তারাও আছেন অপেক্ষায় – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

তারাও আছেন অপেক্ষায়

প্রকাশিত: ১:১৫ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৩, ২০২০

তারাও আছেন অপেক্ষায়

অনলাইন ডেস্ক

পুরো পৃথিবীতে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। বিশে^র অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। যে কারণে এই দেশের মানুষের মনেও বিরাজ করছে বিরাট আতঙ্ক। তারপরও সবার প্রত্যাশা শিগগিরই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে। এমন প্রত্যাশা অচিরেই পুরণ হোক সে অপেক্ষায় আছেন শোবিজ তারকারাও। নিরাপদ জীবনের প্রয়োজনে তারকারাও এখন যার যার ঘরেই অবস্থান করছেন। ঘরবন্দি সময় কাটাচ্ছেন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী, নাট্যাভিনেত্রী-পরিচালক-সংগীতশিল্পী রুমানা রশীদ ঈশিতা, অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ঘরে বসেই প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী মানুষকে নানাভাবে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করছেন ফেসবুক লাইভে এসে।
মৌসুমী বলেন, নতুন পৃথিবীতে হয়তো আমরা কেউ থাকবো, কেউ থাকবো না, করোনা ভাইরাসের সঙ্গে যে যুদ্ধ তাতে আমাদের জিততে হবে। কেউ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাবেন না। সবার জন্য শুভ কামনা। ঈশিতা বলেন, সত্যি বলতে কী আমাদেরতো ঘরে থাকার কথা। সরকার বাসায় বাসায় গিয়ে আমাদের ঘরবন্দি করে রাখতে পারবে না। আমরা যারা প্রাপ্তবয়স্ক, আমাদের ভালো মন্দটা আমাদেরই বুঝতে হবে। আমার দুই সন্তানকে নিয়ে আমি ঘরের মধ্যেই নিরাপদে অবস্থান করছি। দুই বাচ্চার স্কুলের কাজ নিয়েই সময় কেটে যাচ্ছে আমার। পাশাপাশি রান্না করেও সময় কাটছে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে বই পড়ছি। আমি বিশ^াস করি সুন্দর দিন, ভালো দিন আবার ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ। যে যার ধর্মমতো আমরা যেন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই যাতে এমন সময়টা কেটে গিয়ে ফিরে আসে স্বাভাবিক অবস্থা।
গেল ১৭ই মার্চ থেকে ঘরের মধ্যেই নিরাপদ সময় কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী বাঁধন। এরমধ্যে শুধু একদিন তিনি বাইরে গিয়েছিলেন বাজার করার জন্য। বাঁধন বলেন, বাসায় আমার বাচ্চা এবং বাবা-মাকে বেশি সময় দিচ্ছি। নিজের প্রতিও খেয়াল রাখছি। আমাদের মিডিয়ার আগামী দিন কেমন হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে এটা বলতে পারি, আমরা একটা নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করবো। সবার উদ্দেশ্যে আমি একটি কথা বলতে চাই। আর তা হলো প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব বাসায় থেকে সরকারের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পালন করা। আর সবারই যার যার অবস্থানে থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করা যাতে যারা অভাবে আছে তাদের যেন কষ্ট লাঘব হয়। আমাদের উচিত পশু-পাখিকেও খাবার ও পানি দিয়ে সহযোগিতা করা।
বিদ্যা সিনহা মিম তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহী’র পাঁচশত পরিবারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মিম বলেন, আমি আমার নিজের অবস্থান থেকে কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। কিছু সহযোগিতার কথা মানুষ জেনে গেছেন। আবার নীরবে নিভৃতেও কিছু মানুষকে সহযোগিতা করছি যে কথা কেউ জানে না। ব্যবসায়ীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ আমার, প্লিজ এই দুর্যোগকালে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াবেন না। এমন সংকটসময় মুহুর্তে অবৈধভাবে টাকা কামানো থেকে প্লিজ বিরত থাকুন। এদিকে যারা এই দুর্যোগে ফ্রণ্টলাইনে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন তাদেরকে (আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ডাক্তার, নার্স, সাংবাদিক) শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন মৌসুমী, ঈশিতা, বাঁধন ও মিম।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •