নবীগঞ্জে বাথরুম ড্রেনেজের ময়লা পানি : দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকার মানুষ, স্কুল কলেজ খুললে এই সমস্যায় পড়বে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

নবীগঞ্জে বাথরুম ড্রেনেজের ময়লা পানি : দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকার মানুষ, স্কুল কলেজ খুললে এই সমস্যায় পড়বে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী

প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২০

নবীগঞ্জে বাথরুম ড্রেনেজের ময়লা পানি : দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকার মানুষ, স্কুল কলেজ খুললে এই সমস্যায় পড়বে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি
বেশকয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্টান রয়েছে এই সড়কে। যদি ও করোনাভাইরাসের জন্য সেসব প্রতিষ্টান গুলো বন্ধ রয়েছে এরই মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে চরম সমস্যায় পড়বেন কয়েক হাজার শিক্ষার্থীও। নবীগঞ্জ পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বাথরুম ড্রেনেজের ময়লা পানিতে দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকার মানুষসহ পথচারীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ পৌর শহরের ওসমানী রোড কামাল ইউনুস শপিং সেন্টার (নবীগঞ্জ পাঁচ তলা ভবন) নামে পরিচিত শপিং সেন্টারের বাথরুমের ময়লা পানি ভাসছে মূল সড়কে। এতে করে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীসহ পথচারী লোকজন। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির নাম নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির প্রয়াত নেতা মরহুম এডঃ আব্দুস শহিদ (গোলাপ)। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন তিনি। দলের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল তার। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়কে বাথরুমের দুর্গন্ধজনিত পানি জমছে প্রতিনিয়ত। এদিকে এই সড়কের এমন অবস্থা দেখে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীসহ স্থানীয় এলাকাবাসীর। অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, নবীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীট হিরামিয়া গালর্স হাই স্কুল, দারুল উলুম মার্দ্রাসা ও এতিমখানা, উমেন্স আইডিয়াল কলেজ এন্ড ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, মহিলা মাদ্রাসা, সবুজ কুড়ি কেজি স্কুল এসব শিক্ষাপ্রতিষ্টানসহ একটি মসজিদ রয়েছে এই সড়কে। ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ময়লা পানির উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত মসজিদে নামাজে যেতে হয়। দুঃখের বিষয় এই যে নবীগঞ্জ পৌরসভার অধিকাংশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিই সড়কটি দিয়ে চলাচল করছেন তবে কারো নজর আসছে না। এব্যাপারে নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছাবির আহমদ চৌধুরী বলেন, কামাল ইউনুস শপিং সেন্টারের মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। মালিকপক্ষ বলছে বিষয়টি সমাধানের জন্য পৌরসভার মেয়র বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে।