জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদের নবগঠিত কমিটির বিরোদ্ধে “জৈন্তাবার্তা পত্রিকায়” প্রকাশিত সংবাদ এবং নেতৃবৃন্দকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে বিবৃতি…. – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদের নবগঠিত কমিটির বিরোদ্ধে “জৈন্তাবার্তা পত্রিকায়” প্রকাশিত সংবাদ এবং নেতৃবৃন্দকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে বিবৃতি….

প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদের নবগঠিত কমিটির বিরোদ্ধে “জৈন্তাবার্তা পত্রিকায়” প্রকাশিত সংবাদ এবং নেতৃবৃন্দকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে বিবৃতি….

অনলাইন ডেস্ক :
১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর জৈন্তিয়ার ঐতিহ্যের ধারক অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ” জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদ ” এর নবগঠিত কমিটি নিয়ে ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ ইং ” জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদের কমিটি গঠন নিয়ে ধুম্রজাল শিরোনামে ” দৈনিক জৈন্তাবার্তা ২৪.কম ” এ একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়।এতে ফেইইসবুক থেকে সংগ্রিহিত জনবিচ্ছিন্ন কিছু মানুষের অগোছালো মন্তব্যেকে একত্রিত করে একটি প্রতিবেদন তৈরী করা হয় এবং জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদের নব গঠিত কমিটি কে অবৈধ বলে উল্লেখ করা হয়।এতে সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হয় নি এবং কোন মতামত জানতে চাওয়া হয় নি।তাছাড়া তথাকথিত সংগঠন জৈন্তিয়া গণপরিষদের সভাপতি শ্রদ্ধাভাজনেষু লাল মোহন দেব গং সহ কিছু লোক অত্যন্ত নোংরা ভাষায় আমাদের নেতৃবৃন্দের নামে ফেইসবুক সহ সোস্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা কুৎসা রটনা করছেন, ভাষাহীন নির্বাক জন্তুর চেয়েও নিন্ম মানের ভাষার ব্যবহার করছেন যা অত্যন্ত ন্যাক্ষারজনক বলে আমরা মনে করি। বৃহত্তর জৈন্তিয়া তথা গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ,কোম্পানিগঞ্জ, এর ঐক্য সংহতি এবং ঐতিহ্যকে অটুট রাখতে ধর্ম, বর্ণ ,দল মত নির্বিশেষে ছাত্রসমাজ আজ ঐক্যবদ্ধ। একটা কুচক্রী মহল উক্ত ঐক্যের বন্ধনকে বিভাজন সৃষ্টি করার প্রয়াশ এবং ব্যাক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে পাবলিক মিডিয়া সহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা বৃহত্তর জৈন্তিয়াবাসীর পক্ষ থেকে জৈন্তিয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রপরিষদ এর নেতৃবৃন্দ উক্ত সংবাদ এবং ব্যাক্তিগনের নোংরা বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য বিষয় হচ্ছে মরহুম এম তৈয়বুর রহমান এর নির্দেশে ২০১০ সালে একটি সম্মেলনের মাধ্যমে সাবেক আহবায়ক নাজমুল আলম রোমেন কে প্রধান করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। ৯০ দিনের মাথায় কাউন্সিল আহবান করে নতুন কমিটি গঠনের কথা থাকলেও ১৩ বছর অতিবাহিত হয়ে যায়, নতুন কোন কার্যকরি কমিটি ঘোষণা করা হয় নি।ঐ সময়ে সাংগঠনিক কোন তৎপরতা ও লক্ষ্য করা যায় নি।যার ফলে জৈন্তিয়ার দির্ঘ দিনের ঐতিহ্যঘেরা সংগঠন মৃত প্রায় হয়ে যায়।,বিগত ৩০ অক্টোবর ২০২০ নাজমুল আলম রুমেন কর্তৃক জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্মেলনের আহবান করা হয়।আলোচনা সভা শেষ করে কমিটি গঠনের আগ মুহুর্তে জনাব নাজমুল আলম রোমেন উনার সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক লীগ এর কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জরুরী প্রয়োজনে কমিটি গঠনে উপস্থিত থাকার অপরাগতা প্রকাশ করেন এবং জনাব রোমেন সহ আহবায়ক কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ১৭ পরগনার সমন্বয়ক আবুল মৌলা চৌধুরী, সংঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ন আহবায়ক এটিএম বদরুল ইসলাম এবং সাবেক সভাপতি এডভোকেট মো:জামাল উদ্দিন এর কাছে যাবতীয় দায়ীত্ব হস্তান্তর করেন।কাছে যাবতীয় দায়ীত্ব হস্তান্তর করেন এবং কমিটি গঠনের ভার ন্যাস্থ করেন।
জনাব আবুল মৌলা চৌধুরী সাবেক নেতৃবৃন্দকে নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করার প্রয়াশ করলে, বিভিন্ন পদবী প্রত্যাশী প্রার্থীরা একমত না হওয়ায় কমিটি গঠন সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয় ।এমতাবস্থায় সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দ ১৭ পরগনার সালিশ সমন্বয়ক আবুল মৌলা চৌধুরীর সাথে আলাপ করলে উনি শারিরীক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দ- প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ন আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া হেলাল,এটিএম বদরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব,ফজলে জালাল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দিন আহমদ, এডভোকেট মো:জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন, গিয়াস আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ,সভাপতি মঈনুল হোসেন এবং সাবেক আহবায়ক এস কামরুল হাসান আমিরুল সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুজ্জামান মনির ,আহমদুল কিবরিয়া বকুল, সালা উদ্দিন বেলাল এর কাছে যাবতীয় দায়ীত্ব হস্তান্তর করেন এবং নবাগত কমিটি গঠনের পরামর্শ দেন।সংগঠনকে ঠিকিয়ে রাখার স্বার্থে এবং আগামী দিন গুলোতে সংগঠনের লক্ষ্য উদেশ্য ও কর্মসুচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাবেক নেতৃবৃন্দ নতুন কমিটি গঠনের জন্য একাধিকবার রুদ্ধদ্ধার বৈঠকে বসেন। গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানিগঞ্জ, কানাইঘাট এই ৪ উপজেলার সাবেক ছাত্রপরিষদের নেতৃবৃন্দ পারস্পারিক আলোচনা ও ঐক্যমতের ভিত্তিতে সকল উপজেলার সমন্বয়ে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট অত্যন্ত ফলপ্রসু একটি কার্যকরি কমিটির অনুমোদন করে মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। ৪০ বছরের পুরনো ঐতিহ্য সংবলিত একটি সংগঠনে একটি পদবী পাওয়া অনেকেরই হয়ত প্রত্যাশা থাকবে। কিন্তু ৪টি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনে ৪-৫ হাজার ছাত্রদের মধ্যে মাত্র ৭১ জন ছাত্র ব্যাতিত অনেকেই পদবঞ্চিত হয়েছেন, এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। তাই কিছু পদবঞ্চিত ভাইয়েরা, পদ না পাওয়ার কারণে মনের ক্ষোভে ,হতাশায় ফেইসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিহিংসা পরায়ন, বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। একটা ঐতিহ্যগত সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দের মতামতকে অসম্মান করা, এবং নোংরা ভাষায় কটুক্তি করা কোন শিক্ষিত ও ভদ্র মানুষের জন্য শোভনীয় নয়।তাই আমরা ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সমাজ বিচ্ছিন্ন মন্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বৃহত্তর জৈন্তিয়াবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।