দেশনায়ক তারেক রহমান হচ্ছেন শহীদ জিয়ার প্রতিচ্ছবি-দিলদার সেলিম – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

দেশনায়ক তারেক রহমান হচ্ছেন শহীদ জিয়ার প্রতিচ্ছবি-দিলদার সেলিম

প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৭

দেশনায়ক তারেক রহমান হচ্ছেন শহীদ জিয়ার প্রতিচ্ছবি-দিলদার সেলিম
বিএনপির কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম বলেছেন- মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসুরী মজলুম জননেতা দেশনায়ক তারেক রহমান বর্তমান বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। অবৈধ বাকশালী সরকার জননেতা তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁকে দেশত্যাগে ও প্রবাসে থাকতে বাধ্য করেছে। আগামীর সম্ভাবনাময় সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক তারুন্যের অহংকার তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদান করেছে এবং একাধিক মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে। আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ জাতির ক্রান্তিলগ্নে শহীদ জিয়ার প্রতিচ্ছবি দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। মুখে বলে আর স্লোগান দিয়ে তারেক রহমানকে ভালবাসার প্রতিফলন হবেনা। প্রিয় নেতার নির্দেশ পালন করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সবাইকে মাঠে নেমে প্রমাণ করতে হবে আপনারা দেশনায়ক তারেক রহমানের বিশ্বস্ত হাতিয়ার। তিনি রবিবার বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম-এর সভাপতিত্বে নগরীর আগ্রা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা ও মহানগর জাসাস-এর নেতাকর্মীরা গান পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে দেশনায়ক তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মদিনের বিশাল কেক কাটেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সিলেট জেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল মালেক। সভাপতির বক্তব্যে আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারুন্যের অহংকার দেশনায়ক তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের ভবিষ্যত কান্ডারী দেশনায়ক তারেক রহমানকে নিয়ে যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেনো তিনি বীরের বেশে বাংলাদেশে আসবেন। কোটি কোটি জিয়ার সৈনিক তাদের প্রিয় নেতাকে বরন করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ক্ষমতাসীন অবৈধ আওয়ামী সরকার নির্বাচনের বাইরে রাখতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করতে হচ্ছে। যা জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আমরা বলেছিলাম কোন্দল ও গ্রুপিং মুক্ত সিলেট জেলা বিএনপি গঠন করবো। একই পতাকাতলে সমবেত হওয়ার মাধ্যমে আমরা সফল হয়েছি। যার প্রমাণ সিলেট জেলা বিএনপি আজ অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত। আর তা কেবলই সম্ভব হয়েছে গণতন্ত্রের ফিনিক্স পাখি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে। আওয়ামী দুঃশাসনে নিষ্পেষিত জাতি তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। অচিরেই আধার কেটে যাবে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমেই বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। ইনশাআল্লাহ। অসুস্থ সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদের আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা: শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এডভোকেট নুরুল হক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাহির চৌধুরী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঈনুল হক চৌধুরী, জেলা সহ-সভাপতি মহিচ্ছুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, জেলা বিএনপির মহিলা সম্পাদিকা ও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা কাউন্সিলার সালেহা কবির শেপী, জেলা বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জেলা জাসাস সভাপতি জসিম উদ্দিন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বলেন- অবৈধ ফ্যাসিষ্ট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন ১/১১ এর ফখর-মঈন সরকার তাদের আন্দোলনের ফসল। আর সেই ১/১১ এর সরকার ক্ষমতায় এসে দেশনায়ক তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো’র উপর নির্যাতনের স্টীম রোলার চালায়। মহান আল্লাহর রহমতে দেশনায়ক তারেক রহমান বেচে থাকলেও আরাফাত রহমান কোকো’কে দুনিয়া ছেড়ে যেতে হয়েছে। অবৈধ সরকার তাদের ক্ষমতার মসনদ পাকাপোক্ত করতে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দেশ চালালেও রোহিঙ্গা ইস্যূতে প্রতিবেশীকে পাশে পায় নি সরকার। যা তাদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিরই বহিঃপ্রকাশ। দেশে জুলুম নিপীড়ন ও স্বৈরাচারী শাসন চলছে তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশে জুলুমের অবসান হবে। ইনশাআল্লাহ। মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন- আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অবৈধ সরকারের সকল জুলুম নিপীড়নের অবসান ঘটিয়ে তারুণ্যের অহংকার দেশনায়ত তারেক রহমান বীরের বেশে দেমে ফিরবেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা: শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন- আওয়ামী বাকশালীরা ভাল করে জানে জননেতা তারেক রহমানই আগামীর রাষ্ট্রনায়ক। তাই তাঁেক নিয়ে সুদুঢ়প্রসারী ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সকল ষড়যন্ত্রের জাল নস্যাত করে দিয়ে তারেক রহমানকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে জিয়ার সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন- দেশনায়ক তারেক রহমান হচ্ছেন বাংলাদেশের ভবিষ্যত কান্ডারী। দেশের কোটি কোটি তরুন বৃদ্ধ আবাল-বনিতা দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে জাতীয়তাবাদী শক্তির পতাকাতলে সমবেত হয়েছে। সুতরাং সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারুন্যের অহংকার তারেক রহমানকে নিয়ে যে কোন ষড়যন্ত্র নস্যাত করে দেয়া হবে। সকল জুলুম-নিপীড়নের অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরবেন।

