জেলায় অবাদে চলছে পোনা আহরণ:  বিলুপ্তি পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

জেলায় অবাদে চলছে পোনা আহরণ:  বিলুপ্তি পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ

প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২০

জেলায় অবাদে চলছে পোনা আহরণ:  বিলুপ্তি পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ
তারেক হাবিব : হবিগঞ্জ
জেলায় অবাদে চলছে নানান প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা মাছ ধংসের হিড়িক। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন হাঠবাজারে দেশীয় পোনা ও মা মাছ বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও জেলা প্রশাসন ও মৎস কর্মকর্তাদের উদ্যোগীয় অভিযানে হাওর ও হাঠ-বাজারে অভিযান চালিয়ে পোনা মাছ জব্দ করে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে তার পরও থেমে নেই এ অবৈধ কার্যক্রম। অবৈধ পন্থায় কৈ, টাকি, শোল, পুটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ধরে অবাধে বাজারে বিক্রি করছে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা। এতে করে কতিপয় ওই ব্যক্তিরা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও দেশে আমিষের চাহিদা পূরণে সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য মারাতœকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার, বাহুবল বাজার, ন্সানঘাট বাজার, কটিয়াদি বাজার, বানিয়াচঙ্গ স্টান্ড বাজার, মক্রমপুর বাজার ইত্যাদি বাজারে অবাদে পোনা মাছ আহোরণ করে বিক্রি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ মৎস সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর ৩ ধারা অনুযায়ী চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত সাধারণভাবে নদী-নালা, খাল ও বিলে সংযোগ আছে এরুপ জলাশয়ে প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ আগষ্ট (চৈত্র মাসের মাঝামাঝি হতে ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি) পর্যন্ত শোল, গজার, টাকি মাছের পোনা ঝাঁক বা দম্পতি মাছ ধরা ও ধ্বংস করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। করলে প্রথম বার আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি হবে কমপক্ষে ১ মাস হতে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা জরিমানা। পরে আবার ওই আইন ভঙ্গ করলে কমপক্ষে ২ মাস হতে সর্বোচ্চ ১ বছর সশ্রম কারাদন্ড এবং তৎসহ সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা জরিমানাও হতে পারে। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ শাহজাদা খসরু জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা মৎস কর্মকর্তাদের সার্বিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নবীগঞ্জ ও বানিয়াচঙ্গে ব্যাপক অভিযানে পোনা উদ্ধার করে মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় অভিযান চলছে, প্রশাসনের সহযোগীতায় অনেক অসাধু জেলেদের জেল-জরিমানাও করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকলে দেশীয় মাছে হবিগঞ্জে আমিষের চাহিদা কিছুটা হলেও দূর হবে।