তারেক রহমান এক প্রতিভাবান সৃজনশীল উদীয়মান উজ্জ্বল নক্ষত্র – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

তারেক রহমান এক প্রতিভাবান সৃজনশীল উদীয়মান উজ্জ্বল নক্ষত্র

প্রকাশিত: ২:৫৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৭

তারেক রহমান এক প্রতিভাবান সৃজনশীল উদীয়মান উজ্জ্বল নক্ষত্র

বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান একুশ শতকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক প্রতিভাবান, সৃজনশীল উদীয়মান উজ্জ্বল নক্ষত্র। সাম্প্রতিক সময়ে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভবিষ্যত কান্ডারী হিসেবে এবং তাকে দলে সর্বোচ্চ পদে এগিয়ে নেয়ার ভাবনাকে দেশের ১৬ কোটি আমজনতা স্বাগত জানিয়েছে। সেই কারণেই তারেক জিয়া দল তথা জনগণের অর্পিত ও প্রত্যাশিত গুরু দায়িত্ব মাথায় নিয়ে মাতৃভূমির তরুণ ও তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে রাজনীতি এবং অধিকার সচেতন করে তৃণমূল জনগণের ক্ষমতায়নের মধ্যে দিয়ে সৃজনশীল, সহনশীল ও রাজনৈতিক ঐক্যমতের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রনীতি পরিচালনার ভিত্তিতে দারিদ্রতা ও নিরক্ষরতা মুক্ত করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এক যুগান্তরকারী সাংগঠনিক কর্মসূচী নিয়ে ইতিপূর্বে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়িয়েছেন।

বলা হয়ে থাকে ‘বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ চার নেতৃত্ব যথাক্রমে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা-এর পরে তরুণ রাজনীতিবিদ হিসাবে তারেক রহমানই একমাত্র আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তৃণমূল রাজনীতির দর্শনতত্ত্বকে লালন ও ধার করে তৃণমূল রাজনীতিকে গতিশীল করার মধ্যে দিয়ে রাজনীতির একটা কালাতিক্রম করেছেন তিনি। একজন ক্যারিশমাটিক রাজনীতিবিদ হওয়ার কারণে ক্ষমতাসীন দলের শাসকশ্রেণী অনেকটা সঙ্কুচিত ভয় নিয়ে মিথ্যা মামলা-হামলা, হুমকি-ধমকি দিয়ে তাঁর রাজনীতির স্বর্ণোজ্জ্বল অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে প্রতিনিয়ত অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, এ যেন ক্ষমতাসীন রাজনীতির প্রতিদ্বন্দ্বীমুখী রাজনৈতিক দেওলিয়াত্বরই বহিঃপ্রকাশ।


বাংলাদেশের রাজনীতির ভাগ্যের বরপুত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রনায়ক এর জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে তারেক রহমান এই দেশের গণমানুষের মুক্তির কান্ডারী হওয়াটাই সহজাত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পরিমন্ডলে বেড়ে উঠা প্রকৃতিই যেন আপন মনে রাজনীতিতে ঠেলে দিয়েছে। তারেক রহমানের তৃণমূল রাজনীতির জনগণ সম্পৃক্ততা কখনো-কখনো গত চার দশকের জাতীয় রাজনীতিবিদদের জনপ্রিয়তাকে শতগুণ ছাড়িয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে তারেক রহমানের ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তাই তাঁর প্রতি তথ্যসন্ত্রাস ও হিংসাত্মক আক্রমণের মূল কারণ। ১/১১ কিংবা ১/১১ পরবর্তী সরকার তারেক রহমানের রাজনীতির ইতিবৃত্তকে সুপরিকল্পিতভাবে এবং ঠান্ডা মাথায় স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমে সেনা সমর্থিত সরকার কর্তৃক অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন এবং পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা-হামলা ও জেল-জুূলুম-হুলিয়া দিয়ে দেশ থেকে নির্বাসন ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা দেয়ার মধ্যে দিয়েই ঝলসে উঠা এক রাজনীতিকের অপমৃত্যু ঘটানোর হীন অপচেষ্টা ক্ষমতাসীনদের রুটিন কাজে পরিণত হয়েছে।

দশকের পর দশক ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলের আপন পারিবারিক পরিমন্ডলে বেড়ে উঠা প্রথম দিকে পরোক্ষ, পরবর্তীতে প্রত্যক্ষ নেতৃত্বদানকারী নেতা দলের অনিবার্য শক্তিশালী সংগঠক হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছেন। আগামী দিনের ২০ দলীয় জোটের প্রধান নেতা হিসেবে তারেক রহমান নিজ দল জাতীয়তাবাদী দল বি.এন.পি ছাড়াও দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর সমন্বিত জোটেরও প্রধান নীতি নির্ধারক। জোটের আগামী দিনের প্রধান হিসেবে এ দেশের জনগণের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না সর্বোপরি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির মৌলিক উন্নয়নের স্বার্থের সাথে তার জীবন ঘনিষ্ঠভাবে মিশে আছে। রাজনীতির যোগ্য উত্তরসূরী হিসাবে জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রাণ পুরুষ তৃণমূল রাজনীতিকে গণমুখী করে তোলার কান্ডারী হিসাবে আজ বাংলাদেশ সহ উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতিকে নতুন দর্শন তত্ত্ববাদ দিয়ে রাজনীতিকে শাণিত ও সমৃদ্ধ করে তুলেছেন। গণতন্ত্র, রাজনীতি, রাষ্ট্রব্যবস্থা ত্রিমুখী শব্দভান্ডার দিয়ে জাতিতাত্ত্বিক মৌলিক কাঠামোগুলোকে যেভাবে আমরা পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের স্বপ্ন দেখি, ঠিক তেমনিভাবে শব্দের প্রায়োগিক ব্যবহারের বাস্তবতায় আমাদের আসল রাজনীতি চর্চার ঠিকানা খুঁজে পাই। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সাথে চার দশক ধরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধান মন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান প্রতিটি নামই এক একটি শব্দের শাব্দিক প্রতিচ্ছবি। তিন তিনটি নামের বিশেষায়িত রূপক আজকের বাংলাদেশ, বাংলাদেশের মানুষ এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ।


তারেক রহমানের তৃণমূল রাজনৈতিক দর্শনতত্ত্ব দেশপ্রেমে জাগ্রত কোটি কোটি সমর্থকসহ আগামী প্রজন্মকে উদ্দীপ্ত ও সৃজনশীল রাজনীতিমুখী হতে উৎসাহিত করেছে। গণতন্ত্র, রাজনীতি, গণমানুষ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা এক একটি অঙ্গকে একীভূত করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাজনীতিকে একটি আন্তর্জাতিক মানদন্ডে আবিস্কারের মধ্যদিয়ে গণতন্ত্রের বিকাশের ধারাবাহিকতা, গণমানুষের আত্মসামাজিক পরিবর্তন , মানব কল্যাণ সর্বোপরি মানব সম্পদকে বিশ্বমানের জনশক্তিতে রূপান্তর করে আত্মনির্ভরশীল মর্যাদার জাতি হিসাবে গড়ে তোলার প্রয়াস আজকে সারা দুনিয়াজুড়ে বিশ্বনন্দিত হয়েছে। ইতিহাস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা উপমহাদেশের রাজনীতিতে রাজনীতিবিদদের জীবনমানকে সংকটময় করে তুলে বরাবরই। উপমহাদেশের রাজনীতিতে তারুণ্যদীপ্ত জনপ্রিয়তায় তারেক রহমানকে এ পর্যন্ত কেউ অতিক্রম করতে পারেনি। তাইতো তৃণমূল রাজনীতি নিয়ে যখন তারেক রহমান জনমানসে হাজির হতেন তখন জনতার জনপ্রিয়তার প্লাবন দেখে বিরোধীয় শক্তি আঁৎকে উঠতো। তার জনপ্রিয়তাকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠে, ফলে তথাকথিত সেনা সমর্থিত ১/১১ সরকার এ দেশের সর্বোচ্চ জনপ্রিয় সম্ভাবনাময়ী তারুণ্যদীপ্ত এই নেতাকে শারীরিক মানসিক নির্যাতনসহ ডজনখানিক মিথ্যা মামলা দিয়ে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। হুমকি-ধমকি, মামলা-হামলা, অপপ্রচার কোনটিই তারেক রহমানকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ইতিমধ্যে সকল ষড়যন্ত্রকে পদদলিত করে তারেক রহমান অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার অবিসংবাদিত জাতীয় নেতা হিসেবে নিজেকে বাংলার মাটিতে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন।


বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি জনমানসে তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির স্বপ্নের পুরুষ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক ছাড়াও তিনি এদেশের তৃণমূল গণমানুষের আস্থাভাজন নির্ভরশীল রাজনৈতিক দার্শনিক ছিলেন। রাষ্ট্রপতি হয়ে তিনি দেশের সাধারণ মানুষের কাতারে গিয়ে চাষীদের সাথে কাস্তে হাতে নিয়ে ধান কেটেছেন। কখনো কোদাল নিয়ে খাল খনন করেছেন। সুবিধা বঞ্চিত মানুষের আপনজন হিসেবে যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন জনপ্রিয়তা নিয়ে শাহাদাত বরণ করেছেন। জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়াকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা হত্যা করেছে। তাঁকে হত্যার পর এদেশের কোটি কোটি মানুষ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। তাঁর হত্যার পর এদেশের মানুষ অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। তারই কারণে তাঁর জানাজা নামায পরিণত হয় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমুদ্রের ঢল। শহীদ জিয়ার মৃত্যুর পর জাতীয়তাবাদী শক্তি আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে যখনই এ দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হয় তখনই জাতীয়তাবাদী শক্তির জয় হয়। বেগম জিয়া বার বার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার ধারাবাহিকতাই তার প্রমাণ। জিয়া পরিবারকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে বিদায় করে দেয়ার ষড়যন্ত্র আজকে নতুন নয়। অতীতেও এই ষড়যন্ত্র হয়েছে, কখনো ষড়যন্ত্র পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনি। এখন ক্ষমতাসীনদের মূল টার্গেট তারেক রহমান কিন্তু কেন?

তিন-তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের সর্ববৃহৎ জোট ছাড়াও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে গিয়ে আপোষকামিতার জন্য বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে আপোষহীন জননন্দিত দেশনেত্রী হিসেবে দেশে বিদেশে খ্যাতি অর্জন করে চলেছেন। তথাকথিত ১/১১ সরকার আপোষহীন নেত্রীকে অনেকটা ভয়ের কারণে কারাবরণ ও তার দু’সন্তানকে অমানুষিক নির্যাতন করেছিল। কিন্তু গণতন্ত্রের স্বার্থে বেগম জিয়া সেইদিন দেশ ত্যাগ করেননি। বেগম জিয়ার রাজনৈতিক বিচক্ষণতায় দেশে পুনঃগণতন্ত্র ফিরে এসেছে। অথচ বর্তমান সরকার বেগম জিয়ার পরিবারকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে বিদায় করে দেয়ার জন্য একের পর এক রাজনীতির কূট গুটি চালাচালি করে চলছে।
১৬ কোটি মানুষ বর্তমান ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক অপকর্মের ধিক্কার জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বি.এন.পি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ভোট বিহীন অবৈধভাবে বর্তমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপরিচালকগণ রীতিমত নাটক মঞ্চস্থ করে চলেছেন। একজন তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিচক্ষণতার কাছে ধরাশায়ী হয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্ষমতাসীনরা নিজ দলীয় ও মহাজোটীয় এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বশক্তি নিয়োগ করেও হালে পানি পাচ্ছেনা। ফলশ্রুতিতে সময়ের দাবী তারেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং ষড়যন্ত্রমূলক দায়েরকৃত সকল মামলার সরকারের হস্তক্ষেপমুক্ত ন্যায় বিচার ও সমাধানের মাধ্যমে তাঁর নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, এবং তাঁর মাতা তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেত্রীর সাথে সামগ্রিক আর্থসামাজিক, পারিবারিক ও সর্বোপরি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশ গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের করণীয় সাংবিধানিক কর্তব্য এবং এটাই আজকে আমজনতার একমাত্র প্রত্যাশা।

লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সন্তান সমতুল্য হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি রাজনৈতিক শক্তি ভাবা শুরু করেছেন অথচ এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। উপমহাদেশের রাজনীতিতে কংগ্রেস এর রাহুলগান্ধী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তারেক রহমান এ অঞ্চলের ভৌগোলিক রাজনীতিতে ধ্রুবতারার মত। রাজনীতির আকাশে জ্বলন্ত নক্ষত্রগুলো নিয়ে যে কোন অপপ্রচার আমাদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে কলুষিত করা ছাড়া আর কিছুই নয়। তারেক রহমান লন্ডন তথা ইউরোপে যখনই রাজনীতি নিয়ে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় বিচরণ শুরু করেছেন ঠিক তখনি এদেশীয় রাজনীতির ক্ষমতাসীনদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। মনে হয় তারেক রহমান দেশে না থেকে বিদেশে থেকেও অনেক বেশী শক্তিশালী। এই মুহুর্তে দরকার সকল অগণতান্ত্রিক, অঘোষিত অরাজনৈতিক বাধা দূর করে গণতন্ত্রের স্বার্থে জাতীয় নেতাদের নিয়ে টানা হেঁচড়া না করা। তারেক আতংক থেকে ক্ষমতাসীনদের বেরিয়ে এসে একজন জাতীয় নেতা হিসেবে তারেক রহমানকে দেশে এনে এদেশের গণতন্ত্রের হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রকেই মূল ভূমিকা পালন করতে হবে। এই মুহুর্তে দেশের ১৮ কোটি মানুষ তাকিয়ে আছে তারেক রহমান কবে আসবে। দেশ প্রেমিক জনতা তারেক রহমানের জন্য সময় প্রহর গুনছে দিনের পর দিন।


লক্ষ কোটি জাতীয়তাবাদী জনতার নয়নমনি তারেক রহমানের বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অঙ্গনে আজকের অনুপস্থিতিতে প্রকৃতি যেন আপন মনে কাঁদছে। কাঁদছে জনতা, কাঁদছে দেশ কবে আসবে বাংলার কান্ডারী । জাতির ভবিষ্যৎ কান্ডারী সফল রাষ্ট্রচিন্তাবিদ তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আজ লক্ষ কোটি মানুষের প্রাণের দাবী। ইতিমধ্যে যাঁর রাষ্ট্রচিন্তা ও তৃণমূল রাজনৈতিক দর্শনতত্ত্ব জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সমাদৃৃত হয়ে অনুশীলন ও গবেষণা হচ্ছে। এই মহান নেতার গণতান্ত্রিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে রাষ্ট্রযন্ত্র তার সাংবিধানিক দায়িত্ব নিশ্চিত করবে এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানামুখী অপপ্রচার ও বক্তব্য প্রদানে রাষ্ট্র ব্যক্তিগণ সংযত ও দায়িত্বশীল আচরণ করবে এটাই আজ সমগ্র জাতির প্রত্যাশা।
আগামী ২০ নবেম্বর ৫৩ এ পা রাখছেন তারেক রহমান, তার অনুপস্থিতি আমাদের উপলব্ধিসহ সকল চেতনাকে আন্দোলিত করছে। আপনি যেখানে থাকুন না কেন বাংলার আকাশ বাতাস প্রকৃতি লক্ষকোটি আমজনতা কাঁদছে আর কাঁদছে বাংলাদেশ আপনার সুযোগ্য নেতৃত্বের প্রতীক্ষায়।