গোলাপগঞ্জে সরকারী জনতা ব্যাংকের চার লাখ টাকা নিয়ে গ্রাহক লাপাত্তা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

গোলাপগঞ্জে সরকারী জনতা ব্যাংকের চার লাখ টাকা নিয়ে গ্রাহক লাপাত্তা

প্রকাশিত: ৪:২৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮

স্টাফ রির্পোটার:

গোলাপগঞ্জে সরকারী জনতা ব্যাংকের এক প্রতারক গ্রাহক চেক জালিয়াতি করে চার লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) আনুমানিক সকাল ১১টায় গোলাপগঞ্জ ওয়াহাব প্লাজা নামক মার্কেটের ২য় তলায় ব্যাংকের শাখা অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ব্যংক কর্মকর্তাদের বোকা বানিয়ে ২টি চেক জালিয়াতি করে ক্যাশ কাউন্টারে জমা দিয়ে ৪লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক গ্রাহক। ঐ গ্রাহকের কথিত নাম মোহাম্মদ সালাম। ব্যাংকের গ্রাহকরা জানিয়েছেন এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের কাজ। এঘটনায় গোলাপগঞ্জ পৌরশহরে তোলপাড় চলছে। প্রতারনার বিষয়টি ধরা পড়ার পর কিছু সময় ব্যাংকটির লেনদেন বন্ধ রাখা হয়।

শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুর রহমান জানান, প্রতারনার বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথে প্রতারককে শনাক্ত করতে আমি বর্তমানে গ্রাহকের একাউন্টে দেওয়া ঠিকানায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছি।

ব্যাংকের ক্যাশিয়ার বিশ্বজিৎ কুমার জানান, প্রতারক সালাম ব্যবস্থাপকের স্বাক্ষর জাল করে এবং চেক পাল্টে ক্যাশে আসে। চেক পাল্টানোর বিষয়টি ধরতেই পারেনি। শেষ চেকে আমার সন্দেহ হওয়ায় জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

তিনি আরো জানান একাউন্টে দেওয়া তথ্য ফরমে নমীনি কথিত আব্দুস সালামই ক্যাশ কাউন্টারে আসে বলে ছবি দেখে চিনতে পারেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গ্রাহকের তথ্য ফরমে গ্রাহক আব্দুল করিম ও নমীনি মোহাম্মদ সালাম দুই ভাই তাদের বাবার নাম আনোয়ার মিয়া মায়ের নাম জমিলা খাতুন এবং ঠিকানা সদর ইউনিয়নের রাণাপিং ফাজিলপুর গ্রাম উল্লেখ রয়েছে। শনাক্তকারী হিসেবে ব্যাক কর্মচারী বাবুল আহমদ তাদের শনাক্ত করেন।

এদিকে সকালে ঘটনা ঘটলেও বিকাল সাড়ে সাড়ে ৬টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গোলাপগঞ্জ মডেল থানাকে প্রতারনার বিষয়টি অবহিত করা হয়নি। জানতে চাইলে গোলাপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) দেলওয়ার হোসেন জানান, আমাকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রতরনার বিষয়টি জানায়নি। তিনি আরো জানান ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হবে। তারা অভিযোগ জানালে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল