নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিবে শাবিপ্রবি, গুচ্ছ পদ্ধতি হবার সম্ভাবনা নেই – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিবে শাবিপ্রবি, গুচ্ছ পদ্ধতি হবার সম্ভাবনা নেই

প্রকাশিত: ৩:১৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০২০

নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিবে শাবিপ্রবি, গুচ্ছ পদ্ধতি হবার সম্ভাবনা নেই
শাবি প্রতিনিধিঃ
নতুন পদ্ধতিতে স্নাতকে ভর্তির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। এবারে জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নির্ধারণের ঘোষণার পর এ সিদ্ধান্ত জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা নতুন সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নতুন পদ্ধিত, নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করব; যাতে কোনো শিক্ষার্থী বঞ্চিত না হয়। এজন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য এক্সপার্ট ও পলিসি মেকারদের সাথে কথা বলব।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে এরা জানায়, শাবিপ্রবি ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ এর মার্কস বাদ দিয়ে ১০০ নাম্বারের পরীক্ষা নিতে পারে কর্তৃপক্ষ।
এতে পূর্বের ৭০ নাম্বারের এর এমসিকিউ এবং নতুন করে ৩০ নম্বরের লিখিত অংশ যুক্ত করতে পারে। ফলে ১০০ নাম্বারের প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে পরীক্ষার্থীরা।
এছাড়া গুচ্ছ তে যাবার পক্ষে নেই শিক্ষার্থীরা। এরা বলেন, শাবিপ্রবির প্রশ্ন অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা। শাবি এ জায়গায় অনন্য। আর যদি গুচ্ছ পদ্ধতি হয় তাহলে প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে। যা কি না শাবির রেকর্ডে এমন কলঙ্ক নেই।
এর আগে গতকাল বুধবার করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে আটকে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারণের ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সরাসরি গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরা দুটি পাবলিক পরীক্ষা অতিক্রম করে এসেছে। এদের জেএসসি ও এসএসসির ফলের গড় অনুযায়ী এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে।
বর্তামনে শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। আর ৩০ নম্বর থাকে এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ-এর উপর ভিত্তি করে। এক্ষেত্রে এসএসসির জিপিএ ২ দিয়ে গুণ (২*৫=১০) আর এইচএসসির জিপিএ ৪ দিয়ে (৪*৫=২০) গুণ করে মোট ৩০ নম্বর মূল্যায়ন করা হয়।
পরীক্ষা না নিয়ে এইচএসির ফল নির্ধারণ হলে শিক্ষার্থীর প্রকৃত মেধা যাচাই হবে না। ফলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ২০ নম্বরে জেসএসসি, এসএসসি পরীক্ষায় খারাপ করা শিক্ষার্থীর বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। আবার কেউ কেউ অতিরিক্ত নম্বর পেয়ে গিয়ে মেধাতালিকায় এগিয়ে থাকবে।
উপাচার্য বলেন, আমরা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করব। বিগত বছরগুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে সরে এসে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করব যাতে কোনো শিক্ষার্থী বঞ্চিত না হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর যাতে মেধার মূল্যায়ন হয়। তবে ‘বিশেষ পদ্ধতি’ বা ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ কীরকম হবে তা এখনই পরিষ্কার নয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল