নানামুখি অভিযোগের মধ্যে দিয়ে শাবিতে ভর্তি পরীক্ষা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

নানামুখি অভিযোগের মধ্যে দিয়ে শাবিতে ভর্তি পরীক্ষা

প্রকাশিত: ১১:৩৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৯

নানামুখি অভিযোগের মধ্যে দিয়ে শাবিতে ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের যানবাহন সংক্রান্ত ভোগান্তি লাঘব করার জন্য এগিয়ে এসেছে সিলেটের একদল তরুণ। ‘সিলেট বাইকিং কমিউনিটি (এসবিসি)’ ও ‘বুস্টার্স’ নামে দুইটি সংগঠন এই সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে ফ্রিতে ২০টি বাস দেয়া হয়েছে।
উদ্যোক্তারা জানান, সিলেটে গণপরিবহন না থাকায় পরীক্ষার্থীদেরকে সিএনজি অটোরিকশার উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করতে হয়। আর সেই সুযোগে সিএনজি চালকেরা ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করে থাকে। এতে একদিকে যেমন সিলেটের সুনাম নষ্ট হয় অন্যদিকে ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।
শিক্ষার্থীদের কাঙ্খিত পরীক্ষা কেন্দ্রে সুন্দরভাবে পৌঁছে দিতে স্বেচ্ছায়, বিনা পারিশ্রমিকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিলেটি বাইকাররা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হতে শিক্ষার্থীদের আশেপাশের কেন্দ্র সনাক্তকরণে ও নিরাপদে পৌঁছে দিবে। তাই তারা শহরের ৯টি পয়েন্ট নির্বাচন করেছে এবং প্রত্যেকটি পয়েন্টে ১০-১৩টি বাইক থাকবে। যেখানে থাকবে তাদের স্বেচ্ছাসেবী ও প্রয়োজনীয় বাইকার্স।
যেকোনো প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবীদের নাম্বারে শুধু মাত্র পরীক্ষার দিন যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। তাছাড়া কন্ট্রোল রুমের অধীনে আরো ১০ জন বাইকার থাকবে।
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও স্বেচ্ছাসেবীদের নাম ও নাম্বার হল, সুবিদবাজার পয়েন্টে স্বেচ্ছাসেবী সাগর আহমেদ ০১৭১০৫৬১৩৩৭, আব্দুল্লাহ আল মামুন ০১৭৪৫৯০৪৭৯১, চৌহাট্টা পয়েন্টে নুপুর দে- ০১৭৬৩৮০৩৯০০, পারভেজ- ০১৮৩৭৮৪৪১৭৯, মদিনা মার্কেট পয়েন্টে আফজাল নাঈম-০১৭৬৫৬৫৯০৯৩, পান্ডব ০১৭৩০০০৬০৩৬, বন্দরবাজার পয়েন্টে রাজিব কুমার রায় ০১৭১৮৫১৩৭৯৫, রশীদ- ০১৭১১৯১১০৩৮, জিতু মিয়ার পয়েন্ট ও কাজীরবাজার ব্রিজে অনুপম ০১৭৩৩৫০০৪২৬, নাইওরপুল পয়েন্টে সুব্রত হাজরা ০১৭২১৪২৩৫৮৭, এমাদ- ০১৭১৯৬৯৮০৩১, টিলাগড় পয়েন্টে জাহাঙ্গীর আলম ০১৭২৮৩৪২৯৭৫, প্রমথ ০১৭৩৯৭১৬৮৬০, আম্বরখানা পয়েন্টে আরিফ ০১৭২০১৪৬৩৩৭, নুরুল করিম ০১৭২৩৮৬৬০৪৯, রিকাবীবাজার পয়েন্টে সাইফুল ০১৭১২০১০১১০ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ০১৭১৪৪০২৫২৪ এর সাথে যোগাযোগ করলেই শিক্ষার্থীরা পেয়ে যাবেন মোটর সাইকেল।
তাছাড়া এসবিসি’র ০১৭৩৪-০০৪৬৩৬, ০১৭১৭-০৯২৭৭৯, ০১৭১০-২১১২৭২ এবং ০১৭২৯৮৮১৬৩২ কন্ট্রোল রুমের নাম্বার সমূহে কল করে যেকোনো তথ্য জানতে পারবেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।
এদিকে দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে ভর্তিচ্ছুদের সহায়তার জন্য ফ্রিতে যাতায়াতের জন্য ২০টি বাস দেওয়া হয়েছে। ২০ টি বাসের মধ্যে ১০ টি বাস কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেল স্টেশনে থাকবে। ৫ টি বাস রিকাবিবাজার পয়েন্টে, ১ টি করে বাস আম্বরখানা, জেলরোড, সোবহানীঘাট, শহীদ মিনার ও জিন্দাবাজার পানসী রেস্টুরেন্টের সামনে থাকবে। প্রত্যেকটি বাস নির্ধারিত স্থান থেকে সকাল ৭টায় পরীক্ষার্থীদের নিয়ে সিলেট শহরের বিভিন্ন কেন্দ্র হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসবে। শিক্ষার্থীরা যাতে বাসে ফ্রি যাতায়াতের বিষয়টি জানতে পারে এই জন্য আবাসিক হোটেল ও বিভিন্ন পয়েন্টে লিফলেট, ব্যানার-ফেস্টুন দেয়া হচ্ছে। এছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পরীক্ষার কেন্দ্রের অবস্থান নির্দেশক সাইনবোর্ড দেওয়া থাকবে এবং সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবক থাকবে বলে জানিয়েছেন সিলেট চেম্বারের সভাপতি সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়েব। ‘দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’, ‘সিলেট বাইকিং কমিউনিটি’ ও ‘বুস্টার্স’র পক্ষ এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সিলেটের সচেতন মহল। এভাবে সবাই এগিয়ে আসলে ভর্তিচ্ছুদের কোন ধরনের দূর্ভোগ পোহাতে হবে না বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে দেশের শীর্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটে ১০০ টি সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১৭০৩ টি আসনের বিপরীতে এ বছর আবেদন করেছেন মোট ৭০ হাজার ৫৪৩ জন শিক্ষার্থী। প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৪২ জন পরীক্ষার্থী।
এই ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে শুক্র ও শনিবার সিলেটে আসবেন প্রায় দেড়লক্ষ মানুষ। কিন্তু সিলেটের সবগুলো হোটেল ও রিসোর্ট মিলিয়ে ধারণ ক্ষমতা ১০ হাজারের বেশী নয়। ফলে পরীক্ষার জন্য সিলেটে আসা ৯০ ভাগ মানুষই সিট পাচ্ছেন না হোটেলে। ফলে যারা আজ শুক্রবার সিলেটে এসে পৌঁছাবেন তাদের হোটেলে সিট পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
হোটেলগুলোতে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দু’সপ্তাহ আগে শুক্র, শনি ও রবিবারের রুমগুলো বুকিং হয়ে গেছে। খালি নেই সিলেটের নিম্নমানের হোটেলগুলোর রুমও।
এছাড়া, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ আজ সিলেটে আসছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সিলেটগামী ট্রেন ও বাসের টিকেট সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এতে করে পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে।
গতকাল সিলেট থেকে আসা ৬/৭ শিক্ষার্থী জানান, সিলেটের জিন্দাবাজার, দরগাহ, আম্বরখানা, বন্দরবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার আবাসিক হোটেল ঘুরে কোন সিট পাননি। ফলে আজ শুক্রবার কোথায় রাত্রিযাপন করবেন এ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন।
এ ব্যপারে জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল গ্র্যান্ড ভিউর পরিচালক ইশতিয়াক হামিদ ইফতি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার্থীরা আগে থেকেই হোটেলের রুমগুলো বুকিং করে রেখেছেন। রবিবার পর্যন্ত রুম খালি নেই। শুক্রবার অনেকেই হোটেলে রুম খুজতে এসেছেন তাদের বেশীরভাগই পরীক্ষার্থী কিন্তু তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিট ও বিকাল আড়াইটায় বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে শুধু রাত্রিযাপন করে পরীক্ষা দিয়েই ভোগান্তির শেষ নয়। শনিবার দুপুরের পর থেকে সিলেট থেকে দেশের অন্যান্য এলাকায় যাওয়ার কোন বাস বা ট্রেনের সিট খালি নেই। এমন অবস্থা ২৮ অক্টোবর সোমবার পর্যন্ত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী আসন সংকট চট্টগ্রামগামী বাস ও ট্রেনগুলোতে। কারণ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। সিলেটে পরীক্ষা শেষ করে বেশীরভাগ পরীক্ষার্থীই সরাসরি চট্টগ্রামে অংশ নিতে যাবেন।
এ ব্যপারে এনা পরিবহণের সোবহানিঘাট এলাকার টিকেট বুথের ইনচার্জ জানান, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার কোন বাসের সিট নেই। একই অবস্থা ঢাকার পথেও। তবে ঢাকাগামী ২-১টি বাসে কিছু সংখ্যক সিট খালি আছে।
এদিকে সিলেট রেলেওয়ে স্টেশনের টিকেট কাউন্টারে গিয়েও দেখা গেছে একই অবস্থা। ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেট থেকে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার কোন ট্রেনের সিট খালি নেই। আর ২৭ অক্টোবর উদয়ন ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় চাপ আরো বেড়েছে বলে জানা গেছে।
বাস ট্রেনের চাপ পড়েছে বিমানেও। সিলেট-ঢাকা রুটে যাতায়াতকারী বিমানগুলোর ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা গেছে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত টিকেট সংকট। তবে কিছু কিছু ফ্লাইটের টিকেট থাকলেও সেগুলো সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে।
শাবিপ্রবি প্রশাসনের ভর্তি পরীক্ষার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আনোয়ার হোসাইন বলেন, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৭০৩টি আসনের বিপরীতে এবার আবেদন করেছে ৭০ হাজার ৫৫৪ জন শিক্ষার্থী। সে হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে ৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। শাবিপ্রবি প্রশাসনের ভর্তি পরীক্ষার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেন জানিয়েছেন ভর্তি পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক
এদিকে সিলেট সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, পরিবহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সাথে যাতে কোনো ধরনের অসদাচরণ না হয় সেজন্য একাধিক টিম গঠন করেছে সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন। পরীক্ষার দিন সকালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর আশপাশে নজরদারি করবে তারা।
অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ মো. জেদান আল মুসা বলেন, পরীক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও ভাড়া নৈরাজ্য প্রতিরোধসহ ১৩ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা জানিয়েছে তারা। উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ধাপে ভর্তি পরীক্ষা দিতে সিলেটে এসে কেউ যেনো কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এমন প্রত্যাশা পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৪২ জন শিক্ষার্থী। শনিবার ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘এ’ ও ‘বি’ এই দুই ইউনিটে ১ হাজার ৭০৩টি আসন রয়েছে। যার বিপরীতে আবেদন জমা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৪৩টি।
আরও জানা যায়, ‘এ’ ইউনিটে ৬১৩ টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২৭ হাজার ৩৯টি এবং ‘বি’ ইউনিটে ৯৯০ টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন মোট ৪৩ হাজার ৫০৪ জন পরীক্ষার্থী।
এদিকে ‘বি’ ইউনিটের বি১ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৪০ হাজার ৫৪১ জন ও বি২ ইউনিটে আবেদন করেছেন ২ হাজার ৯৬৩ জন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৭০৩টি আসনের মধ্যে মুক্তিযাদ্ধোর সন্তান (২৮), ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী/জাতিসত্ত্বা/হরিজন-দলিত (২৮), প্রতিবন্ধী (১৪), চা শ্রমিক (৪), পোষ্য (২০) এবং বিকেএসপি কোটায় (৬) জনের জন্য ১০০টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।
শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, প্রতিবছরের মতো এবারো বহু নির্বাচনী পদ্ধতিতে ৭০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের জিপিএ’র উপর থাকছে সর্বোচ্চ ৩০ নম্বর। এদিকে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় পাবেন ভর্তিচ্ছুরা। তিনি আরও জানান, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ও তা সম্পন্ন করা হয়েছে।