৫) ও ছাদেক হোসেনকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ।
শিশুটির স্বজনদের বরাত দিয়ে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির  বলেন, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মক্তবের ছুটি শেষে সহপাঠিদের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল সুলতানা। পথে বড়খেওড় এলাকার ইমাম উদ্দিনের বাড়ির কাছে গেলে স্থানীয় আবুল আহমদ, হোসেন আহমদ ও নারাইনপুর গ্রামের মস্তাক আহমদ মিলে সুলতানাকে অপহরণ করেন। লোকমুখে এ কথা শুনে সুলতানার খোঁজে তার ভাই ইমাম উদ্দিনের বাড়িতে যান। কিন্তু ওই বাড়ির লোকজন জানান, সুলতানা তার সহপাঠিদের সঙ্গে অন্য বাড়িতে বেড়াতে গেছে। ফিরে এলেই বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।  সারাদিন অপেক্ষার পরও সুলতানা না ফেরায় স্বজনরা গ্রামের লোকজন নিয়ে ইমাম উদ্দিনের বাড়িতে গেলে ওই বাড়ির লোকজন নানা টাল বাহানা শুরু করেন। সুলতানার পরিবার পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মজির উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ইমাম উদ্দিনের বাড়ি গিয়ে ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ওই তিনজনকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আবুল আহমদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ির টিলার ওপর থেকে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি হুমায়ুন কবির আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা শিশুটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ মাটি চাপা দিয়ে রাখেন তারা।  এ হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে নিহত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল