তৃণমূল নেতার রাজনৈতিক কর্মগুণ নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

তৃণমূল নেতার রাজনৈতিক কর্মগুণ নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড়

প্রকাশিত: ৯:০১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮

তৃণমূল নেতার রাজনৈতিক কর্মগুণ নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড়

“আওয়ামীলীগ কর্তৃক নির্যাতিত একটি মানুষ ও তার পরিবারের গল্প”
“আজ সিলেট মহানগর বিএনপি’র এক তৃণমূল নেতার কথা বলবো”- উক্ত দুটি হেডলাইন ভিত্তিক এক স্ট্যাটাসকে সবাই আবেগ আপ্লুত হয়ে ফেসবুকে শেয়ার করে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করছেন কিছু রাজনৈতিক শুভাকাঙ্খি। এই শুভাকাঙ্খিরা যাকে নিয়ে এই স্ট্যাটাস দিচ্ছেন তিনি আর কেউ নন সিলেট মহানগর বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এম. মখলিছ খান। তাদের একটাই অনুভূতি রাজনীতি শব্দটি আজও বেঁচে আছে আমাদের মধ্যে এরকম একজন মানুষ দলের ক্রান্তিলগ্নেও স্বাস্থ্য অবনতি নিয়ে আমাদের সাথে আছেন। সেই শুভাকাঙ্খিরা হলেনঃ দৈনিক আমার সিলেট, জাহেদ আহমদ, রুমান আহমদ রাজু, কাওসার আহমদ, আমি সেই ছেলে আকাশ, রাহাত আহমদ টিপু, ডেইলি ন্যাশনালিস্ট নিউজ, আব্দুল্লাহ আল রাজী, আব্দুল কাদির চৌধুরী, আদনান সামী, আবিদুর রহমান, উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ প্রমুখ। সমালোচনার মূখ্যপাত্র সেই স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলোঃ-
“আওয়ামীলীগ কতৃক নির্যাতিত একটি মানুষ ও তার পরিবারের গল্প।”
“আজ সিলেট বি.এন.পি’র এক তৃণমূল নেতার কথা বলব।”
নাম এম মখলিছ খান সাধারন সম্পাদক ৭ নং ওয়ার্ড (সুবিদবাজার এলাকা) সিলেট মহানগর বিএনপি ও সদস্য সিলেট মহানগর বিএনপি। মানুষ টি প্রায় ২২ টি বছর ধরে রাজনীতির মাঠে ছিলেন প্রচার বিমুখ, উনার রাজনৈতিক সহ যোদ্ধারা আজ দেশে বিদেশে ছড়িয়ে বিশেষ করে বড় ভাই শহীদুল ইসলাম মামুন,উনার বন্ধু এনামুল হক লিটন,আব্দুল কাদির সমছু,জেহিন,দুলু। বিদেশে আর দেশে আছেন সামাদভাই,সালেহ খান ভাই,মশরু ভাই, বেশ ঘটনা বলতে পারবেন সালেহ আহমদ খসরু ভাই, শাহীন ভাই ও আনোয়ার হোসেন মানিক ভাই । সুবিদ বাজারে ছাএলিগ কর্তৃক বারবার নির্যাতিত একটি পরিবারের নাম মখলিছ ও জামালের পরিবার। এই দিকে আগ আর নাই বাড়লাম। বারবার জামাল খান জেল জুলুমের কারণে পরিবার টি আজ ধ্বংসের শেষ ঠিকানায় পৌছেছে। বিগত শেয়ার বাজারে মখলিছ খান প্রায় ১২ লক্ষ টাকা পুঁজি হারিয়ে আজও সেই শোক পোহাতে হচ্ছে। শরীরে ২০১২ সাল থেকে ভয়াবহ হার্ট এটাক হয়, অভাব থাকায় দীর্ঘ কষ্ঠের পর ২০১৬ সালের ১৫ ই নভেম্বর দেশে বিদেশে জাতীয়তাবাদী ভাইদের অকৃত্রিম ভালবাসা ও সাহায্যে তিনি বাইপাস করাতে সক্ষম হন, বাইপাসের প্রায় ১৩ মাস হলো এরই মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ১০০ টাকার ঔষধ খাওয়া, একমাএ ১০ বছরের একটা ছেলে ক্লাস ফোরে লেখা পড়া করে, তার স্কুল, আবদার, ঘর সংসার ঠিক মত চালানো তাকে আবার টেনশনের দিকে দাবিত করে। নতুন মসজিদে একটি সরকারী ডিলার আছে কিন্তু বিধিবাম এই ডিলার টি বছরে দুই এক মাস চলে বাকি মাস বন্ধ থাকে। পুঁজির অভাবে দোকান টি খুলতে পারেন না, এখানেই শেষ নয় জাতীয়তাবাদী প্রেমী এই মানুষ টিকে সিলেটের এমন কোন কর্মসূচী নেই যেখানে এই মানুষ টিকে দেখা যায় না, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারী অসুস্থ শরীর নিয়ে ঐ মানুষ টি প্রায় ২ মাস জেল কেটেছেন সঙ্গে ছিলেন মহানগর বি.এন.পি’র সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম। ভঙ্গুর দেহ খানা নিয়ে, একটি ভাঙ্গা মোবাইল নিয়ে প্রোগ্রাম করে বেড়ান, মিডিয়াকে টাকা দিয়ে ফটো তুলতে হয়, তাই তিনি তাদেরকে ব্যবহার না করে ছোট ভাতিজা আকাশ কে কাজে লাগান, উনার সঙ্গে আলাপ করে জানলাম উনার কাছে রিকসা ভাড়া পর্যন্ত থাকে না, দেশ বিদেশে বন্ধুদের অনেক বলেছেন একটা মোবাইল দেওয়ার জন্য তারা ১ বা ২ হাজার টাকা পাঠায় উনি এই টাকা সংসারে খরচ করেন। রোজা বা ঈদ আসলে উনার মাথায় হাত বাচ্চা টাকে ঈদে কি দিবেন কি বা বাজার করবেন। আমি চিনেছি মাত্র কয়েক টি মাসে বাইপাসের ঐ মানুষ টি কতটুকু ভালবাসা থাকলে দলের এই কঠিন সময়ে বড় কোন পদে অদিষ্ঠ না হয়ে নিজের দেহকে কুরবান করছেন, এবার বলি উনার লেখা লেখির উদ্দিপনা সারাটা দিন একটি ওয়াইফাইর সহযোগিতায় দলের জন্য উৎসাহ উদ্দিপনার জন্য কিনা করে যাচ্ছেন,অঘোষিত ভাবে মহানগর বিএনপির দাপ্তরিক পোষ্ট গুলি এই কঠিন সময়ে তিনিই করে যাচ্ছেন। তার পরিবার বাচ্চার কথা চিন্তা না করে জেলের ভয় না করে কোন মায়ায় এই মানুষ টি অকাতরে দলের জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, গতকাল থেকে মানুষ টি অসুস্থ। খোঁজ নিয়ে দেখুন ডাক্তার আর ঔষধ লাগবে বলে ঘরেই বসে রয়েছেন। কেউ কি খোঁজ নিয়েছেন, নিবেন কেনো মামু লাগবে। ইতি মধ্যে নেতাদের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি লিখেছেন যাহা তাকে ঘিরেই ছিল কিন্তু নেতারা বুঝেননি। তারপরও উনি সন্তোষ্ট আছেন। ২ একজন দেশ বিদেশের বড় ভাই বন্ধু তাকে একটু প্রাণ দিয়ে রাখেন, তাদের নাম বলতে উনি অপারগতা করলেন, মহানগরের বিগত কাউন্সিলে এক নেতা কে উনি সাংগঠনিক পদে আনতে গিয়ে সবার চক্ষুশুল হয়েছিলেন ঐ নেতার কাছ থেকে ও তিনি বড় সাহায্য কখনও পান নি যা ছিল ভুল, সবাই মায়া ত করেন কিন্তু ঐ মানুষটিকে দেশ বিদেশ থেকে কিছু সাহায্য করে কি? বাঁচনো যায় না,আপনাদের একটু একটু সাহায্য দেখবেন তার জীবন টাই পাল্টে যাবে । এই তৃণমূল নেতার প্রতি আপনাদের ভালবাসা থাকুক অবিরাম, এই কামনা… আজ না হয় এই পর্যন্ত।