জাফলংয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বক্তারা প্রাকৃতিক দূর্যোগে মানুষ আজ বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

জাফলংয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বক্তারা প্রাকৃতিক দূর্যোগে মানুষ আজ বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে

প্রকাশিত: ৬:৫৬ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০

জাফলংয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বক্তারা প্রাকৃতিক দূর্যোগে মানুষ আজ বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি
মানুষ প্রকৃতির সন্তান, পৃথিবীর আঠারো লক্ষ প্রজাতির মধ্যে মানুষই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক বুদ্ধিমান প্রাণী। প্রকৃতিপ্রদত্ত সেই বিবেক ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে এখন মানুষই প্রকৃতির জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেজন্য নানারুপ প্রাকৃতিক দূর্যোগে মানুষ আজ বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। তাই প্রকৃতির সাথে সমঝোতা ছাড়া কোন ভাবেই মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এক প্রতিকী গণজমায়েতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
পরিবেশবাদী সংগঠন সারি নদী বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রকৃতি কন্যা জাফলংয়ের ডাউকী নদীর তীরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এ গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়।
পর্যটন ব্যবসায়ী কুটি মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রতিকী গণজমায়েতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুর রহমান লেবু।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সারি নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল হাই আল হাদী।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাফলং পর্যটন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হোসেন মিয়া, বল্লাঘাট পাথর উত্তোলন সমিতির সভাপতি আব্দুস শহিদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী খায়রুল ইসলাম, চেরাগ মিয়া, সাংবাদিক সুহেল আহমদ, শাহআলম, মিনহাজ মির্জা, পর্যটন ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া, আসাদ আলী প্রমুখ।
গণজমায়েতে বক্তারা আরও বলেন, করোনা নামক এক অর্দৃশ্য ভাইরাসের কারণে পুরো মানবজাতী যখন ক্লান্ত, তখন দেখা যাচ্ছে প্রকৃতি নব উদ্যোমে জেগে উঠছে। প্রকৃতির এ নব জাগরণ মানুষের জন্য আশির্বাদ হলেও এটা মানবজাতির জন্য লজ্জাকরও বটে। সেজন্য ভবিষ্যতে মানবজাতিকে যাতে এরকম লজ্জাকর পরিস্থিতে পড়তে না হয় সেজন্য প্রকৃতির সাথে মিলে চলার কোন বিকল্প নাই।  বর্তমান বর্ষাকালে বৃক্ষরোপণের উপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, প্রত্যেক মানুষকেই নিজ নিজ বসত ভিটায় বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। বন ও বন্যপ্রাণীর প্রতি আরও মানবিক ও যত্নশীল হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
প্রকৃতি কন্যা জাফলংয়ে প্রাণ, পরিবেশ ও প্রকৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনে সন্তোষ্টি প্রকাশ করে বলা হয়, এ পরিবর্তনকে আগামীতেও ধরে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
নদীর দখল দূষণ ও ভরাট রোধ করা এবং টিলা, পাহাড় ও বন বিধ্বংসী সকল কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্যও সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল