বাংলাদেশে আরো জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

বাংলাদেশে আরো জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত: ৩:৪৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০১৬

বাংলাদেশে আরো জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

63._134430যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিশ্বাস করে, বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা বিদ্যমান রয়েছে। যেকোনো বিদেশির ওপর এ ধরনের হামলা হতে পারে। ঢাকার জঙ্গি হামলার সঙ্গে আইএস, না অভ্যন্তরীণ জঙ্গিরা জড়িত, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার তদন্ত করছে। তদন্ত কাজ শেষ হোক, বাংলাদশে কর্তৃপক্ষ জানাক তদন্তে কী পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ সরকারের তদন্ত শেষ হলেই পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জন কিরবি এ কথা বলেছেন।
দেশটির এই মুখপাত্র এসময়ে বলেন, বাংলাদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। ঢাকায় জঙ্গি হামলার ঘটনার সঙ্গে আইএস, না অভ্যন্তরীণ জঙ্গিরা জড়িত, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার তদন্ত করছে। তদন্ত কাজ শেষ হোক, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানাক তদন্তে কি পাওয়া গেছে। তারপরই এ ব্যাপারে মন্তব্য করা যাবে। তবে ঢাকায় যে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটছে, এ ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শুক্রবার এক সাংবাদিক জানতে চান, জঙ্গিবাদের হুমকি মোকাবেলায়, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে কী সাহায্য করা হচ্ছে। জবাবে জন কিরবি বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সামগ্রিক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এখন বাংলাদেশ সরকার এটির তদন্ত করছে। আর আমরা জঙ্গিবাদ নিরসনের অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বদ্ধপরিকর।
পররাষ্ট্র দপ্তররে প্রেস ব্রিফিংয়ে ৬ জুলাই মার্কিন নাগরিকদের বাংলাদেশে ট্রাভেল অ্যালার্ট-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেন এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, চলমান জঙ্গি হামলা এবং চরমপন্থী সহিংসতার বিষয়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। গত ফেব্র“য়ারি মাসে একই ধরনের ট্রাভেল অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের চলাচলের ব্যাপারে বিধিনিষেধ এবং বিশেষ সতর্কতা আরোপ করেছে।
জন কিরবি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ভ্রমণে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকরাও যেন দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মতো সতর্কতা অবলম্বন করেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিদেশে থাকা নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং নিরাপদে থাকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের নাগরিকদের যতটা সম্ভব তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছি, যাতে তারা ভ্রমণের আগে তথ্যবহুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে।