বিভাগীয় বন কর্মকর্তার সাথে পলাশের সৌজন্যে সাক্ষাৎ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

বিভাগীয় বন কর্মকর্তার সাথে পলাশের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২১

বিভাগীয় বন কর্মকর্তার সাথে পলাশের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস.এম. সাজ্জাদ হোসেন সাথে  পরিবেশ ও সামাজিক বনায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পরামর্শ করে সৌজন্য সাক্ষাত করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিলেট জেলা শাখার নব-নির্বাচিত বন ও পরিবেশ সম্পাদক এবং দৈনিক সিলেটের দিনকালের সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তাক আহমদ পলাশ।

আজ মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস.এম. সাজ্জাদ হোসেনের কার্যালয়ে গিয়ে সাক্ষাত করেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিলেট জেলা শাখার নব-নির্বাচিত বন ও পরিবেশ সম্পাদক এবং দৈনিক সিলেটের দিনকালের সম্পাদক ও প্রকাশক মস্তাক আহমদ পলাশ বন কর্মকতাকে বলেন , জলবায়ু সহিষ্ণু বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে প্রতিবেশ ও পরিবেশের ঝুঁকি মোকাবেলায় নানামুখী উদ্যোগের ফলে সিলেটে বায়ুদূষণের মাত্রা কমেছে। একইসঙ্গে জীববৈচিত্র্যের জন্য সেখানে গড়ে উঠছে প্রাণীবান্ধব পরিবেশ।

ক্লিন এয়ার এ্যান্ড সাস্টেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রজেক্ট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সিলেট শহর ও আশপাশে বিগত ২ বছরে বায়ুদূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে সিলেট নগরীতে বাতাসে বৃহত্তর বস্তুকণা সৃষ্ট (এমপি১০) বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল ২৫৭.৪, যা ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে ১৫০.৩-এ এসে দাঁড়ায়। একইভাবে বাতাসে ছোট্ট বস্তুকণার পরিমাণ (পিএম২.৫) ২০১৭ সালে ছিল ১৭৭.৩ এবং ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অর্ধেকের বেশি হ্রাস পেয়ে ৮৩.৬ এ এসে পৌঁছেছে। তাই সিলেট নগরী সহ জেলা ব্যাপী সামাজিক বনায়ন করা দরকার ।

মস্তাক আহমদ পলাশ বন কর্মকতাকে আরো বলেন , সিলেট জেলায় সামাজিক বনায়নের আওতায় মূর্তা, হিজল ও করচগাছের লাখ লাখ চারা লাগানোর অনুরোধ করেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় জলাভূমির বন পুনরুদ্ধার ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায়। জেলার বন বিভাগের জায়গায় মূর্তাগাছ ও বাকি জায়গায় হিজল ও করচগাছের চারা রোপণ করা উচিত বলে মতামত প্রদান করেন।

সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস.এম. সাজ্জাদ হোসেন বলেন , সিলেট জেলার পরিবেশ ও সামাজিক বনায়ন নিয়ে কাজ করছে সরকার । সবার সহযোগিতা পেলে সরকারের সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।