জামালগঞ্জে ব্রিজের দু’পাশে মাটি না থাকায় চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ৮:৩৩ অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২০

জামালগঞ্জে ব্রিজের দু’পাশে মাটি না থাকায় চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘদিন যাবৎ ব্রিজের গোড়ায় মাটি না থাকায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভীমখালী ইউনিয়নের তিন গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ। ব্রিজ এবং বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, ঈদগাহসহ গুচ্ছগ্রাম পাশে থাকলেও ডিজিটাল যুগে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ১৬ বছর আগের এই ব্রিজটিতে। এলাকাবাসী কয়েকবার নিজ উদ্যোগে ব্রিজের গোড়ায় মাটি ফেললেও বৃষ্টিতে তা সরে যায়। প্রতিদিন শত শত ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, কয়েকটি গ্রামের হাওর থেকে ধান আনা-নেওয়ার একমাত্র রাস্তা এই ব্রিজের উপর দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন অসংখ্য পথচারী।
আছিরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, আটগাঁও মাহমুদপুর মাদ্রাসা, অষ্টগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, লালবাজার, কারেন্টের বাজারসহ উপজেলা সদরে যেতে হলে এই ব্রিজের উপর দিয়ে যেতে হয় তাদের। ব্রিজের গোড়া থেকে মাটি সরে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকার মানুষকে। কাদায় পোশাক নষ্টসহ ধান আনা-নেওয়া টলি প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অতি দ্রুত ব্রিজ সংলগ্ন সড়কের মাটি ভরাট করা না হলে দিন দিন পথচারীসহ শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
আছির উদ্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী চামেলী আক্তার জানান, লকডাউনের আগে প্রতিদিন আমরা বিদ্যালয়ে যেতে হত। এখানে কোন না কোন ছাত্রী প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হত। বন্যায় ব্রিজের দু’পাশের মাটি সরে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদেরকে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে।
অষ্টগ্রাম মাহমুদপুর মাদ্রাসা ছাত্র রাগিব হাসান জানান, এই ব্রিজের উপর আমরা প্রতিদিন মাদ্রাসায় আসা যাওয়া করি। ব্রিজের দু’পাশে মাটি না থাকায় খুবই কষ্ট করে একজন আরেকজনকে ধরে ব্রিজ পার হতে হয়। ঝড়-বৃষ্টি হলে এই ব্রিজে উঠা অসম্ভব হয়ে পড়লে প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে বিকল্প রাস্তায় পথ চলতে হয়।
ভিমখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল মিয়া জানান, জনস্বার্থে এই ব্রিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী অর্থবছরে ব্রিজের দু’পাশে মাটি ফেলার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল