জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল ১২০০ শয্যার হবে – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল ১২০০ শয্যার হবে

প্রকাশিত: ৫:০৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০

জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল ১২০০ শয্যার হবে

অনলাইন ডেস্ক ::
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত কার্ডিয়াক ক্যাথল্যাব জোন-২ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত কার্ডিয়াক ক্যাথল্যাব জোন-২ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের সকল হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজকে ৫ হাজার বেডে উন্নীত করা হচ্ছে। একইভাবে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটকে ৭০০ শয্যা থেকে খুব শীঘ্রই ১২০০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ৮ বিভাগে ৮টি উন্নতমানের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ কাজের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সবই করা হচ্ছে মানুষের চিকিৎসা সেবায় সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্যই।

তিনি বলেন, এই করোনা সংকটকালে দেশের স্বাস্থ্যখাত করোনা মোকাবেলা করার পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখেছে। একদিকে কোভিড নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে, অন্যদিকে নন-কোভিড চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধি করা নিয়েও কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত কার্ডিয়াক ক্যাথল্যাব জোন-২ এর শুভ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবেলায় সরকারের সফলতা তুলে ধরে ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সদের ধন্যবাদ জানান।
করোনা মোকাবেলায় উৎসাহ দিয়ে যাওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

করোনা ভ্যাকসিন আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোনো দেশকে ভ্যাকসিনের স্বীকৃতি দেয়নি। যখনই কোনো দেশ স্বীকৃতি পাবে আমরা সবার আগে সেটি দেশে নিয়ে আসবো। ভ্যাকসিন আনতে সরকার অন্যান্য দেশের সাথেও আলোচনা অব্যাহত রেখে চলেছে। ভ্যাকসিন অনুমোদিত হলে আমাদের দেশে আনতে কোনো বিলম্ব হবে না।”

জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাচিপ এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজসহ অন্যান্য বক্তারা।