ফুটপাত থেকে লক্ষ টাকার চাঁদা আদায় করেন লোকমান-রুমন ও সুমন – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

ফুটপাত থেকে লক্ষ টাকার চাঁদা আদায় করেন লোকমান-রুমন ও সুমন

প্রকাশিত: ১১:৩৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৯

ফুটপাত থেকে লক্ষ টাকার চাঁদা আদায় করেন লোকমান-রুমন ও সুমন

নিজস্ব প্রতিবেদক
এমন একটি শ্রেণী যাদের সাথে প্রতিনিয়ত, প্রতিমূহুর্ত আমাদের দেখা হয় এমনকি সাক্ষাত ও হয়। লাক্সারি শপ থেকে যাদের বাজার করার সামর্থ্য নেই তাদেরকেই বেশি দেখা যায় এসব জায়গায়। হোক কাপড়, জুতা, কসমেটিক্স অথবা সবজি বাজার। স্বল্পমূল্যে কেনাকাটা করে তাদের প্রতিদিনের জীবিকা নির্বাহের জন্য সেখানে আসতে হয়। আর যারা ব্যবসা পরিচালনা তারাও স্বল্প পুজিঁ নিয়ে ব্যবসা করতে আসে।
বলছি সিলেট নগরীর বন্দরবাজার-জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা এলাকার কথা। ফুটপাতে বসে ব্যবসা করে যারা। প্রায়ই তাদেরকে হকার্স বলে সম্বোধন করা হয়। এরা অবৈধভাবে মানুষের হাঁটা-চলার রাস্তায় ব্যবসা পরিচালনা করে। বন্দরবাজার-জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা এই তিনটি এলাকার ফুটপাতে দেখা যায় কেউ কেউ কাপড়ের ব্যবসা, কেউবা সবজি, কেউবা মাছ, কেউবা জুতো, কেউবা কসমেটিক্স, কেউবা মাটির তৈরি জিনিসপত্র, কেউবা খেলনা বিক্রি করছেন। কিন্তু তাদেরকে এই ব্যবসা করতে গিয়ে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। মেয়র আরিফুল হক বিভিন্ন সময় বলেছেন, এই হকার্সদের পুনর্বাসন করে তবেই তাদেরকে তিনি এখান থেকে উচ্ছেদ করবেন। মেয়র আরিফ বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে তাদের কাপড়, সবজি, মাছ নিয়ে যান তাদেরকে সায়েস্তা করার জন্য। তবে আশ্চর্য্যরে বিষয় যখন তিনি এগুলো নিয়ে হকার্স ব্যবসায়ীরা যখন তাদের জিনিসগুলো আনতে যায় তখনও তাদেরকে টাকার বিনিময়ে নিয়ে আসতে হয়। অন্যতায় মেয়র সেগুলো বিক্রি করে দেন।
মেয়র আরিফ পুলিশকে নিয়ে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করেন। আবার তাদের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করান লোক দিয়ে। তবে তারা কিভাবে পরবর্তীতে আবার সেখানে বসে যায় এনিয়ে রয়েছে রহস্যের বেড়াজাল। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে মূলরহস্য। লোকমান-রুমন-সুমন এই তিনব্যক্তি সাধারণভাবে ওইসব ভাসমান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন। ভয়ে ওই ব্যবসায়ীরা মুখে খুলতে চাননা।
নগরীর ফুটপাত থেকে কাদের জন্য টাকা উত্তোলন করেন লোকমান, রুমন ও সুমন? এমন প্রশ্ন এখন সবার মাঝে। প্রত্যেকদিন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তাদের নগরীর রাস্তার পাশ থেকে টাকা উত্তোলন করতে দেখা যায় তাদের। তারা কাদের জন্য টাকা উত্তোলন করছে, তা নিয়ে রহস্য খুজঁতে গিয়ে বেরিয়ে আসছে আরো মূলত দেখা দিয়েছে। তদন্তে জানা যায় সিসিক মেয়রের, পুলিশ ও স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জন্য তারা চাঁদা আদায় করেন।