তিন দিন রাজপথে থাকবে আ.লীগ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

তিন দিন রাজপথে থাকবে আ.লীগ

প্রকাশিত: ৮:৪৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮

তিন দিন রাজপথে থাকবে আ.লীগ

আগামী ৭, ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা রাজপথে থাকবেন বলে জানিয়েছেন দলটির অন্যতম মুখপাত্র হাছান মাহমুদ।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও শ্রমিক সমাজ’ শীর্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগামী ৭, ৮, ৯, ফেব্রুয়ারি আমরা রাজপথে থাকব, যদি আবারও শ্রমজীবী মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা হয়, হামলা করা হয়, সেই হামলা প্রতিহত শুধু নয়, হামলাকারীদের ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে।’

৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণা হবে। এ মামলার প্রধান আসামি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির কমিটি জাম্বু জেট মার্কা। এত বড় কমিটির সভা দুই বছর পর হচ্ছে। তিনি বলেন, যারা পাঁচ তারকা হোটেলে সভা করে তারা জনগণের দল নয়।

প্রসঙ্গত, কাল শনিবার বিএনপির বর্তমান জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই কমিটির সদস্য ৫০২ জন। কমিটির বর্ধিত সভা হওয়ার কারণে এতে ‘পদাধিকার বলে সদস্যরা’ও অংশ নেবেন। ফলে কালকের বৈঠকে অংশ নেবেন প্রায় ৭০০ সদস্য।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দল পাঁচ তারকা হোটেলে মিটিং করে, এটি আমরা কল্পনাও করতে পারি না। বিএনপির জাম্বু জেট মার্কা কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা হোটেল লা-মেরিডিয়ানে তিন বছর পর হতে যাচ্ছে । আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা প্রতি দুই মাসে একটি হয়। সুতরাং যারা রাজনৈতিক দলের সভা পাঁচ তারকা হোটেলে করে, এরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না, এরা জনগণের দল নয়, এরা লুটেরাদের দল, এরা শ্রমিকের দল নয়, শ্রমিকের রক্তচোষাদের দল।’

‘বাংলাদেশের সংবিধান কোনো শিলায় তৈরি’ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের এই মুখপাত্র হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের দোআঁশ মাটি থেকে উৎসারিত জনগণের স্বার্থে এই সংবিধান। আপনারা ভারত, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়ার উদাহরণ দেন, সেখানে যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই, বাংলাদেশেও নির্বাচনের সময়ে সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনাই প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। আপনাদের আবদার রক্ষার্থে সংবিধানের কোনো ব্যত্যয় হবে না।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইনসুর আলী, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।