ঢাকার ৯ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

ঢাকার ৯ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত

প্রকাশিত: ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২০

ঢাকার ৯ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত
  • অনলাইন ডেস্ক

আইইডিসিআর এবং আইসিডিডিআর.বি যৌথ উদ্যোগে পরিচারিত এক জরিপে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে ৯ শতাংশ মানুষ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত। তবে এর মধ্যে ৮ শতাংশ মানুষই উপসর্গহীন। এছাড়া
ঢাকার বস্তিবাসীদের মধ্যে করোনার উপস্থিতি ছিলো ৬ শতাংশ।

ইউএসইড, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় গত ১৮ এপ্রিল এবং ৫ জুলাই পর্যন্ত জরিপটি পরিচালিত হয়। ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকার মোট ৩ হাজার ২২৭টি গৃহে এই জরিপ চালানো হয়।

আইইডিসিআর তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে।

জরিপে দুই সিটির ৩ হাজার ২৭৭ পরিবারের মধ্যে ২১১ জন লক্ষ্মণযুক্ত ব্যক্তি পাওয়া যায়। এসব লক্ষ্মণযুক্ত পরিবারের মধ্যে থেকে ৪৩৫ জন উপসর্গহীন ব্যক্তি শনাক্ত হয়। এর মধ্যে ২০১ জনের পরীক্ষা করা হয়। আর উপসর্গহীন পরিবারের মধ্যে থেকে ৮২৭ জন উপসর্গহীন ব্যক্তি সনাক্ত হন। তাদের মধ্যে থেকে ৫৩৮ জনের পরীক্ষা করা হয়। এ জরিপে ঢাকার ছয়টি বস্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেখানে পরিবারের সংখ্যা ছিলো ৭২০।

জরিপে দেখা যায়, মোট পরিবারের মধ্যে ৫ শতাংশ এবং মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশ করোনা উপসর্গযুক্ত।

যেখানে সামগ্রিক জনসংখ্যার ৯ শতাংশের মধ্যে করোনা পাওয়া যায়, সেখানে বস্তিবাসীদের মধ্যে করোনার উপস্থিতি ছিলো ৬ শতাংশ। আর সামগ্রিকভাবে ৮ শতাংশ উপসর্গহীন ব্যক্তিদের মাঝে কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ উর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে করোনাভাইরাস সবচেয়ে বেশি ১৩ শতাংশ পজিটিভ সনাক্ত হয়। আর ১৫ – ১৯ বয়সী মধ্যে ১২ শতাংশ করোনাভাইরাস উপস্থিতি দেখা গেছে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৬ শতাংশের মধ্যে কোভিড ১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয় সমীক্ষায়।

ফলাফল আরও বলছে, অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের উপসর্গযুক্তদের ৯৩ শতাংশের মধ্যে জ্বর, ৩৬ শতাংশের মধ্যে সর্দি-কাশি দেখা গেছে, ১৭ শতাংশের গলাব্যথা দেখা গেছে এবং মাত্র ৫ শতাংশের মধ্যে পরীক্ষার দিন শ্বাসকষ্টের লক্ষ্মণ দেখা গেছে।

আর উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, যার মধ্যে মাত্র একজনের মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গযুক্ত মৃত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মারা যান।