ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিল ২১ প্রাণ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিল ২১ প্রাণ

প্রকাশিত: ৩:১০ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৬

ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিল ২১ প্রাণ

14997_royanuউপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও ভুমিধ্বসে এ পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ধংস হয়েছে অনেক ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে শুক্রবার মাঝরাত থেকে আজ বিকাল পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় এসব ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। ঝড়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ছয় জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া সীতাকু-ে মারা গেছেন আরও তিনজন। নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন ষোলশহর এলাকায় রাকিব নামের এক পথশিশুর মৃত্যু হয়েছে। পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় গত রাতে ঝড়ে ঘর চাপা পড়ে নয়া বিবি (৫০) নামের এক নারী মারা গেছেন। ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঝড়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে দুজন নিহত হয়েছে। কুতুবদিয়ায় সাগরে দুটি ট্রলারের চাপায় ফজলুল হক (৫৫) নামের এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। একই উপজেলায় দেয়াল চাপায় মারা গেছেন আরও একজন। বিকালে সৈকত  থেকে এক জেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নোয়াখালীতে জোয়ারের পানির তোড়ে হাতিয়ায় মা-মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের মিনারা বেগম (৩৫) ও ১০ বছরের মেয়ে মরিয়মনেছা এবং জাহাজমার ইউনিয়নের রিপুলা বেগম (৪৭)। এছাড়া সন্দ্বিপ ও কুতুবদিয়ায় ২ শিশুর মৃত্যু‘র খবর পাওয়া গেছে। ফেনীতে মারা গেছেন একজন।
ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত এলাকায় বহু ঘরবাড়ি ও গাছপালা ধ্বংস হয়েছে। গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে রাস্তা। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে মাছের খামার। বিকালে ঘূণিঝড় স্থলভাগে পুরো উঠে যাওয়ার পর আবহাওয়া অফিস বিপৎসঙ্কেত ৭ থেকে নামিয়ে তিন নম্বর সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়া এলাকা থেকে দুর্গত মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে আনতে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আগামীকাল রোববারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।