ঢিলেঢালাভাবে চলছে বিয়ানীবাজার লকডাউনের ৫ম দিন সঠিক নিয়মে মাস্ক ব্যবহার করছেন না অনেকে – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

ঢিলেঢালাভাবে চলছে বিয়ানীবাজার লকডাউনের ৫ম দিন সঠিক নিয়মে মাস্ক ব্যবহার করছেন না অনেকে

প্রকাশিত: ১১:১৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২১

ঢিলেঢালাভাবে চলছে বিয়ানীবাজার লকডাউনের ৫ম দিন সঠিক নিয়মে মাস্ক ব্যবহার করছেন না অনেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের ৫ম দিন বিয়ানীবাজার উপজেলায় ঢিলেঢালাভাবে চলছে। খশির আব্দুল্লাহপুর বাজার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা অবদী আব্দুল্লাহপুর বাজারে মানুষের সমাগম বৃদ্ধি পায়, যা দেখে মনে হয় বাজারটি কোন উৎসব বা বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সরকারে বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে বাজারের ক্রেতা- বিক্রেতারা মানছেন না সামাজিক দুরত্ব। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় অনেকে মাস্ক পড়লেও মাস্ক পড়ার সঠিক নিয়ম মানছেন না। উপজেলায় লকডাউনের প্রথম দিন থেকে প্রশাসনিক তৎপরতার কারণে জনচলাচল ছিল সীমিত। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সর্বত্র লোক সমাগম বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও খবর নিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রমীণ বাজারসহ গ্রামের অন্যান্য দোকানপাটে তরুণ-যুবকদের ভিড় জমে ওঠে। অবসর সময় কাটাতে চা-পানের পাশাপাশি গাফলা, লুডু আর ক্যারেম খেলায় জম্পেশ আড্ডা দেয় তারা। লকডাউনের এই সময়ে বিয়ানীবাজার উপজেলার সবকটি কাঁচাবাজার, মুদির দোকান ও ওষুধের দোকান খোলা থাকলেও বিপনীবিতান, মার্কেটসহ সকল ফ্যাশন হাউজ বন্ধ রয়েছে। শহরে জরুরি পরিবহন চলাচল ছাড়াও ব্যক্তিগত যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল করতে দেখা যায়। সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পুলিশ চেকপোস্টগুলো কিছুটা নমনীয়। তবে কিছু কিছু মোটরসাইকেল আরোহীদের পুলিশি বাঁধার মুখে পড়তে দেখা গেছে। বিয়ানীবাজার পৌরশহর এলাকায় গত চার দিনের তুলনায় মানুষের আনাগোনা অনেক বেশি দেখা গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বা মুদিদোকানের পাশাপাশি দু-একটি করে খুলছে অন্যান্য দোকান। একই সাথে ভ্রাম্যমাণ ব্যাবসায়ীদেরও সড়কে বসে ব্যবসা করতে দেখা গেছে। এতে বেড়েছে মানুষের আনাগোনা বা চলাচল। বৈরাগী আব্দুল্লাহপুর এলাকার যুবক আনোয়ার জানান, শুরুর তুলনায় এখন মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করছেন না এতে সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে এছাড়া প্রশাসনের কর্মকর্তা দেখলে এসব বাজার উদাও হয়ে যায় আবার প্রশাসন চলে গেলে আবার বাজার বসে এবং মানুষের সমাগম বৃদ্ধি পায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আশিক নূর জানান, প্রশাসন মাঠে তৎপর রয়েছে এবং আইন অমান্যকারীকে জরিমানা করা হচ্ছে ,স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল