দক্ষিণ হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত দূনীর্তি নিয়ে সরব হচ্ছেন একাংশ যুবক – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

দক্ষিণ হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত দূনীর্তি নিয়ে সরব হচ্ছেন একাংশ যুবক

প্রকাশিত: ৯:৫৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০২০

দক্ষিণ হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত দূনীর্তি নিয়ে সরব হচ্ছেন একাংশ যুবক

আসাম প্রতিনিধি

পঞ্চায়েত দূনীর্তিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সরব হচ্ছেন দক্ষিণ হাইলাকান্দির একাংশ যুবকবৃন্দ।হাইলাকান্দি জেলা জলসেচ বিভাগের কনিষ্ঠ বাস্ত্তকার পদে নিযুক্তি থাকা সত্ত্বেও বিগত ২ দশক থেকে এখন অব্দি জেলা পরিযদ কার্য‍্যালয়ে ঘাটি গেরে থাকায় জনমনে বিভিন্ন প্রশ্নের পাহাড় তৈরি হয়েছে।হাইলাকান্দি জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নতকরণের ডেপুটি সেক্রেটারি কার্যালয় থেকে চলিত বৎসরের মার্চ মাসের ২ তারিখে বের হওয়া একটি অর্ডার মতে জেলা পরিষদ কার্যালয়ের মূখ‍্য কার্যবাহী আধিকারিক হরিঢরণ ভক্ত ১৪ জুলাই কাটলিছড়া সমষ্টির বিধায়ক সুজাম উদ্দিন লস্করের বড় ভাই নেজাম উদ্দিন লস্করকে লালা, কাটলিছড়া ও দক্ষিণ হাইলাকান্দি উন্নয়ন খন্ডের চতুর্দশ অর্থ কমিশন থেকে আরম্ভ করে ঐম জি এনরেগা প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজগুলি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিযুক্তি দেন।বিধায়ক বড় ভাই নেজাম উদ্দিন ওই অর্ডারের ভিত্তিতে জেলা জলসেচ বিভাগের কর্মী হয়ে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে কাজ করার সুযোগ পান সেটা নতুন নয়।ওই অর্ডার জারি হওয়ার আগে থেকে নেজাম উদ্দিন জল সেচবিভাগের কনিষ্ট বাস্ত্তকার পদে নিযুক্ত নিয়ে রহস‍্যজনক ভাবে কয়েক দশক থেকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে স্থায়ী একটা আস্তানা গেড়ে জেলা পরিষদ কার্যালয়কে একটা দূনীর্তি আখড়ায় পরিনত করে ১টি সিন্ডিকেট রাজ গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উত্তাপন করেন দক্ষিণ হাইলাকান্দির পার্থ প্রতীম সেন।পার্থ বলেন, ওই সব দূনীর্তির কথা তুলে ধরে তদানীন্তন জেলাশাসক কীর্তি জল্লির দ্বারস্থ হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিযোগের ভিত্তিতে নেজাম উদ্দিনকে নিজ দায়িত্ব অর্থাৎ জেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে জেলা জলসেচ বিভাগে স্থানান্তরিত করলেও বিধায়কের বড় ভাই হওয়ার সুবাদে আজও তার স্থানান্তরিত কপিটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।তারা জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সিইও হরিচাঁদ ভক্তের সঙ্গে অভ‍্যন্তরীন এক সম্পর্ক থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিধায়ক প্রচেষ্টায় লাভ করেন। ৩টি উন্নয়ন খন্ডের অধীন হওয়া কাজ গুলির দেখি ভালের দায়িত্ব।আর এতে ওই ৩টি ব্লক গড়ে ওঠে লুন্ঠন রাজ চালিয়ে,চলছে দেদার দূনীর্তি। তাই এ নিয়ে জেলার প্রত‍্যক রাজনৈতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে ভারতীয় জনতা পার্টির দক্ষিন হাইলাকান্দি যুব মোর্চ্চার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক পার্থ প্রতিম সেন আর্জি রাখেন।ব‍্যক্তিকে জেলা পরিষদের কার্যালয় থেকে সরিয়ে মূল কর্মস্থল জেলা জল সেচ বিভাগে স্থানান্তরিত করে পঞ্চায়েত বিভাগকে দূনীর্তিমুক্ত করা।হাইলাকান্দি জিলাধিপতি শ্রী মেঘানিধি দাহাল ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী নবকুমার দলে মহোদয় এই বিষয়ে কঠোর ব‍্যবস্থা নেওয়ার জন‍্য দৃষ্টি আর্কষণ করেন।তাছাড়া পার্থ প্রতিম সেন বলেন,বিধায়ক সুজামের ওই কর্মের যোগ‍্য জবাবের অপেক্ষায় সমষ্টিবাসী তাকিয়ে আছেন ২১ শের নির্বাচনের দিকে।অপরদিকে নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে এ ব‍্যাপারে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা পরিষদ কার্যালয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।এই নিয়োগের বৈধ নথিপত্র তার কাছে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন নেজাম উদ্দিন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল