নড়িয়ায় বোমা বানাতে গিয়ে ২ যুবক আহত – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

নড়িয়ায় বোমা বানাতে গিয়ে ২ যুবক আহত

প্রকাশিত: ৪:০৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৮

নড়িয়ায় বোমা বানাতে গিয়ে ২ যুবক আহত

নড়িয়া উপজেলার মশুরা গ্রামে বোমা বানাতে গিয়ে ২ যুবক আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতের এ ঘটনায় আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে একজনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নড়িয়া থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত ১০টায় নড়িয়া উপজেলার মশুরা গ্রামের রহমান পেদার বাড়ির সামনে পেদা মার্কেটের কাছে ৪/৫ জন যুবক ককটেল বানাতে যায়। এক পর্যায়ে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে।

এতে শিরঙ্গল গ্রামের মোতালেব খালাসীর ছেলে শাহিন খালাসী (২০) এর বাম হাতের বাহু পুড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

তারই সহযোগী শিংগল গ্রামের বাদশা সরদারের ছেলে হৃদয় সরদারের(১৯) বাম চোখে মারাত্মক জখম হয়। রাত অনুমান ১১টায় আহতদের স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা শিশির উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি করান বলে ভোজেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ সিকদার জানান। হৃদয় সরদারের অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে ওই রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে নড়িয়া থানার পুলিশ হাসপাতালে ছুটে আসে। এ সময় শাহিন খালাসী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি হাসাপাতাল থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।

এ ব্যাপারে ভোজেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ সিকদার বলেন, আহত শাহিন খালাসী ও হৃদয় সরদার নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইসমাইল হক সমর্থক। এরা আহত হওয়ার পরে শিশির নামে এক ছাত্রলীগ নেতা তাদেরকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যায়। তারা আমাকে ও আমার লোকজনদের ক্ষতি করার জন্যই বোমা বানাতে গিয়েছিল বলে আমার ধারণা। তারা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি ও সংঘর্ষ বাধানোর প্রস্তুতি হিসেবে বোমা তৈরি করতেছিল বলে জানতে পেরেছি।

নড়িয়া থানা ওসি মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। আহত একজনকে ঢাকায় নিয়ে গেছে।

অন্য একজনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লিখিত কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় কোনো মামলা করা হয়নি।

নড়িয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম ইসমাইল হক বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমি ঘটনা শুনেছি। আহতরা আমার লোক নয়।