গোয়াইনঘাট রোডে ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘটে রাস্তাঘাট ফাঁকা, বিব্রত সাধারণ যাত্রীরা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

গোয়াইনঘাট রোডে ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘটে রাস্তাঘাট ফাঁকা, বিব্রত সাধারণ যাত্রীরা

প্রকাশিত: ৫:১১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২০

গোয়াইনঘাট রোডে ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘটে রাস্তাঘাট ফাঁকা, বিব্রত সাধারণ যাত্রীরা

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ

আজ ভোর থেকে ৫ দফা দাবীতে টানা ৪৮ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সিলেট জেলা সি.এন.জি চালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি. নং-চট্ট-৭০৭ ও সিলেট জেলা অটোরিকশা/অটোটেম্পু শ্রমিক জোট রেজি. নং-চট্ট-২০৯৭-এর সমন্বয়ে গঠিত ঐক্য পরিষদ।
সিলেটে সিএনজি অটোরিকশার ধর্মঘটের ফলে সিলেটের বিভিন্ন সড়ক সহ গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকর গোয়াইনঘাট সড়কে সকাল থেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীসাধারণ। সিলেটে যাতায়াতের অফিসগামী বেশিরভাগ চাকরিজীবিদের যাতায়াতের অবলম্বন সিএনজি অটোরিকশা। কিন্তু আজ থেকে ধর্মঘট শুরু হওয়ায় সকালে তারা পোহান চরম ভোগান্তি।
সিএনজি অটোরিকশা ধর্মঘট চলার কারণে সিলেটের প্রধান প্রধান সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম। গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে সিএনজি অটোরিক্সার দৌরাত্ব না থাকায় যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে না উপজেলা বাসীকে । তবে যারা গণপরিবহন ব্যবহার করেন তারা কিছুটা বিব্রত। সিলেট সহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সড়কে সিএনজি-অটোরিকশা গুলো গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহার হয়।
সিএনজি অটোরিক্সার চলমান ধর্মঘটে স্বস্তিতে আছেন ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারকারীরা। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারকারীরা স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারছেন। তবে হঠাৎ ধর্মঘটে বিব্রত সাধারণ যাত্রীরা সকাল দশটা থেকে দেখা যায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্টপিজে স্টপিজে গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন যাত্রীরা। আকস্মিক ধর্মঘটের ফলে হতভম্ব গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। তবে পণ্য পরিবহনে কারো কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। অনেক যাত্রী নিরুপায় হয়ে কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, মোটরবাইক এবং ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে যাতায়াত করতে দেখা যায়। পাথর বাহি ভারী যানবাহন ট্রাক অন্যান্য দিনের তুলনায় চলাচল ছিল কম । তবে বেশ কিছু পর্যটকবাহী নোহা, লাইটেস ও প্রাইভেট কার চলতে দেখা যায়। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা সকলের দৃষ্টি কেড়েছে এবং আলোচনায় এসেছে তা হচ্ছে বহুদিন পরে এমন একটা শক্ত পরিবহন ধর্মঘটের দেখা পেল সাধারণ জনতা। সব মিলিয়ে আজকের দিনটা সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি আর বিব্রতকর অবস্থায় পার করতে হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেলবেলায় সড়কে কিছুটা পরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়। তবে উপজেলার কোন জাগায় অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।