পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত: ৮:০৭ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০১৬

পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

awবিয়ানীবাজারের আলীনগরে জমি দখলে বাধা দেয়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার প্রতিপক্ষ। নিহত মাহতাব উদ্দিন (৪৫) ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এবং আলীনগর গ্রামের মৃত মখদ্দছ আলীর পুত্র। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বাড়ি এবং পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পান পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে পুলিশ এ সময় ৮ জনকে আটক করে। গতকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, নিহত মাহতাব উদ্দিনের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে রুবেল-সুমনদের বিরোধ চলছিল। গত কয়েকদিন থেকে এ বিরোধ ফের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এর জের ধরে বুধবার সকালে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে পুলিশসহ বিরোধীয় জমি দখলে যান রুবেল-সুমন পক্ষের লোকজন। এ সময় মাহতাব উদ্দিন বাধা দিলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার উপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মাহতাব উদ্দিন। এ সময় বিয়ানীবাজার থানার এএসআই শাহ আলমসহ কয়েকজন কনস্টেবল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএম বদরুজ্জামান জানান, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর ঘটনার তদন্তে গিয়েছিলেন এএসআই শাহ আলম। যিনি মারা গেছেন তিনি পুলিশের কাছে দাখিল করা অভিযোগের ৪নং বিবাদী। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী যুবক মো. ছাদ উদ্দিন জানান, অভিযোগের তদন্তে গিয়ে এএসআই শাহ আলম বাদী পক্ষকে উস্কানি দেন।
এদিকে ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বাড়ি এবং এএসআই শাহ আলমসহ পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে রাখে। পরে বিয়ানীবাজার থানার ওসি মো. জুবের আহমদ বিপুল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আরো উত্তেজনা দেখা দেয়। এলাকাবাসী তখন নিহতের লাশ নিয়ে মিছিল বের করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। ওসি মো. জুবের আহমদ জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই শেষে এদের নাম পরে জানানো হবে।