প্রধানমন্ত্রী কি উজাড় করে দিতেই দিল্লী সফরে গেছেন প্রশ্ন রিজভীর – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

প্রধানমন্ত্রী কি উজাড় করে দিতেই দিল্লী সফরে গেছেন প্রশ্ন রিজভীর

প্রকাশিত: ৫:৫৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০১৭

প্রধানমন্ত্রী কি উজাড় করে দিতেই দিল্লী সফরে গেছেন প্রশ্ন রিজভীর

নিজস্ব প্র‌তি‌বেদক: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে শুধু ভারতের কাছে উজাড় করে দিতেই দিল্লী সফরে গেছেন বলে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রশ্ন তুলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে আছেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের জনমতকে উপেক্ষা করে প্রতিরক্ষাসহ ৩৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর বিষয়ে জনগণ কিছুই জানে না। জনগণকে না জানিয়ে অন্যদেশের সাথে চুক্তি নিশ্চুয়ই অশুভ উদ্দেশ্যেই করা হয়। এধরণের চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করা হয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জনগণ এখন চিন্তিত।

তিনি আরো বলেন, গ্রাম থেকে শহর সর্বত্রই এখন মানুষের মুখে একটিই আলোচনা-নিজের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কী আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করে দিলেন ? সকল মানুষের প্রশ্ন-কি আছে এই চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলিতে ? দেশের মানুষ প্রতিরক্ষা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরকে দেশবিনাশী স্বাক্ষর হিসেবেই সন্দেহ করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকন্ঠিত হয়ে পড়ছেন। সংবিধানে পরিস্কার বলা আছে-অন্য দেশের সাথে কোন চুক্তি করতে হলে জাতীয় সংসদে তা উপস্থাপন করতে হয়। অথচ ভারতের সাথে বর্তমান আওয়ামী সরকার এ পর্যন্ত অসংখ্য চুক্তি করেছে, কিন্তু কোন চুক্তিই জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হয়নি। এটা সুস্পষ্টভাবে সংবিধান লঙ্ঘন।

তিস্তার পানি চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পূর্বে আমরা দলের পক্ষ থেকে বারবার বলেছি-দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে কোন চুক্তি করা হলে জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না। ভোটারবিহীন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতে তিনি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। অথচ বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার তিস্তা চুক্তি সম্পাদন করতে প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।

গতকালও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপ্যাধায় গণমাধ্যমে বলেছেন-তিস্তার পানি ছিনিয়ে নিতে দেবো না। এধরণের বক্তব্যে এটি পরিস্কার যে, তিস্তা চুক্তি আলোর মুখ দেখছে না। তাহলে কী প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশকে শুধু ভারতের কাছে উজাড় করে দিতেই দিল্লী সফরে গেছেন ? আর এজন্যই কী ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রটৌকল ভেঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থণা জানাতে দিল্লী বিমান বন্দরে গিয়েছিলেন ? বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে উজাড় করে দেয়ার বিনিময়ে বাংলাদেশের প্রাপ্তির খাতা শুণ্য।

তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০১৭
ব্রিফিং : এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
সবাইকে শুভেচ্ছা।
আপনারা জানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে আছেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের জনমতকে উপেক্ষা করে প্রতিরক্ষাসহ ৩৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর বিষয়ে জনগণ কিছুই জানে না। জনগণকে না জানিয়ে অন্যদেশের সাথে চুক্তি নিশ্চুয়ই অশুভ উদ্দেশ্যেই করা হয়। এধরণের চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করা হয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জনগণ এখন চিন্তিত। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্রই এখন মানুষের মুখে একটিই আলোচনা-নিজের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কী আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করে দিলেন ? সকল মানুষের প্রশ্ন-কি আছে এই চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলিতে ? দেশের মানুষ প্রতিরক্ষা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরকে দেশবিনাশী স্বাক্ষর হিসেবেই সন্দেহ করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকন্ঠিত হয়ে পড়ছেন। সংবিধানে পরিস্কার বলা আছে-অন্য দেশের সাথে কোন চুক্তি করতে হলে জাতীয় সংসদে তা উপস্থাপন করতে হয়। অথচ ভারতের সাথে বর্তমান আওয়ামী সরকার এ পর্যন্ত অসংখ্য চুক্তি করেছে, কিন্তু কোন চুক্তিই জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হয়নি। এটা সুস্পষ্টভাবে সংবিধান লঙ্ঘন। আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’ পক্ষ থেকে মানুষের মনের ভয় ও উদ্বেগ-উৎকন্ঠা দুর করতে অবিলম্বে ভারতের সাথে করা সকল চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশের জোর দাবি জানাচ্ছি।

সাংবাদিক বন্ধুরা,
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পূর্বে আমরা দলের পক্ষ থেকে বারবার বলেছি-দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে কোন চুক্তি করা হলে জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না। ভোটারবিহীন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতে তিনি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। অথচ বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার তিস্তা চুক্তি সম্পাদন করতে প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। গতকালও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপ্যাধায় গণমাধ্যমে বলেছেন-তিস্তার পানি ছিনিয়ে নিতে দেবো না। এধরণের বক্তব্যে এটি পরিস্কার যে, তিস্তা চুক্তি আলোর মুখ দেখছে না। তাহলে কী প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশকে শুধু ভারতের কাছে উজাড় করে দিতেই দিল্লী সফরে গেছেন ? আর এজন্যই কী ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রটৌকল ভেঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থণা জানাতে দিল্লী বিমান বন্দরে গিয়েছিলেন ? বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে উজাড় করে দেয়ার বিনিময়ে বাংলাদেশের প্রাপ্তির খাতা শুণ্য।

বন্ধুরা,
আগামী ১৬ এপ্রিল ২০১৭ ফরিদপুরে মধুখালী উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পূর্বের ন্যায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভোট ডাকাতি, ভোটারদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদানসহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি পুলিশের ওসিও মাইকযোগে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। আর এসব ঘটছে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সহযোগিতায়। সিইসি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যতগুলি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো সবগুলোতেই আগের সেই ভোট ডাকাতি ও রক্তাক্ত সন্ত্রাসের প্রতিচ্ছবি চোখে পড়েছে। সরকারী সন্ত্রাস মোকাবেলা করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হলে বর্তমান সিইসি ঠুটো জগন্নাথ হিসেবেই গণ্য হবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল