নাহিদ-মিসবাহ-কামরানদের সংবর্ধনা

প্রকাশিত: ৯:০২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৬

নাহিদ-মিসবাহ-কামরানদের সংবর্ধনা

32118৩০ অক্টোবর ২-১৬. রবিবার: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, প্রেসিডিয়াম,  এবং কেন্দ্রীয় কমিটিতে এবার জায়গা করে নিয়েছেন সিলেটের ছয় নেতা। এদের মধ্যে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমন্ডলীতে (প্রেসিডিয়াম) প্রথমবারের মতো জায়গা হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের। তৃতীয়বারের মতো সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। এছাড়া ওয়ার্কিং কমিটিতে প্রথমবারের মতো সদস্য হয়েছেন সিলেটের সাবেক সিটি মেয়র, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।

আর উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির তিন সদস্য-অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, দপ্তরবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, বর্ষিয়ান নেতা সৈয়দ আবু নছর।

এই ছয় কেন্দ্রীয় নেতাকে নিয়ে উল্লসিত সিলেট আওয়ামী লীগ। তাদেরকে বিরাট সংবর্ধনা দিতে চায় সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। এলক্ষে রোববার সভা আহ্বান করা হয়েছে।

৯ নভেম্বর এই ছয় নেতাকে নগরীতে গণসংবর্ধনা দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। পরদিন ১০ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন সকাল ১০টায় গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকায় এবং বিকেলে বিয়ানীবাজারে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে সিলেটের নতুন এ প্রেসিডিয়াম মেম্বারকে।

এদিকে, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি উদ্যোগে প্রায় ৩শ’ তোরণ নির্মাণ করা হবে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে রোববার (৩০ অক্টোবর) বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। তবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে তোরণ নির্মাণের ব্যাপারে তিনি বলেন, এগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, ৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এজন্য ভেন্যু হিসেবে রেজিস্ট্রি মাঠ দেখা হচ্ছে।

গোলাপগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন বলেন, শিক্ষামন্ত্রী এ অঞ্চলের কৃতিসন্তান। প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পৌর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। এবার শিক্ষামন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে চাই।