জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যেতে আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ: সৈয়দা জেবুন্নেছা হক (ভিডিও)

প্রকাশিত: ১:৫০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১০, ২০২৩

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যেতে আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ: সৈয়দা জেবুন্নেছা হক (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সাল। বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য ঐতিহাসিক দিন। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশে ফিরে আসার দিন।

দিবসটি পালন উপলক্ষে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ আজ মঙ্গলবার (১০জানুয়ারি,২০২৩) সকাল ১১ টায় সিলেট জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকাল ১১:৩০ টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী’র সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নাসির উদ্দিন খান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার সৈয়দা জেবুন্নেছা হক। সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এমাদ উদ্দিন মানিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দা জেবুন্নেছা হক বলেন: পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে উঠা বাঙালির সব আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়েই শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে ওঠেন জাতির অবিসংবাদিত নেতা এবং ভুষিত হন বঙ্গবন্ধু উপাধিতে। আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন।

 

২৫ মার্চ কাল রাতে পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালাতে শুরু করে। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এর পরপরই বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলতে থাকে। এ সময় বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি রেখে তার উপর নির্যাতন চালানো হয়। শুধু নির্যাতন নয়, ফাঁসির মঞ্চেও নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু দেশে-বিদেশে বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা ও তার অদম্য সাহসের কাছে শেষ পর্যন্ত হারমানে পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী এবং সেনাবাহিনী। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন দেশে ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন বীরের বেশে।

জাতির পিতা আজ আমাদের মাঝে নেই। আমাদের মাঝে রয়েছে জাতির পিতার রেখে যাওয়া সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যেতে আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন: সিলেট জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন কয়েছ, সিলেট জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন দেব নাথ।

শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, নাজনীন হোসেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম কামাল, মোহাম্মদ আলী দুলাল, কবীর উদ্দিন আহমদ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শমশের জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রনজিত সরকার, আইন সম্পাদক এডভোকেট আজমল আলী, দফতর সম্পাদক আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী রইছ আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বেগম সামসুন্নাহার মিনু, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এমাদ উদ্দিন মানিক, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শামসুল আলম সেলিম, উপ-দফতর সম্পাদক মো: মজির উদ্দিন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মতিউর রহমান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, এডভোকেট বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম, মোঃ আব্দুল বারী, আমাতোজ জোহরা রওশন জেবিন, মোঃ জাকির হোসেন, এডভোকেট ফখরুল ইসলাম, শাহিদুর রহমান চৌধুরী জাবেদ, সিলেট জেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক হেলেন আহমেদ, সিলেট জেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, সিলেট জেলা তাঁতী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ ওলিদুর রহমান প্রমুখ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল