বিয়ানীবাজারে শখের কবুতর থেকে বানিজ্যিক খামার – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

বিয়ানীবাজারে শখের কবুতর থেকে বানিজ্যিক খামার

প্রকাশিত: ৭:২২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১

বিয়ানীবাজারে শখের কবুতর থেকে বানিজ্যিক খামার

এহসান খোকন:
আমাদের দেশে বিভিন্ন পাখির মধ্যে যুগ যুগ ধরে কবুতর সর্বাধিক জনপ্রিয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কবুতর পালন করা হয়়- এর বাহ্যিক সৌন্দর্য্যগত দিকগুলোর কারণে।
সারা পৃথিবী জুড়ে কবুতরকে ধরা হয় শান্তির দূত হিসেবে। তাই শৌখিন মানুষেরা কবুতর পালনে আগ্রহী বেশী।

সিলেটের বিয়ানীবাজারেও দিন দিন কবুতর পালনে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।
বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর গ্রামের মোঃ মিছবাহ উদ্দিন খছরু, বয়স প্রায় ষাটের কোটায়।
প্রথমে শখের বশে নিজের ঘরের পাশে দেশী কবুতর পালন করা শুরু করলেও ২০১৭ সাল থেকে
অবসর সময় কাঠানো ও বাণিজ্যিকভিত্তিতে বিদেশী কবুতর পালন করেন।
এখন তার সংগ্রহে আছে বিদেশী ১৬ জাতের কবুতর। এর মধ্যে বোখরা, কিং, সিলভার, সিরাজি, কালা, সিরাজী লাল, বোমবাই, ফিলিয়েজার,ইন্ডিয়ান লোটন, হোয়াট চায়না, আওল রেড বাগদাদ, গিরিবাজ, ময়ূরীসহ দেশী-বিদেশী মূল্যবান কবুতর রয়েছে তার খামারে।

বিদেশী কবুতরের চাহিদা দেশের অন্যান্য জেলায় লাভজনক হলেও সিলেটে এর ন্যায্য মুল্য পাওয়া যায় না বলে জানান
তিনি।এর অন্যতম কারন কবুতর খামারকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্লাব আছে।তাই অনেকেই সহজেই কবুতর বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু বিয়ানীবাজারে এখন অনেক কবুতর খামার গড়ে উঠলেও ক্লাব নেই।তাই অনেক দামি কবুতর থাকা সত্বেও কবুতরের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন খামারিরা।

বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান কবুতর পালন এখন শুধু শখ ও বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বরং সর্বত্র এটি লাভজনক একটি ব্যবসা হিসেবে পরিণত হয়েছে।
দেশব্যাপী মানুষের অর্থনৈতিক অভাব পূরণে সহযোগিতা করছে।
বহুসংখ্যক পরিবার এখন অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে কবুতর পালনে উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।
সুষ্ঠু পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সঠিকভাবে কবুতর পালন করে আর্থিক উন্নয়ন ও বেকারত্ব লাঘব করতে পারে যেকোনো বেকার যুবক।