 

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জেলা সহ-সভাপতি শাহজামাল নুরুল হুদা, সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি ওসমান গনি, সহ-সভাপতি ও গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী, জেলা উপদেষ্ঠা নজরুল ইসলাম ময়ুর, মাজহারুল ইসলাম ডালিম, ইলিয়াস আলী মেম্বার, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, ময়নুল হক, জেলা কোষাধ্যক্ষ ডা: আরিফ আহমদ রিফা, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন ও শামীম আহমদ, দফতর সম্পাদক এডভোকেট মো: ফখরুল হক, প্রচার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মুজিবুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক লায়েছ আহমদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এডভোকেট জুবায়ের আহমদ খান, প্রবাসী কল্যান সম্পাদক আবু নাসের পিন্টু, অর্থনৈতিক সম্পাদক মশিকুর রহমান মহি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন খান, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, হাবিবুর রহমান হাবিব ও মুরাদ হোসেন, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে দিদার ইবনে তাহের লস্কর, বোরহান উদ্দিন, ছালিক আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, আমিন উদ্দিন, আব্দুল মালেক, ফখরুল ইসলাম, শাহজাহান সেলিম বুলবুল, শাহ মাহমুদ আলী, নজরুল ইসলাম, দিলোয়ার হোসেন জয়, আব্দুল লতিফ খান, আইয়ুব আলী সজিব, এনামুল হক মাক্কু, নুরুল ইসলাম, মো: শাহপরান, সিরাজুল ইসলাম, আজির উদ্দিন আহমদ, ফয়েজুর রহমান ফয়েজ, আব্দুল হান্নান, গিয়াস আহমদ মেম্বার, এম.এ রহিম, আব্দুল্লাহ আল মামুন সামুন, নুরুল হোসেন বুলবুল, এডভোকেট নুর আহমদ, শামসুর রহমান শামীম, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, সাঈদ আহমদ, কামরুজ্জামান দীপু, ফারুক আহমদ, শফিকুর রহমান টুটুল, আব্দুল মজিদ, মুসা রেজা চৌধুরী, জয়নাল আহমদ রানু, তাজ উদ্দিন মাসুম, আমেনা বেগম রুমি, আলাউদ্দিন রিপন, ফখরুল আলম, চৌধুরী সোহেল, লোকমান আহমদ, কাজী মেরাজ, হানুর ইসলাম ইমন, লিটন আহমদ, জেহিন আহমদ, আজিজুল হোসেন আজিজ, এখলাছুর রহমান মুন্না, রায়হান হোসেন খান, সুচিত্র চৌধুরী বাবলু, আবুল হাসিম জাকারিয়া, কল্লোলজ্যোতি বিশ্বাস জয়, বোরহান আহমদ রাহেল, আব্দুর রউফ, ওসমান গনি, আলী আহমদ আলম, মকসুদুল করিম নোহেল, দেলোয়ার হোসেন, সালাউদ্দিন রিমন,খন্দকার ফয়েজ আহমদ, সুমন চক্রবর্তী, রুনু আহমদ,মনিরুজ্জামান মনির, মারুফ হোসেন তালুকদার, আনোয়ার হোসেন রাজু, শিহাব আহমদ, আব্দুল করিম জোনাক, সোহেল ইবনে রাজা,সোহেল রানা,আকাব আহমদ পলাশ,আব্দুল আহাদ সুমন, মাসুম পারভেজ, কায়সান মাহমুদ সুমন, মসরুর রাসেল, আলী আকবর রাজন,সেলিম মিয়া ও সুমন আহমদ বিপ্লব প্রমুখ।