বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তিকারী যুবদল ক্যাডার কালা সুমন ও তার দল গংদের বাচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বাংলার বারোদ পত্রিকার সম্পাদক বাবর – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তিকারী যুবদল ক্যাডার কালা সুমন ও তার দল গংদের বাচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বাংলার বারোদ পত্রিকার সম্পাদক বাবর

প্রকাশিত: ৯:০৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তিকারী যুবদল ক্যাডার কালা সুমন ও তার দল গংদের বাচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বাংলার বারোদ পত্রিকার সম্পাদক বাবর

সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সুযোগ্য কন্যা বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্লীল ছবি ও কুরুচিপূর্ন মন্তব্য করায় বিষয়টি যুবলীগ নেতা জাকারীয়া আহমদ জাকির তাপাদার এর চোখে পড়ে পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের সরনাপন্ন হন এবং সিনিয়রগণ সাইবার মামলা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। মামলা নং ৪৬/৪০৩।দ্বারা ৫৭(২) মামলার স্বাক্ষী ১। ঢাকা উত্তর তাতীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরীন জুলি ২। সাইফুল ইসলাম রিপন, বাংলা কলেজ ছাত্রলীগ সহসভাপতি ৩। সুজন মল্লিক সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ সদস্য ৫। রঞ্জন কুমার দাস ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগ সদস্য। কিন্তু আসামী কালা সুমন গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বাংলার বারোদ পত্রিকার সম্পাদক বাবর পাগলের মত যুবলীগ নেতার বিরোদ্ধে লিখালিখি শুরু করেছেন। এবং অনেক ভুল তথ্য এবং ছবি পত্রিকায় প্রকাশ করিতেছেন। আসামী কালা সুমনকে গত ৮/৯/২০১৮ ইংরেজী তারিখে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ফয়ছল মাহমুদ সাহেবের বিশেষ কৌশলে আসামী কালা সুমনকে রাত অনুমান ১১.৩০ মিনিটের দিকে তার বাড়ীর সামন থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ কিন্তু বাবর বারবারই পত্রিকায় প্রকাশ করে যাচ্ছিলেন একটি স্লীপের উপর আসামীকে জোরপুর্বক গ্রেফতার করা হয়েছে যা সাধারন জনগনের মনে সন্দেহের কারন হয়ে দাড়িয়েছে বা দাড়াচ্ছে উল্লেখ্য ঐ স্লীপে লেখা ছিল আসামীর স্বভাবচরিত্র কেমন এবং গ্রেফতার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাইতো ডিবি পুলিশের এই পদস্ত কর্মকর্তা বুঝে শুনেই গ্রেফতার করেছেন। পরে ১২/০৮/২০১৮ তারিখে কালা সুমন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জাবানবন্দী দেয়। এরপর থেকেই যুবদল ক্যাডার এবং জামাত শিবিরের ক্যাডাররা যুবলীগ নেতাকে প্রানে হত্যা সহ নানা ধরনের হুমকি দিতে থাকে এবং সাংবাদিক বাবর ঐদিকে পত্র পত্রিকায় লিখালিখি করেন। পরে নিরাপত্তা চেয়ে যুবলীগ নেতা জাকারিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেন। যাহার নং ১৫৩০। এত কিছুর পরেও দমে থাকেননি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এই অকুতভয় সৈনিক। পরে তিনি নিজে বাদী হয়ে আরেকটি তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করেন। যাহার নং ৭/৪৮৪ মামলার প্রায় একমাস পর তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদেও গ্রেফতার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার একটি নির্দেশনা ও লিখিত একটি কগজ আসে ঢাকা কাউন্টার টেরোজম ইউনিটের বিশেষ শাখা হতে পরে ২২ ডিসেম্বর রাত অনুমান ৯.৩০ ঘটিকায় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে গেলে মামলার বাদীসহ পুলিশের উপর আসামী গংদের দলিয় জামাত শিবির ক্যাডাররা হামলা চালায় এতে পুলিশ সহ মামলার বাদী যুবলীগ নেতা জাকির আহত হন। পরে দক্ষিনের ডিসি সুহেল আহমদ ও দক্ষিন এডিসি ক্রাইম জ্যোতিময় এর বিশেষ অবস্থানে আসামী কবির আহমদ ও আলী হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। কিন্তু আবার মাস না যেতেই শুরু হয় মোবাইল ফোনে হুমকি ৭২ ঘন্টার ভিতরে দেশিয়ে দিবে প্রমান সরুপ অডিও রেকডর্ যাহার তারিখ ১৩/১২/২০১৮ ঠিক ৭২ ঘন্টার পর অর্থাৎ ১৭/১২/২০১৮ ইং তারিখে বাংলার বারোদ পত্রিকা হতে যুবলীগ নেতা জাকারিয়ার বিরোদ্ধে অশ্লীল ভাষায় মন্তব্য প্রকাশ করা হয় এবং আসামীদেরকে বাচানোর জন্য সাধারন জনগনের মধ্যে বার্তা প্রচার করে বুঝাচ্ছেন যে আসামী কালা সুমন এবং তার দল গংরা মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়েছেন। বাবর কি বি এন পি এবং জামাত শিবিরের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়ে এগুলো করছে নাকি বড় অর্থায়নে রাষ্ট্র পুলিশ এবং যুবলীগ নেতার জাকারিয়ার বিরোদ্ধে বিভিন্ন মন্তব্য প্রকাশ করছে। উল্লেখ্য যে স্থানীয় জকিগঞ্জ আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করলে জানা যায় যুবলীগ নেতা জাকারিয়ার পরিচয়। তিনি সাবেক জকিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। এবং সিলেট জেলা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ছায়াতলে থেকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার নিবেদিত প্রান। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সিলেট-৫ আসনের নৌকার প্রার্থী হাফিজ আহমদ মজুমদার এর সাথে নিবিড় ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। জাকির আহমদের পুরো পরিবারই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করেন। ইতিমধ্যেই জাকিরের বোন জামাই নিজাম আহমদ চৌধুরী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জেদ্দা হতে নৌকার প্রচারনার জন্য দেশে এসেছেন। আরো জানা যায় জাকিরের পিতা মরহুম আব্দুছ ছবুর তাপাদার এবং কালিগঞ্জ বাজারের সুরমা মার্কেটের সত্বাধিকারী একজন সমাজ হিতৈষী সালিশ ব্যাক্তিত্য এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাত গ্রামের পঞ্চায়েত প্রথার সকল কার্যক্রমের ক্যশিয়ার হিসাবে দায়িত্ব পালন কওে গেছেন সততা ও নিষ্টা ও অন্তরিকাতার জন্য শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন তিনি। জাকির আহমদের দাদা আহাদ আহমদ তাপাদার প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। জাকির আহমদের মামা তুতা মিয়া মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখেন। স্থানিয় সুত্রে আরো জানা যায় বিগত জাতীয় নির্বাচন এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যুবলীগ নেতা জাকিরের বিশেষ ভুমিকা ছিল। বর্তমানে অনেককষ্টে থেকেও নির্বাচনকে সামনে রেখে নৌকা এবং শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বিশেষ ভুমিকা রেখে যাচ্ছেন। আরো উল্লেখ্য যেসাংবাদিক বাবর বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা দেওয়ার জন্য যুবলীগ নেতাকে মত প্রকাশ করেন যাহার প্রমান সরুপ একটি ফিরিস্তি পাওয়া গেল এমন কি বঙ্গবন্ধুর কটিুক্তিকারী কালা সুমন তার দলগংদের বিরোদ্ধে যে পত্রিকা সংবাদ প্রচার করিয়াছে সেই সাংবাদিকদের প্রতি বাবর বারবারই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সাংবাদিক বাবর জামাত বিএনপির পক্ষ নিয়ে নাকি বড় ধরণের অর্থপেয়ে জাতির পিতা ও তার কন্যা কটুক্তি কারিদের বাচানোর জন্য পুলিশ এবং যুবলীগ নেতার বিরোদ্ধে পত্রপত্রিকায় লিখালিখি করছেন। বাবরের এহেন মন্তব্যেজকিগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই এবং ৮নং কসকনকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং দলের স্থানীয় ছাত্রলীগ যুবলীগের নেত্রীবৃন্দ তিব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল