দলীয়: সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন ! (আংশিক) – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

দলীয়: সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন ! (আংশিক)

প্রকাশিত: ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৬

দলীয়: সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন ! (আংশিক)

aaaaaaaaaaaaaaaপ্রকাশিত: ১০.১০.১৬, সোমবার: অবসান হচ্ছে জেলা পরিষদের প্রশাসক যুগের। আর প্রশাসক নয়, এবার দেশের সকল জেলা পরিষদ পেতে যাচ্ছে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আগামী নভেম্বর কিংবা ডিসেম্বরের মধ্যেই একযোগে সারাদেশের জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র জানায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনও দলীয়ভাবেই হবে। দল থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দেয়া হবে। দল মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে থেকে স্ব স্ব জেলার স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা ভোটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে কি-না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না জানালেও স্থানীয় সরকারে তাদের জনপ্রতিনিধির সংখ্যা নগণ্য। তাই প্রার্থী দিলেও তাদের চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা কম। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে শেষপর্যন্ত জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কম বলেই দলটির নীতিনির্ধারক নেতারা আভাস দিয়েছেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচন হবে বিদ্যমান জেলা পরিষদ আইন-২০০০ অনুযায়ীই। বিদ্যমান এ আইনের ১৭(১) ধারায় বলা হয়েছেÑ ‘প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি কর্পোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র, কমিশনার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কমিশনার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়ে নির্বাচকম-লী গঠিত হবে।’ ১৭(২) ধারায় বলা হয়েছেÑ ‘প্রত্যেক ওয়ার্ডের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত একটি ভোটার তালিকা থাকবে।’ ১৭(৩) ধারায় বলা হয়েছেÑ ‘নির্বাচকম-লীর সদস্য নন এমন কোন ব্যক্তি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না।’ আইনের এই ধারা অনুযায়ী ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের ভোটদানের মাধ্যমে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পরিষদ নির্বাচনের পর একটি পূর্ণাঙ্গ পরিষদ গঠন করা হবে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যানের পাশাপাশি ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫ জন নারী সদস্যও নির্বাচন করা হবে।

জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন একটি স্তর। স্থানীয় সরকারের অন্যান্য স্তরের (সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ) ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের অনুরোধে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আয়োজন করে। জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী ১২টি বাধ্যতামূলক কাজ করবে জেলা পরিষদ। এগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ জেলার সব উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা; উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার গৃহীত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা; জনসাধারণের ব্যবহার্থে উদ্যান, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ। এছাড়া শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক কল্যাণসহ কিছু ঐচ্ছিক কাজও করবে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলার উন্নয়নমূলক কমিটির সভাপতি। তবে নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমান সরকারের নিযুক্ত প্রশাসকরাই এ কমিটির সভাপতি।

দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসক দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালিত হওয়ার পর আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ পরিষদ গঠন করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন সরকার। আগামী নভেম্বর কিংবা ডিসেম্বরের মধ্যে এ নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই অবসান হচ্ছে জেলা পরিষদে প্রশাসক যুগের।


সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচন: 

আওয়ামীলীগ:

সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে মাঠে কাজ করছেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন চৌধুরী, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ নেতা মো. মুহিবুর রহমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জগলু চৌধুরী।

বিএনপি:

দলীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করলে দলীয় মননোয়ন পেতে পারেন বিএনপির চেয়ারপার্সন উপদেষ্ঠা এম এ হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম  ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী।

সদস্য:

সদস্য সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে মাঠে কাজ করছেন জেলা পরিষদ সদস্য-১ ছাত্রনেতা মির্জা সম্রাট হোসেন, তরুণ সমাজকর্মী জিন্দাবাজারস্থ তামান্না ফেব্রিকস ও মা পরিবহনের স্বাত্বাধিকার নজমুল ইসলাম, সদস্য-২ বাংলাদেশে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া হিরা মিয়া ও নবারুণ শিশু বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহবুব আহমদ চৌধুরী, সদস্য-৩ সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং চ্যানেল আই ইউকে ব্যুারো ফয়সল আহমদ মুন্না, সদস্য-৯ বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দিক হোসেন সাজু, সদস্য পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ কারি আর কোন নাম পাওয়া যায়নি। মহিলা সদস্যর কোন নাম পাওয়া যায়নি নাম প্রকাশের পর প্রকাশিত হবে।

আমাদের ই-মেইলে আপনাদের ছবি ও কোন পদে প্রার্থী জানিয়ে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে প্রয়োজনে মোবাইল নং- ০১৭১৮৫৩৮০৪৫ (নুরুল ইসলাম)  nurul.press05@gmail.com

বিস্তারিত আসছে……………..

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল