নগরীর লালবাজারে রমরমা দেহ ব্যবসা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

নগরীর লালবাজারে রমরমা দেহ ব্যবসা

প্রকাশিত: ২:১৪ পূর্বাহ্ণ, মে ২১, ২০১৯

নগরীর লালবাজারে রমরমা দেহ ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার :: নগরীর লালবাজারের আজাদ বোডিং নামের আবাসিক হোটে্লে রমরামা দেহ ব্যবসার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ আজাদ হোটেলের কয়েকজন অসাধু কর্মচারীরা টাকার বিনিময় ঢাকা থেকে বাচাই করে দেহ ব্যবসায়ী নারীদের নিয়ে আসে একটি বড় চক্রের মাধ্যমে। আবার ১/২ পর পর দেহ ব্যবসায়ী নারীদের রত বদল করেন। দিন রাত ২৪ ঘন্টা নির্ভয়ে ঐ হোটেলের কর্চারীরা নারীদের নিয়ে দেহ ব্যবসায় মগ্ন থাকেনে। একেক জন কর্মচারী প্রতিদিন খদ্দরের কাছ থেকে ৫/১০ হাজার টাকা অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নেন।

প্রতিবেদনে সহাতাকারী সুহেল (২৫) সিলেটের দিনকালকে জানান, তিনি আজাদ বোডিং গিয়ে খলিল (২৩) নামের দালালের সাথে বন্ধুত্ব গড়েন। তাকে প্রতিদিনই পান সিগারেট উপহার দিতেন। তিনি ঐ আবাসিক হোটেলের কর্মচারীদের অপকর্মের সকল তথ্য অনেক দিনে সংগ্রহ করেছেন এবং তিনি ঐ হোটেল কর্মচারীর প্রতারনায় ১০ হাজার টাকা খুয়েছেন ৪মাস পূর্বে। এছাড়া তিনি আরও জানান ঐ হোটেলে অতিথি আসলে তাদের মনোরঞ্জনের জন্য নিয়মিত পতিতাদের ব্যবহার করেন।

পরিচয় গোপন রেখে, সরজমিনে লাল বাজারের আজাদ বোডিং গেলে, প্রবেশের সময় দেখা মেলে ম্যানেজারসহ কয়েকজন স্টাফের সাথে, ম্যানেজার বসে আছেন তার কর্তব্যরত চেয়ারে। অনুমতিতে না নিলেও হোটেলের উপড়ে যাওয়ার সময় মেলেনি কারো বাঁধা। সিঁড়ি দিয়ে বায়ে মোরে উপরে ৩ তলায় গেলে দেখা যায় হলুদ রঙের দেওয়ালের পার্শ্বে আকর্ষণীয় রঙের জামা পরিহিত ৫ জন্য নারী দরজায় দাঁড়ানো ও পাশে একটি ছেলের কাছে দুই খদ্দর নিয়মিত কাস্টমার বলে টাকা কমানোর চেষ্টা করছেন। আমকে দেখে সবাই নীরব। একজন প্রশ্ন করলো কি দরকার তখন খদ্দর পরিচয়ে আমি তার সাথে কথা বললাম, সে তার নিয়ম নীতির কথা জানালো। আমি তার নাম (খলিল) ও মোবাইল (০১৭৫৬১৬৯৫৯২০) নাম্বার নিয়ে চলে আসলাম।

এ বিষয়ে আজাদ হোটেলের কর্তৃপক্ষকে মোঠোফোনে (০১৭৪৭৫১৪৪৪০) কল দিলে রিসিভ করে এক ব্যক্তি পরিচয় দেন, তিনি ঐ হোটেলের ম্যনেজার। নাম জানতে চাইলে তিনি নাম প্রকাশ করেননি। তবে উল্লেখ্য অভিযোগ অশীকার করে বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের জন্য এক কাপ চায়ের দাওয়াত দেন। তবে অন্য উপায়ে পরিচালনাকারী খলিল আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে আজাদ বোর্ডিংয়ে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সে ডিউটি করেন। তার বাসা সিলেটের শাহী ঈদগায় জানায়।

লালবাজারেরে আজদ বোর্ডিং এর নারী দিয়ে দেহ ব্যবসায় নিয়ে, সিলেট কতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ সুহেল মিয়াকে মোঠো ফোনে কল দিলে তিনি বলেন, আজাদ নামের বোডিংয়ে আমি অতিশয় বন্দর বাজার ফাড়ীর ইনচার্জকে পাঠাচ্ছি।

সিডি/এসআর/২১ মে ১৯/নাঈম-৭

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল