প্রবাসীদের দেখার কেউ নেই – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

প্রবাসীদের দেখার কেউ নেই

প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২০

প্রবাসীদের দেখার কেউ নেই
ফাহাদ আহমদ
কোভিড – ১৯ মাহামারী করোনা ভাইরাসে প্রবাসীরা ভালো নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। ইউরোপীয় দেশ গুলো যেমন, আমেরিকা, লন্ডন, স্পেন, কানাডা, ইতালি, ফ্রান্স, গ্রীস, ব্রাজিল সহ দেশগুলোতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার বাংলাদেশী প্রবাসী ভাই। দুমোটু ভাত যোগানুর জন্য পাড়ি দিতে হয় হাজার ও মাইল দূর। আত্মীয় স্বজনরা ছেড়ে। প্রবাসী ভাইদের এই লকডাউনে কেউ রাখে কারও খবর। ইউরোপে অনেক হোটেল, রেষ্টুরেন্ট বন্দ থাকার কারণে অসহায় ও কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার ও প্রবাসী।
যেমন, মধ্যেপ্রাচ্যের দেশগুলো সৌদি আরব, দুবাই, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইন সহ এই সব দেশ গুলোতে বিভিন্ন পেশায় বাংলাদেশী কর্মরত ছিলো। বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক কোম্পানির কাজ বন্দ। কন্ট্রাসনের কাজ বন্দ অনেক হোটেল, রেষ্টুরেন্টে বন্দ, অনেক দোকান বন্দ, বিভিন্ন সেক্টররে কাজ করতো আজ এগুলো লক ডাউনের কারণে বন্দ। আবার অনেক কোম্পানির মালিক লেবারের খুঁজ নিচ্ছেনা। কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার ও প্রবাসী। আজ তারা ভালো নেই। অনেক প্রবাসী ভাই রুম ভাড়া মেছের খানার বিল বিজলী বিল এসব দিতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রায় দুই মাস থেকে কর্মহীন মানুষ গুলো। কবে যেন স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসে সেই প্রহর গুনছে প্রবাসীরা। অনেক প্রবাসী ভাই দেশে ছুটিতে গেছে ছুটির সময় শেষ হয়ে গেছে। কর্মস্হলে ফিরতে পারবে কী না তা নিয়ে চিন্তিতো। করোনা ভাইরাসের কারণে ফ্লাইট নেই এদের করুণ অবস্থা। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ, আবার যারা প্রবাস আছে তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। যার কারণে বাড়িতে দিতে পারছেনা টাকা ফ্যামলি গুলো খুব কঠিন সময় পার করছে। সে না পারছে নিজে খাইতে না পারছে পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আজ প্রবাসী ভালো নেই। ছুটিতে অবস্থায় যারা দেশে আছে তারা সংকটের মধ্যে আছেন। তারা আবার প্রবাসে ফিরতে পারবে কী না তা নিয়ে চিন্তিতো। এক ধরণের দূর্যোগ দূরভিহ্ম সময় পার করছে। এই প্রবাসীদের পরিবার গুলো খুব অসহায়। আমি আমার বাংলাদেশ সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানাই। সরকার কিছুটা হলো ও প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী এম্বোসীতে কিছু টাকা অনুদান দিয়েছেন। সেগুলো থেকে বাংলাদেশ এম্বোসীর লোকজন প্রবাসীর জন্য খাদ্য সামগ্রী দিছে। অনেকে চাল ডাল পেয়েছে অনেকে পাইছেনা। আমি বাংলাদেশর একজন সাধারণ নাগরিক হয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাই। যে, প্রবাসীরা হচ্ছে এদেশের সন্তান। এদের রেমিট্যান্সে আমার বাংলাদেশর অর্থনৈতি চাকা সচল থাকে। বাংলাদেশেে দুই ধরনের যোদ্ধা আছে। এক হচ্ছে যারা স্বাধীনতা যোদ্ধে অংশগ্রহন করেছিল। দ্বিতীয় হচ্ছে, রেমিট্যান্স যোদ্ধা যাদের পরিশ্রমের টাকায় আমার দেশের অর্থনৈতি সচল থাকে। আমি আশা রাখি সরকার অতি শীঘ্রই ঘোষণা দিবো যারা প্রবাসে করোনা রুগে মারা যাবে, তাদের পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার জন্য। এবং বিভিন্ন দেশে থেকে কর্মহীন হয়ে দেশে ফেরা প্রবাসী ভাই গুলোর জন্য আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া। বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী মন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ রইলো। প্রবাসীদের সব সময় যেন পাশে থাকেন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •