বিশ্বনাথে কালভার্টের দু’পাশে নামমাত্র রাস্তায় ভোগান্তি চরমে – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

বিশ্বনাথে কালভার্টের দু’পাশে নামমাত্র রাস্তায় ভোগান্তি চরমে

প্রকাশিত: ২:৩৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২০

বিশ্বনাথে কালভার্টের দু’পাশে নামমাত্র রাস্তায় ভোগান্তি চরমে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি কালভার্ট নিষ্প্রাণ অবস্থায় অকেজো হয়ে দাাঁড়িয়ে আছে। কালভার্টের দুই পাশে মাটি না থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষ এ কালভার্ট ব্যবহার করতে পারছে না। কালভার্ট এর দুপাশে রাস্তার নামমাত্র অস্তিত্ব আছে। তবে পর্যাপ্ত মাটি ভরাটের অভাবে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী। একারণে স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এছাড়া কালভার্টের দুই পাশের সংযোগ বা অ্যাপ্রোচ অংশে পর্যাপ্ত মাটি নেই। যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। গত মঙ্গলবার এই কালভার্টে অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় একটি অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রী নিয়ে খাদে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা অটোরিকশা-যাত্রীদের উদ্ধার করেন। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পান অটোরিকশায় থাকা যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রি কলেজ গেটের সামনে থেকে শুরু হওয়া প্রায় অর্ধকিলোমিটার বিশ্বনাথ বাইপাস সড়কের সংযোগ ও দন্ডপানিপুর-মহরমপুর, মিনারপাড়া, রাজাপুর, সরুয়ালা, ভোগসাইলসহ কয়েকটি গ্রামের ভেতরে গিয়ে মিলিত হয়েছে। এই রাস্তার বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজ থেকে প্রায় দুই শ গজ দূরে সরকারি প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কালভার্টের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। কালভার্টের সংযোগ অংশে মাটি না থাকায় যানবাহানসহ জনসাধারণ চলাচল করতে পারছে না। তবে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই চলতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান,  দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এ সড়কে একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে চলতি বছরের শুরুর দিকে সরকারি অর্থায়নে কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু কালভার্ট নির্মাণ হলেও কালভার্টটির দুই পাশে মাটি না থাকায় লোকজন চলাচল করতে পারছে না। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শতশত লোকজন যাতায়াত করে। কিন্তু কালভার্টে অ্যাপ্রোচ সা-থাকায় বয়স্ক নারী-পুরুষকে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। সম্প্রতি স্থানীয়রা এ রাস্তা দিয়ে চলতে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করছিলেন।

কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান এলাকাবাসী।

বিশ্বনাথ সদর ইউপি চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক বলেন, কালভার্ট নির্মাণ হওয়ায় স্থানীয় কয়েকটি গ্রামবাসী উপকৃত হবেন। কিন্তু এখনও কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট না হওয়ায় এলাকাবাসী চলাচল করতে পারছে না। বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী অফিসকে কয়েকবার অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা আবু সাঈদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল